সাধারণে অসাধারণ শেখ হাসিনা

বাংলাদেশ বর্তমানে সারাবিশ্বে উন্নয়নের রোলমডেল। বাংলাদেশের বিস্ময়কর উত্থান এবং নানা প্রতিকূল পরিবেশেও এর অগ্রযাত্রা সারাবিশ্বে প্রশংসিত ও স্বীকৃত। সাবেক ইউনেস্কো প্রধান ইরিনা বোকোভা বলেন, ‘সাহসী নারী শেখ হাসিনা সারাবিশ্বকে পথ দেখাচ্ছেন।’ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, ‘অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা।’

শেখ হাসিনা রাজনীতি করতে গিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন বারবার। ধ্বংসাত্মক রাজনীতির উত্থান-পতনে ঠাঁই করে নিয়েছেন সাধারণ মানুষের মনের সিংহাসনে। নিজ কর্মে পৌঁছেছেন অনন্য উচ্চতায়। মেধা-মনন-শ্রমে গোটা জাতিকে নিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্নের শিখরে। তিনিই আমাদের তথা গোটা জাতির পথপ্রদর্শক। শেখ হাসিনার পরিচয় বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের সুযোগ্য কন্যা।

শেখ হাসিনার আরও পরিচয় আছে- তিনি বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো এশিয়ার অন্যতম প্রাচীনতম দলের সভাপতিও তিনি। তিনি আপাদমস্তক একজন বাঙালি ধর্মপ্রাণ মুসলিম নারী, একজন আদর্শ মাতা। এছাড়া একজন মানবতাবাদী ও বিপন্ন মানবতার আলোকবর্তিকা, উজ্জ্বল নক্ষত্র তিনি। গরিব, দুঃখী, মেহনতি মানুষের মুক্তির কা-ারি, আপামর জনতার ভাগ্য উন্নয়নের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্বের দেশে দেশে সমাদৃত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রবৃদ্ধি, সমাজব্যবস্থা, অবকাঠামো ও সাধারণের জীবনমানের উন্নতিতে দুর্দান্ত ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের পরতে পরতে লেখা থাকবে তাঁর নাম। তিনি অনন্য, অদ্বিতীয় বঙ্গকন্যা। বঙ্গবন্ধুর আদরের হাসু। সদ্যসমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে সারাবিশ্বে নারীর ক্ষমতায়নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন তিনি। ২০০৯ সাল থেকে একটানা চারবার এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল মেয়াদে একবার তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, যা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন ইতিহাস।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধী ১৫ বছরের বেশি শাসন ক্ষমতায় ছিলেন। মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১১ বছর ২০৮ দিন এবং চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১১ বছর ৭ দিন দেশ পরিচালনা করেছেন। বিশ্বে জনপ্রিয় নারী সরকারপ্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন দেশ পরিচালনার রেকর্ড ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পঞ্চমবার ক্ষমতায় এসে শুধু সময়ের ব্যাপ্তিতে নয়, বরং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বখ্যাত অন্য নারী নেতাদেরও ছাড়িয়ে যাবেন। বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান যারা প্রাজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতার সঙ্গে নিজ নিজ দেশে দৃশ্যমান উন্নতি করছেন বা করে গেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের মধ্যে অন্যতম।
দেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার ম্যাজিক কথাটি বিশ্বব্যাপী যেভাবে আলোচিত হচ্ছে একজন নাগরিক হিসেবে আমাদের নিকট তা অনেক গর্বের বিষয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আমরা যেমন একজন অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পেয়েছি, ঠিক তেমনি তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ গড়ার ম্যাজিক কারিগর হিসেবে পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ আজ কারও বলা তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ নয়।

বাংলাদেশ আজ উপচেপড়া ঝুড়ির দেশে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস ও কর্মঠ জীবনাচরণ, দেশের জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে আত্মনিয়োগ, নির্মোহ ত্যাগ ও তিতিক্ষা, গভীর দেশপ্রেম, রাষ্ট্রকে উন্নত বিশ্বের মর্যাদায় সমাসীন করার দৃঢ় প্রত্যয়, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের ঊর্ধ্বগামী প্রবণতা বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক পরিম-লে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নতকরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে তাঁর অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।

শেখ হাসিনা বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। ২০২৩ সালে মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী ফোর্বসের দৃষ্টিতে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ৪৬তম। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফরেন পলিসি নামক সাময়িকীর করা বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ১০০ বৈশ্বিক চিন্তাবিদের তালিকায় শেখ হাসিনা জায়গা করে নিয়েছেন। ২০১১ সালে বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী নারী নেতাদের তালিকায় সপ্তম স্থানে ছিলেন তিনি।

তাঁর আগে ও পরে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট অ্যালেন জনসন সার্লেফ এবং আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জোহানা সিগার্ডারডটির। ২০১০ সালে নিউইয়র্ক টাইমস সাময়িকীর অনলাইন জরিপে তিনি বিশ্বের সেরা ১০ ক্ষমতাধর নারীর মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন।
ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগ সরকারে থাকায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে বিপ্লব হয়েছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এক্সপ্রেসওয়ের মতো সুবিশাল আধুনিক অবকাঠামোগুলো প্রথমবারের মতো দেখেছে গোটা দেশ। শেখ হাসিনার রক্তে রাজনৈতিক সংগ্রামের স্রোতধারা মিশে থাকলেও তাঁর জীবনটা ছিল সাধারণ। যার কাছে টুঙ্গিপাড়াকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম স্থান মনে হতো। তবে পরিস্থিতির কারণে তাঁকে বেরিয়ে আসতে হয়েছে সাধারণ জীবনের খোলস থেকে।

ঝুঁকি নিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে ফিরতে হয়েছে দেশের মাটিতে। পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শিক অনুপ্রেরণায় হাল ধরতে হয় দলের। অসীম সাহসে যুক্ত হন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে। জনগণের ম্যান্ডেটে দেশ পরিচালনায় কাঁধে তুলে নেন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের বিচার করেন।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজটিও তাঁর সরকারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। এই পঙ্কিল পথে অসংখ্যবার হত্যাকা-ের পরিকল্পনার শিকার হলেও হার না মানা মানসিকতায় এগিয়ে চলেছেন তিনি। নেতৃত্বের অনেক গুণের সমাহারে শেখ হাসিনা এখন অনুকরণীয়। তিনি লক্ষ্য অর্জনে অনড়, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও ভিশনারী একজন নেতা। লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে কৌশলগত ভাবনার বুনন থাকতে হয় তা তাঁর মধ্যে রয়েছে। তিনি একাধারে সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নেতা। তিনি একজন ভিশনারি লিডার।

তিনি দৈনিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৭ থেকে ১৮ ঘণ্টাই ব্যস্ত থাকেন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে। পাশাপাশি চলে ইবাদত-বন্দেগী, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত। রাজনৈতিক দলের প্রধান দলীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁকেই সিদ্ধান্ত দিতে হয়। এত কিছুর পরও তিনি আপাদমস্তক একজন বাঙালি নারী। অন্যান্য বাঙালি নারীর মতোই তিনি সুযোগ পেলেই গৃহস্থালির কাজও করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। রান্নাবান্না করেন এবং আত্মীয়স্বজন, নাতি-নাতনিদের নিয়ে সময় কাটান।
জাতির আশা-আকাক্সক্ষার বিশ্বস্ত ঠিকানা, বিশ্বজয়ের স্বপ্ন সারথি, রাজনীতির উজ্জ্বলতম তারকা, বিশ্বপরিম-লে অনগ্রসর দেশ, জাতির মুখপাত্র হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন জননেত্রী থেকে বিশ্বনেত্রী হয়ে ওঠা শেখ হাসিনা। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য জ্যেষ্ঠ কন্যা স্বাধীন বাংলাদেশে পিতার মতোই সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক। পিতা-মাতা-স্বজন হারানোর সীমাহীন বেদনার মাঝেও তিনি অসীম সাহস ও প্রত্যয় নিয়ে লড়াই করছেন।

দেশের জনগণের মাঝেই তিনি খুঁজে নিয়েছেন স্বজনদের। তিনি দেশের মানুষের জন্য সঁপে দিয়েছেন জীবনের সবটুকু সময়। তিনি অবিরাম ছুটে চলেছেন জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে। তাঁর সুদৃঢ় নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে অদম্য অগ্রযাত্রায়। মানবিক গুণসম্পন্ন এই মানুষটি জনতার নেত্রী, আমাদের নেত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা, বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনা।

বৈশ্বিক করোনা মহামারির মধ্যেও তিনি জীবন ও জীবিকার মধ্যে একটি সংমিশ্রণ করে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রপ্তানিসহ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যে ভূমিকা রেখেছেন বিশ্ব তা বিস্ময়ে দেখছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ, স্যানিটেশনসহ সব ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনন-মেধা, সততা-নিষ্ঠা, দক্ষতা এবং সৃজনশীল উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে।
বাংলাদেশ বর্তমানে সারাবিশ্বে উন্নয়নের রোলমডেল। বাংলাদেশের বিস্ময়কর উত্থান এবং নানা প্রতিকূল পরিবেশেও এর অগ্রযাত্রা সারাবিশ্বে প্রশংসিত ও স্বীকৃত। সাবেক ইউনেস্কো প্রধান ইরিনা বোকোভা বলেন, ‘সাহসী নারী শেখ হাসিনা সারাবিশ্বকে পথ দেখাচ্ছেন।’ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, ‘অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা।’ এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়ন করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার কথা বলেছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রয়োজন স্মার্ট সরকার, স্মার্ট জনগণ, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সমাজ। বাংলাদেশের অব্যাহত উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার স্বপ্ন সারথি ও রূপকার শেখ হাসিনার স্বপ্ন এখন স্মার্ট বাংলাদেশের।

বঙ্গবন্ধু যেমন ছিলেন একজন দূরদর্শী, দেশপ্রেমিক ও গণমানুষের নেতা, মানুষের জন্য কাজ করার লক্ষ্যে ক্ষমতার লড়াই করেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও শাসন ক্ষমতায় যেতে চান মানুষের জন্য কাজ করার স্বার্থে। তাঁর নিজের কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। দেশের মানুষের জন্য কী করা দরকার তা তাঁর নখদর্পণে। লাভজনক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক উপকার ও জনহিতকর প্রকল্প গ্রহণ করে জনসেবা করে যাচ্ছেন তিনি।

সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের মাধ্যমে দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্ক, দুস্থ, স্বামী পরিত্যক্তা নারী, চা শ্রমিক, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে ভাতা দিয়ে যাচ্ছেন এবং ভূমিহীন ও আশ্রয়হীনদের বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছেন তিনি।
উন্নয়নের সকল রেকর্ড অতীতেই ভেঙে ফেলেছে শেখ হাসিনার সরকার। নতুন বছরে এই সরকার যেন আরও নতুন রেকর্ডের দিকেই ধাবমান। শেখ হাসিনা শুধু দেশেই নন, বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গৌরবান্বিত অধ্যায়। স্বর্ণোজ্বল এই অধ্যায়ের যেন কোনো শেষ নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অলংকৃত অধ্যায়ের ধারা এখনো ধাবমান। তাঁর হাত ধরেই ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তব রূপায়ণের পর স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ধাবমান গোটা জাতি।

শেখ হাসিনা আজ শুধু একটি নাম কিংবা নিছক একজন দলীয় প্রধান নন, তিনি একাধারে সরকারপ্রধান এবং বিশ্ব দরবারে একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক, বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত এবং গণতান্ত্রিক উন্নয়নের প্রতিষ্ঠান, নতুন ও সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার। বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনা অপরিহার্য। স্বাধীনতার পর নজিরবিহীন উন্নয়ন কেবল শেখ হাসিনার আমলেই প্রত্যক্ষ করেছে দেশবাসী।

লেখক : খায়রুল আলম
সাংবাদিক, যুগ্ম সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)