বাংলাদেশকে ডিডিটি মুক্ত ঘোষণা

সরকারিভাবে বাংলাদেশকে বিপজ্জনক জৈব রাসায়নিক কীটনাশক ডাইক্লোরো ডাফেনাইল ট্রাইক্লোরেথেন (ডিডিটি) মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এ ঘোষণা দেন। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, আমি সরকারিভাবে বাংলাদেশকে বিপজ্জনক জৈব রাসায়নিক পেস্টিসাইড ডিডিটি মুক্ত ঘোষণা করছি।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পণ্যটি দীর্ঘদিন ধরে মাটি ও পানিতে অপরিবর্তনীয় থাকে। খাদ্য, পানি ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ডিডিটি মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। এর ক্ষতিকর প্রভাবসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো ক্যানসার ঝুঁকি, প্রজনন অক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় পরিবর্তন। চলতি বছরে গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্ক তহবিল প্রতিষ্ঠা করা হবে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এই তহবিল বাস্তবায়নে তথা জীববৈচিত্র্য এবং প্রতিবেশ সংরক্ষণের জন্য ৩৫০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিতে অঙ্গীকার করেছেন। আশা করি অন্যান্য উন্নত দেশগুলোও কানাডার পথ অনুসরণ করে এ তহবিল বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার পরিমাণ বাড়াবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৮৫ সালে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পাকিস্তান থেকে ৫০০ টন ডিডিটি আনা হয়েছিল। এর কিছুদিন পরেই গবেষণায় বেরিয়ে আসে ডিডিটি বিপজ্জনক বিষাক্ত পাউডার। এই কীটনাশককে মানুষের জন্য বিপজ্জনক ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)। বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের ফলে দেশ এখন ডিডিটি মুক্ত।