মেট্রোরেলে থাকছে দুই ধরনের টিকিট

বহুল প্রতিক্ষীত মেট্রোরেলে ভ্রমণের জন্য থাকছে দুই ধরনের টিকিট বা কার্ড। স্থায়ী ও এক যাত্রার কার্ড। শুরুতে মেট্রোরেল স্টেশন থেকেই এই কার্ড কিনতে হবে। পরে পর্যায়ক্রমে কিছু প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়া হবে।

জানা গিয়েছে, ১০ বছর মেয়াদি স্থায়ী টিকিট কার্ড কিনতে হবে ২০০ টাকা দিয়ে। এই কার্ড দিয়ে যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনমতো টাকা রিচার্জ করা যাবে।

স্থায়ী কার্ড পেতে নিবন্ধন করতে হবে। উদ্বোধনের পরদিন বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ডিএমটিসিএলের ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের লিংক দেওয়া হবে। এদিন থেকে নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধন করতে নিজের নাম, মাতা–পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা পাসপোর্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল আইডি লাগবে।

এক যাত্রার কার্ডের জন্য নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না। স্টেশন থেকে এই কার্ড কিনে যাত্রা করা যাবে। ট্রেন থেকে নামার সময় কার্ড রেখে দেওয়া হবে।

স্টেশনের টিকিট অফিস মেশিন (টিওএম) থেকে বিক্রয়কর্মীর সহায়তায় কার্ড কেনা যাবে। এ ছাড়া ভেন্ডিং মেশিন থেকে যাত্রীরা নিজেরাই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

শুরুতে উত্তরা ও আগারগাঁও স্টেশন থেকে টিকিট কাটা যাবে। এই পথের ভাড়া ৬০ টাকা। সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। এরপর প্রতি দুই স্টেশন পর ১০ টাকা ভাড়া যোগ হবে।

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তরায় মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন। এরপর টিকিট কেটে আগারগাঁওয়ে নামবেন। পরদিন থেকে সাধারণ যাত্রীরা চড়তে পারবেন।

শুরুতে মেট্রোরেল চলবে সকাল ৮ থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলার সময় ট্রেন মাঝপথে কোথাও থামবে না। পৌনে ১২ কিলোমিটারের এই পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ১০ মিনিট ১০ সেকেন্ড।