সাজেক-খাগড়াছড়িতে রেকর্ড পরিমাণ পর্যটক

তিন দিনের টানা ছুটিতে খাগড়াছড়ি ও সাজেকে ভ্রমণ করছে রেকর্ড পরিমাণ পর্যটক। প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে এখন উপচে পড়া ভীর। প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্য ও ঝর্ণার শীতলতায় গা ভাসাতে পাহাড়ি কন্যা খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির সাজেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণ করছে হাজারো পর্যটক। হোটেল-মোটেলে কোন জায়গা নেই। দেখা দিয়েছে পরিবহন সঙ্কটও।

পর্যটকদের বাড়তি বিনোদন দিতে আলুটিলা পর্যটন পার্ক এম্ফিথিয়েটারে আয়োজন করা হয় বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

খাগড়াছড়ির আলুটিলার পর্যটন কেন্দ্র, জেলা পরিষদ পার্কের ঝুলন্ত সেতু, রিছাং ঝর্ণা, আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ,মায়াবিনী লেকসহ প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্র এখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভীর। এছাড়া সাজেকে পর্যটকদের আগমনে এখন জনসমাগমে পরিপূর্ণ রাঙ্গামাটি।

নিরাপত্তার ঘাটতি না থাকায় রাত পর্যন্ত পর্যটকরা ঘুরছেন নির্বিঘ্নে। অতিরিক্ত পর্যটকের ভারে যেমন পরিবহন সঙ্কট দেখা দিয়েছে তেমনি হোটেল-মোটেলেও সিট নেই। ফলে অনেককে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে নয়নাভিরাম নানান দৃশ্য,বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা,সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য, প্রকৃতি নজরকাড়া হাজারো চিত্র। চার পাশে বিছিয়ে রাখা শুভ্র মেঘের চাদরের নীচে রয়েছে সবুজ বনারাজিতে ঘেরা ঢেউ খেলানো অসংখ্য
ছোট-বড় পাহাড়। তার মাঝ দিয়ে চলে গেছে আঁকা-বাঁকা সড়ক।

খাগড়াছড়ি জীপ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক অরুন কুমার দে বলেন, টানা ছুটিতে এবার ১৫০০ গাড়ি করে খাগড়াছড়ি ও সাজেকে প্রায় ৫০ হাজারের মত পর্যটকের আগমন ঘটেছে।

খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলের ম্যানেজার রফিকুল আলম জানান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে খাগড়াছড়িতে আসা পর্যটকদের থাকার-খাওয়ার জন্য রয়েছে বহু হোটেল-রেষ্টুরেন্ট। বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসায় হোটেল-মোটেল ও যানবাহন
ব্যবসায়ীরাও খুশি। ।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক পিপিএম জানান, খাগড়াছড়িতে আসা পর্যটক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পর্যটন স্পর্টে নিয়োগ করা হয়েছে সাদা পোষাকের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক পুলিশ।