কমলা ছুঁয়েছে স্বপ্ন, লালমনিরহাটের মাটিতে জাগছে আশা

লালমনিরহাটে লিজ নেওয়া জমিতে দার্জিলিং ও চায়না কমলা চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন একরামুল হক। ৪ একরের বাগান থেকে এ বছর খরচা বাদে প্রায় কোটি টাকা লাভ হয়েছে তার।

এই সফল উদ্যোক্তা নিজ চেষ্টা ও একাগ্রতায় ঘুরিয়েছেন ভাগ্যের চাকা। তার চোখে মুখে এখন শুধুই আনন্দ আর নতুন উদ্যোক্তা তৈরির স্বপ্ন।

একরামুল হকের কমলা বাগান লালমনিরহাট সদরের হাড়িভাঙা গ্রামে। একসময় নার্সারির ব্যবসা করতেন। তিনি ইউটিউব দেখে কমলা চাষে ঝুঁকে পড়েন।

প্রথমে কুড়িগ্রামে নিজ বাড়িতে কমলার বাগান করেন। আশানুরুপ ফল না হওয়ায় পাশের জেলা লালমনিরহাটে কমলা চাষ শুরু করেন এবং সফল হন।

তার বাগানে দেখা মেলে ভ্রমণ পিপাসুদের। কেউ কমলা দেখছেন, কেউ ছবি তুলছেন। আবার কেউ বাড়ি ফিরছেন কমলার ব্যগ হাতে।

বাগানে ঘুরতে আসা নীর আলম বলেন, একরামুল হকের এমন বাগান দেখে চোখে বিশ্বাস হচ্ছেনা, লালমনিরহাটে এমন কমলা বাগান দেখে আমি মুগ্ধ।

শুরু থেকেই একরামুল হকের বাগান দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, চার বছর আগে এ বাগানটি করা হয়, সে থেকেই আমি আছি। এবার ফল পাওয়াতে খুব খুশি লাগছে। মানুষ আসছে, দেখছে, খাচ্ছে, কিনছে। এসব দেখে আমি খুবই আনন্দিত।

একরামুল হক বলেন, নিজ জেলা কুড়িগ্রামে ২০১৬ সালে ৫০ শতাংশ জমিতে কমলা চাষ শুরু করেছিলাম। লালমনিরহাটে ১৮ সালের দিকে শুরু করি। ২০২১ সালে কিছু ফল আসে। আমার বাড়ির কমলার চেয়েও এটা ভালো। এবছর অনেক ফল এসেছে।লাভের পরিমাণও অনেক। এখানকার মাটি অনেক ভালো।