বিজয়ের মাসে বুস্টার ডোজ পাবে ৯০ লাখ মানুষ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে (১ থেকে ৭ ডিসেম্বর) নতুন করে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ সময় ৯০ লাখ জনগোষ্ঠীকে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভ্যাকসিনেত বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল মেরিডিয়ানে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, সামনে বিজয় দিবস আসছে। এ উপলক্ষে ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ প্রয়োগের জন্য ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নিয়েছি। এটি ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে, চলবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত আমরা ৯টি ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছি। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা ভ্যাকসিন দিয়েছি ১৩ কোটি ৪৯ লাখ ডোজ। আগামী বিজয়ের মাস উপলক্ষে আমরা ৯০ লাখ জনগোষ্ঠীকে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বুস্টার ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এর আগে যতগুলো ক্যাম্পেইন করেছি, সবগুলো সফল হয়েছে। আশা করি, এটিও সফল হবে। আমরা এ পর্যন্ত যা ভ্যাকসিন দিয়েছি, তা লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ। এছাড়াও ১২ কোটি ৪২ লাখ ডোজ দেওয়া হয়েছে দ্বিতীয় ডোজ, যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৫ শতাংশ। বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ৫ কোটি ৮৬ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার ৫২ শতাংশ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের ২৭ জানুয়ারি থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু হয়। আমাদের ১২ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী মোট জনসংখ্যা ১৩ কোটি ৩১ লাখ। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজে আমরা অনেকদূর এগিয়ে গেলেও বুস্টার ডোজের জন্য অপেক্ষমান জনগোষ্ঠী এখনও ৪ কোটি ৫৮ লাখ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, বিজয়ের মাসে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইনে মোট কেন্দ্র থাকবে ২৮ হাজার ৫৬৯টি। মোট ভ্যাকসিনেটর থাকবেন ৫৭ হাজার ১৩৮টি। মোট স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন এক লাখ ৪২ হাজার ৮৪৫ জন। বর্তমান ভ্যাকসিনের মজুদ আছে ১ কোটি ডোজ।