যানজট নিরসনে অবদান রাখবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার গণভবন থেকে সাভারের আশুলিয়া বাজারসংলগ্ন কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

বিশ্ব মন্দায় আগামীতে যাতে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা না দেয় সে জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ারও আহ্বান জানান দেশবাসীকে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে দলবিশেষের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার রিজার্ভ থেকে এক পয়সাও নষ্ট করেনি, বরং দেশ ও জনগণের স্বার্থে ওই টাকা ব্যবহার করেছে। অথচ তাদের নেতাকে মানি লন্ডারিং মামলায় সাত বছরের কারাদন্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তিনি পলাতক। স্মর্তব্য, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরে ২০১৭ সালে অনুমোদন দেয় সরকার। যদিও কাজ শুরুর আগেই মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাই প্রকল্পটি সংশোধন করে আরও চার বছর মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুনে বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা।

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে হবে রাজধানীর দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। প্রথমটি হচ্ছে বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। নকশা অনুযায়ী বিমানবন্দরে এসে একসঙ্গে মিলবে এ দুটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এটি চালু হলে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে যাতায়াতকারী যানবাহনগুলোকে ঢাকার যানজটে পড়তে হবে না। দুটি এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করে দ্রুতই রাজধানীর এক প্রান্ত থেকে চলে যেতে পারবে অন্য প্রান্তে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের ঋণে জি টু জি পদ্ধতিতে তৈরি হবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি।
ঋণের পরিমাণ ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ পাঁচ বছর পিছিয়ে যায় সময়মতো ঋণচুক্তি সম্পন্ন না হওয়ায়। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা মহানগরীর সঙ্গে বাস্তব অর্থে সাভারের সংযুক্তি ঘটবে। রাজধানীর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যাতায়াত সহজতর হবে।