প্রধানমন্ত্রীর পল্লী উন্নয়ন ॥ আমার গ্রাম-আমার শহর

বাংলাদেশকে বলা হয় পল্লী উন্নয়নের সূতিকাগার। একান্ন (৫১) বছরের বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির উপস্থিতি দেশকে আজ মধ্য আয়ের দেশের কাতারে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে একমাত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক নেতৃত্বের কারণে। বাংলাদেশের এ সামর্থ্য ও সক্ষমতা রাতারাতি অর্জিত হয়নি। স্বাধীনতার পর থেকেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে কৃষিতে সবুজ বিপ্লবের সূচনা। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের হাত ধরে শিল্পায়নসহ অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে আশির দশকে তৈরি পোশাক শিল্পের উত্থান ও প্রসার এবং আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে বাংলাদেশের দৃষ্টিগ্রাহ্য অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। বছর বছর দেশের জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি বাড়তে থাকে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ ৮.২৫ শতাংশে পৌঁছে, যা করোনা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সত্যেও বর্তমানে ৬ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর কৃষি ও পল্লী উন্নয়নের নীতির পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ খাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দের মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে কৃষি/পল্লী খাতের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে রূপকল্প ২০৪১, চলমান অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি ২০১৮, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০, বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এবং অন্যান্য পরিকল্পনা দলিলের আলোকে সরকার কৃষি ও পল্লী উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কৃষিবান্ধব নীতি ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের কারণে জীবিকা কৃষি ক্রমান্বয়ে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈরী প্রকৃতির প্রভাবে ক্রমহ্রাসমান চাষযোগ্য জমি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা, লবণাক্ততার বিপরীতে খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী দেশ।

এ পর্যন্ত লবণাক্ততা, খরা, প্লাবনসহিষ্ণু এবং জিঙ্কসমৃদ্ধ ১৩৪টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পাট রফতানিতে প্রথম ও উৎপাদনে দ্বিতীয়। সবজিতে প্রতি হেক্টরে ফলন বৃদ্ধিতে প্রথম। শস্য জাতের উন্নয়নে প্রথম। সবজি উৎপাদনে তৃতীয়। চা উৎপাদনে তৃতীয়। কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়। আম উৎপাদনে সপ্তম। পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম। আলু উৎপাদনে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে।

গ্রামের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি করতে পারলে দেশের উন্নয়ন হয়। বিধায় দেশের উন্নয়ন করতে হলে একেবারে তৃণমূলের মানুষকে বাদ দিয়ে কখনো উন্নয়ন হতে পারে না। উন্নয়ন কার্যক্রমে তৃণমূলকে ঘিরেই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হবে। ডিজিটাল সেন্টার প্রথমে কিন্তু সেই চর কুকরিমুকরি থেকে শুরু করা হয়। গ্রামের মানুষকে সাবলম্বী করতে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ কর্মসূচি করা হয়েছিল। সরকার ‘প্রায় শতভাগ মানুষের জন্য’ সুপেয় পানি এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করতে পেরেছে। স্বাস্থ্য-শিক্ষা, বাসস্থান এগুলো মানুষের মৌলিক চাহিদা। আমাদের এখন যত মানুষ গৃহহীন আছে অর্থাৎ ভূমিহীন-গৃহহীন, তাদেরকে বিনা পয়সায় ঘর করে দেয়া হচ্ছে। যাতে একটা ঘর পেলে সেটাই মানুষের কর্মসংস্থান হয়। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে সহায়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এগুলো আমরা দিচ্ছি। সেটাও মানুষের আর্থ-সামাজিক কাজে লাগে। এগুলো সম্পূর্ণ আমাদের নিজস্ব পরিকল্পনা, নিজস্ব চিন্তাভাবনার ফসল। যার সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছে।

বর্তমানে আমার গ্রাম-আমার শহর এই নামে দেশের সকল গ্রামে নাগরিক সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকার আদলে দেশের গ্রামগুলোকে গড়ে তুলতে সরকারের ২০টি মন্ত্রণালয়ের ২৬টি সংস্থা একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে একযোগে ২৪৫টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যার সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, গ্রামের কৃষিপণ্য শহরে বাজারজাত করতে হাটে যেমন জায়গা প্রয়োজন, তেমনি শহরের ভোগ্যপণ্য গ্রামে পৌঁছানোর জন্যও হাটে জায়গার সংস্থান প্রয়োজন। দেশব্যাপী ২১০০টি গ্রোথ সেন্টার এবং ১৫ হাজার ৫৫৫টি গ্রামীণ হাটবাজার রয়েছে। দেশের সব উপজেলায় আধুনিক সম্প্রসারিত হাটবাজার নির্মাণের জন্য ১ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। ২০২০ সালে ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট আটটি বিষয় রয়েছে। যেমনা– গ্রামীণ যোগাযোগ, গ্রামীণ গ্রোথ সেন্টার ও হাটবাজার, গ্রামীণ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কমিউনিটি স্পেস ও বিনোদন ব্যবস্থা, উপজেলা মাস্টার প্ল্যান, গ্রামীণ গৃহায়ন এবং উপজেলা পরিষদ-ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি।

প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত এ কর্মপরিকল্পনায় আটটি বিষয়ে দেশব্যাপী পরিকল্পিতভাবে ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ৩০টি গাইডলাইন-নীতিমালা তৈরি এবং ৩৬টি সমীক্ষা পরিচালনা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি দেশের গ্রামসমূহ ২০৪১ সালের ভিশন সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার জন্য ১৫টি পাইলট গ্রাম উন্নয়নের একটি প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে। বাংলাদেশে সমতল জেলার গ্রামগুলোতে গ্রাম পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। কিছু গ্রামে সেতুর অভাবে সরাসরি সড়ক সংযোগ নেই। এলজিইডি অধিকাংশ প্রকল্পে গ্রামের ভেতরের সড়ক উন্নয়নে কাজ করছে। হাওড়-চর-পার্বত্যাঞ্চলের প্রায় ৪২০০ গ্রামে সড়ক যোগাযোগ নেই। এসব গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সমীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে, যা মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টসহ অন্যান্য বিষয়ও বিবেচনা করবে। গ্রামীণ গ্রোথ সেন্টার ও হাটবাজার গ্রামীণ অর্থনীতির হৃৎপি-। ২০৪১ সালের উন্নত দেশ গড়ার ভিশন অনুযায়ী পল্লী অর্থনীতিতে অধিকতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সঞ্চার করতে হলে গ্রোথ সেন্টার-হাটবাজারসমূহের পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন। এজন্য গ্রোথ সেন্টার-হাটবাজারকেন্দ্রিক অধিকতর কর্মসংস্থান তৈরি এবং উচ্চ আয়-মধ্য আয়ের অর্থনীতি সংস্থানে সক্ষম গ্রামীণ হাটবাজার পরিকল্পনার জন্য সমীক্ষা এবং গাইডলাইন তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ’৮০-এর দশকে ১৪০০, ’৯০-এর দশকে ২১০০ গ্রোথ সেন্টার ছিল। ২০৪১ সালের উন্নত দেশ বাস্তবায়নে গ্রোথ সেন্টারের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা তা যাচাই, অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং গ্রোথ সেন্টারের অবকাঠামো পরিকল্পনা নিয়েও সমীক্ষা রয়েছে। গ্রামে খেলার মাঠ এবং কমিউনিটি স্পেসের তীব্র অভাব রয়েছে। স্কুলের মাঠ ছাড়া খেলার মাঠ নেই বললেই চলে, অধিকাংশ জমিতে তিন ফসল হওয়ায় জমিতেও এখন খেলা যাচ্ছে না। স্কুলের মাঠসমূহের পরিকল্পিত ডিজাইন-উন্নয়ন করলে গ্রামে শিশুদের খেলার মাঠের সংস্থান সম্ভব। অনেক গ্রামে স্থানীয় জনগণ খেলার মাঠ, কমিউনিটি স্পেসের জন্য জমি দিতে আগ্রহী। এসব ক্ষেত্রে অধিকতর উন্নয়নে সরকারী বিনিয়োগ করার জন্য একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা প্রয়োজন। নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম, ইনডোর স্টেডিয়াম, পাবলিক লাইব্রেরি, কমিউনিটি সেন্টার, থিয়েটার, ইয়ুথ রিক্রিয়েশন সেন্টার ইত্যাদি স্থাপনা তৈরিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং সমন্বিত ডিজাইন প্রণয়ন জরুরি। এর পাশাপাশি, উপজেলায় পার্ক, পাবলিক স্পেস উন্নয়নের বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। এসব স্থাপনা ব্যবহার করে পাবলিক স্পেস উন্নয়নের ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির সমীক্ষা রয়েছে। দেশে উপজেলা মাস্টারপ্লান প্রণয়নে সক্ষমতার অভাব থাকায় প্রতিবছর ৮-১০টির বেশি মাস্টারপ্লান করা সম্ভব হচ্ছে না। এভাবে দেশের সব উপজেলার মাস্টারপ্লান সমাপ্ত করতে ৩০-৪০ বছর সময় লাগতে পারে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মাস্টার প্লান প্রণয়নের বর্তমান পদ্ধতি কিছুটা কাস্টমাইজ করে বছরে ৫০-১০০টি উপজেলা মাস্টারপ্লান প্রণয়নের সুযোগ আছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য সমীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।

আরডিএ বগুড়া দেশের তিনটি জেলায় (বগুড়া, রংপুর, গোপালগঞ্জ) গ্রামীণ গৃহায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। অন্যদিকে, ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি দেশের ১১টি উপজেলা সদরে পরিকল্পিত আবাসন তৈরির জন্য প্লট বরাদ্দের প্রকল্প গ্রহণ করেছে। গ্রামে কম্প্যাক্ট হাউজিং উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা রয়েছে। আমার গ্রাম-আমার শহর ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশের একটি ভিশন এবং সে ভিশন অনুযায়ী উন্নত বাংলাদেশ কেমন হবে, বর্তমান গ্রামীণ অবস্থার উন্নতি কিভাবে করতে হবে সেটির একটি বিশাল স্টাডি শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমার গ্রাম, আমার শহর প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার। যার বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামগুলোতে বিদ্যুত যাবে, সুপেয় পানির ব্যবস্থা থাকবে, আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা হবে, শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত হবে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে, কৃষি ব্যবস্থাপনা আধুনিক এবং লাভজনক হবে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে, ব্যাংকিং সিস্টেম সম্প্রসারণ হবে, বাজার ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন করা হবে, অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে একটি উন্নত জীবনযাত্রার জন্য যে ব্যবস্থাপনা মানুষের জন্য প্রয়োজন সেগুলোর সবকিছুই সেখানে করা হবে।

প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে আমাদের দেশের গ্রামগুলোও ইউরোপ-আমেরিকার গ্রামের মতো আধুনিক হবে। সরকারের আরও একটি প্রয়াস ‘বঙ্গবন্ধু মডেল ভিলেজ’ স্থাপন। যেখানে থাকবে শহরের সব সুবিধা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সমবায় অধিদফতর ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ ধারণায় গ্রামের বৈশিষ্ট্য সমুন্নত রেখে ইতোমধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু মডেল ভিলেজ’ প্রকল্পের প্রস্তাবনা তৈরি কাজ শেষ হয়েছে। যেখানে দেশের ১০ জেলার ১০ উপজেলার ১০ গ্রামে গড়ে পাঁচ হাজার করে মোট ৫০ হাজার মানুষ প্রকল্পটির উপকারভোগী হবেন। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। যা ২০২২ সালের জুলাই মাসের বাস্তবায়ন শুরু করেছে সমবায় অধিদফতর। সরকার মনে করছে কৃষিতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিকরণ, কৃষি গবেষণায় দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষির বহুমুখীকরণ, রপ্তানিমুখী কৃষি পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ইত্যাদিতে জোর দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে বর্তমান বছরের বাজেটে জাতীয় প্রবৃদ্ধির (জিডিপি) যে টার্গেট ধরা হয়েছে তা অর্জনে কৃষি খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। বিধায় সেই খাতে প্রবৃদ্ধি কমপক্ষে ৪.৫ শতাংশ হারে বাড়াতে হবে। আশা করা যায় যে বিদেশের আদলে সরকার যে গ্রামগুলোকে সাজাতে চাচ্ছে তা হবে একুশ শতকের শ্রেষ্ঠ উপহার।

লেখক : গবেষক ও অর্থনীতিবিদ, ডিন,
সিটি-ইউনিভার্সিটি, ঢাকা