পিঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মাঠে মাঠে বিভিন্ন রবিশস্যের পাশাপাশি পিঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কোনো কৃষক পিঁয়াজ চারা রোপণ করছেন কেউ আবার প্রস্তুত করছেন জমি।

সূত্র জানায়, এক বিঘা জমিতে পিঁয়াজ আবাদে বীজ কেনাসহ খরচ হয় ৪০ হাজার টাকা। আশ্বিন মাসে পিঁয়াজ রোপণ শুরু কয়। অগ্রহায়ণেই তা বাজারজাত করবেন কৃষকরা। গড়ে তিন মাসে এ ফসল ঘরে তোলা যায়। ভালো ফলন হলে বিঘাপ্রতি ১ লাখ টাকার পিঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান চাষিরা।

মুকন্দপুর গ্রামের পিঁয়াজ চাষি আবদুল হাকিম বলেন, বাপ-দাদার আমলে দেখেছি অন্য ফসলের পাশাপাশি বাড়ির জন্য কয়েক শতক জমিতে পিঁয়াজ চাষ করা হতো। এখন দেশে পিঁয়াজের চাহিদা এবং দাম ভালো পাওয়ায় বেশি জমিতে চাষ করা হচ্ছে। আমি এক বিঘা জমিতে পিঁয়াজ চাষ করছি। গতবার ভালো দাম পেয়েছি। আশা করি, এবারও দাম ভালো পাব।

কৃষক জহিরুল ইসলাম বলেন, পিঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকলে দাম আরও বেড়ে যায়। ফলে কৃষকরা পিঁয়াজ চাষে মনোযোগী হন। বর্তমানে এলাকার সবাই পিঁয়াজ চাষ করছি। বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিক্সন চন্দ্র পাল বলেন, আসন্ন শীত মৌসুমে বিরামপুরে ১২৫০ হেক্টর জমিতে রবিশস্য চাষ করছেন কৃষক। তার মধ্যে চার হেক্টরে পিঁয়াজ চাষ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ কৃষকদের বিনামূল্যে বিভিন্ন সবজি বীজসহ সার দিচ্ছে। কৃষি সেবাসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর দেশে পিঁয়াজ উৎপাদন হয় চাহিদার ৫৭ শতাংশ। ফলে আমদানির ওপরই বাজারে পিঁয়াজের দাম ওঠা-নামা করে।