জঙ্গিবাদ দমনে প্রশংসনীয় ভূমিকা বাংলাদেশের: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেছেন, বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ দমনে যে ভূমিকা রেখেছে, তা প্রশংসনীয়। হোলি আর্টিজানে হামলার পর যেভাবে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। শুক্রবার (১ জুলাই) দুপুরে হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, হোলি আর্টিজান বেকারির হামলা-পরবর্তী ছয় বছরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে এবং দেশের মানুষকে নিরাপদ করতে বাংলাদেশে যে ব্যবস্থাগুলো নেওয়া হয়েছে, সেজন্য আমি তাদের অভিনন্দন জানাতে চাই। এ সফলতার পুরো ভাগীদার বাংলাদেশ। তবে আমার ভালো লাগছে যে, এসবের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম দিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকতে পেরেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ নিয়ে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে জানানো হয়, ২০১৬ সালের ১ জুলাই হোলি আর্টিজান বেকারি হামলার ষষ্ঠ বার্ষিকী স্মরণে এবং এ মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ২০ জনের প্রতি সম্মান জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ জাপান, ইতালি ও ভারতের রাষ্ট্রদূতরা।

এতে আরও বলা হয়, আমরা স্মরণ করছি অবিন্তা কবীরকে, যিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিক এবং এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমরা আরও স্মরণ করছি বার্কলির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ঢাকাস্থ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী তারিশি জৈনকে, যিনি গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নশিপের জন্য ফিরে এসেছিলেন। গভীর শ্রদ্ধাভরে আমরা স্মরণ করছি, চূড়ান্ত ত্যাগ স্বীকারকারী দুই পুলিশ কর্মকর্তা ও আহত ২৫ কর্মকর্তার সাহসিকতাকে। গতকাল দুপুরে গুলশানে নিহত দুই পুলিশ সদস্যের স্মৃতিতে নির্মিত ভাস্কর্য ‘দীপ্ত শপথ’-এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস।

এ সময় আরও শ্রদ্ধা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কে দোরাইস্বামী, ডিএমপির পক্ষ থেকে কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, র‌্যাবের পক্ষ থেকে মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এসবি (বিশেষ শাখা) প্রধান মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ সদস্যরা।