৭ দিনে দেয়া হবে এক কোটির বেশি বুস্টার ডোজ

শনিবার থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে করোনা টিকার বুস্টার ডোজের সবচেয়ে বড় কর্মসূচি। সাত দিনে টিকা পাবেন এক কোটিরও বেশি মানুষ। কর্মসূচি চলবে ১০ জুন পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুস্টার ডোজ নেয়ার বয়স ছয় মাস থেকে কমিয়ে চার মাস করা হয়েছে। টিকা নিতে প্রয়োজন হবে না এসএমএস। দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার চার মাস পার হলেই মিলবে টিকা।

সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও দেয়া হবে টিকা। সারা দেশে কেন্দ্র থাকবে ১৬ হাজার। স্থায়ী কেন্দ্রে সাত দিন ও অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা দেয়া হবে দুই দিন। স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে জানিয়ে দেয়া হয়েছে টিকা দেয়ার সময়।

সারাদেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে করোনা টিকার বুস্টার ডোজ নিতে ভিড় করেছেন টিকা প্রত্যাশীরা।

সকাল নয়টা থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু হয়। প্রতি ওয়ার্ডে দুইটি করে বুথে তিনশ ডোজ দেয়া হচ্ছে। প্রথম দিনে ভীড় কম থাকায় স্বাচ্ছন্দে টিকা নিচ্ছেন টিকা প্রত্যাশিরা।

টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলায় ৩৮৪টি কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম চলছে। সপ্তাহব্যাপী বুস্টার ডেজের বিশেষ ক্যাম্পেইনের জেলার তিন লাখ ৪০ হাজার দুইশ জনকে দেয়া হবে টিকা।

এদিকে, প্রথম পর্যায়ে লক্ষ্মীপুরে পাঁচ লাখ ২৭ হাজার মানুষকে দেয়া হচ্ছে বুস্টার ডোজ। জেলার পাঁচ উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়নের ১৯৯টি কেন্দ্রে দেয়া হচ্ছে এ বুস্টার টিকা।

এছাড়াও, সিলেট, বরিশাল, বগুড়া, রাজশাহী, মেহেরপুরসহ দেশের সব জেলায় চলছে বুস্টার ডোজ প্রদান।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের মানুষকে করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়। ইতিমধ্যে ১২ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ বা মোট জনসংখ্যার ৭৬ শতাংশ প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ৭৭ লাখ মানুষ বা মোট জনসংখ্যার ৬৯ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ পর্যন্ত এক কোটি ৫৫ লাখ ৬১ হাজার মানুষকে করোনার টিকার তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশের নয় শতাংশ মানুষ বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশ প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে।

Views: 2