মার্চেই মেঘনার চরে জ্বলবে বৈদ্যুতিক বাতির আলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনার বুকে জেগে উঠা চর সোনারামপুরের বাসিন্দারা পাচ্ছেন বৈদ্যুতিক সংযোগ। মেঘনার তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ঘনবসতিপূর্ণ গ্রামটিতে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই চরের প্রতিটি অন্ধকার ঘরে জ্বলে উঠবে বৈদ্যুতিক বাতির আলো। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এই চরে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্যোগ নেয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে এখানে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ১১কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপনের কাজ শুরু করে। মেঘনার তলদেশের প্রায় ৮শ মিটার গভীর মাটির নিচ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপনের কাজ শেষ। মার্চেই চরে বৈদ্যুতিক বাতির আলো জ্বলে উঠবে।

আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক-দেড়শ বছর ধরে এই চরে মানুষের বসবাস। কিন্তু এবারেই প্রথম এই এলাকার মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

সাবমেরিন কেবল স্থাপনের কাজে দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান জানান, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই কাজ শেষ হবে।

ড্রিলটেক ইন্টারন্যাশনালের প্রযুক্তি বিভাগ প্রধান মো. শওকত আলী বলেন, আশা করছি, ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে আমরা এই কাজ শেষ হবে। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের মাধ্যমে দীর্ঘ ৫০বছর পর বিদ্যুৎবিহীন এলাকায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে।

মেঘনার তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে চরসোনারামপুরে ৫ থেকে ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসরবারাহ করা হবে। এই প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে সাড়ে ৭ কোটি টাকা।

Views: 2