বাজারে বেড়েছে মাছের সরবরাহ, কমেছে দাম

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে মাছের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কেজিপ্রতি মাছের দাম কমেছে ২০ থেকে ৪০ টাকা। ভোর থেকেই বেচাকেনায় জমজমাট সাভারের পলাশবাড়ি পাইকারি মাছের আড়ত। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাছ আসে এই আড়তে।

চলতি সপ্তাহে বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দামও কমেছে। প্রকারভেদে প্রতি কেজি মাছ ২০ থেকে ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।
নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশে পলাশবাড়ি পাইকারি মাছের আড়ত। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে চলছে মাছ বেচাকেনা। আড়তে পাওয়া যাচ্ছে ইলিশ, রুই, কাতলা, মৃগেলসহ নানা প্রজাতির দেশীয় ও সামুদ্রিক মাছ।

চলতি সপ্তাহে আড়তে মাছের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছের দাম কেজিপ্রতি কমেছে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতা কম থাকায় এবং মাছের সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কমেছে।

মাছ বিক্রেতারা বলছেন, মাছের সরবারহ বেশ ভালো। তবে সেই তুলনায় মাছের চাহিদা কিছুটা কম। এ জন্যই বাজারে মাছের দাম কিছুটা নিম্নমুখী।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়, কার্প মাছ কেজিপ্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, রুই ১৬০ থেকে ২৪০, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০, চিংড়ি ৪৫০ থেকে ৬৫০, টেংরা ৩০০, শিং ২৩০ থেকে ৩০০, মলা ১৫০, পুঁটি ৬০ থেকে ৮০, পাবদা ২৫০ থেকে ২৬০, গোলসা ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আশুলিয়ার পাইকারি এই মৎস্য আড়তে প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার বেশি মাছ বেচাকেনা হয়ে থাকে। এ আড়তটি ছাড়াও উপজেলায় ছোট-বড় আরও ৪ থেকে ৫টি আড়ত রয়েছে।