মাত্র ৪ ঘণ্টায় যাওয়া যাবে ঢাকা থেকে রংপুর!

করোনা মহামারিতে হোঁচট খেলেও এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে রংপুর-ঢাকা ফোর লেন মহাসড়কের নির্মাণকাজ। দেশের প্রথম ডিজিটাল এই মহাসড়ক নির্মাণের কর্মযজ্ঞ চলছে দিনরাত। ২০২৩ সালে এই মহাসড়ক চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলে অর্ধেক সময়ে, অর্থাৎ ৪ ঘণ্টায় রংপুর থেকে রাজধানী ঢাকায় যাতায়াত সম্ভব হবে।

আপাতদৃষ্টিতে কেবল উন্নত আধুনিক একটি মহাসড়ক মনে হলেও মূল উদ্দেশ্য হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি এবং এর মাধ্যমে সাসেক করিডোর, এশিয়ান করিডোর, বিমসটেক করিডোরে যুক্ত হওয়া। মহাসড়কটি তৈরি হচ্ছে সাউথ এশিয়া সাব-রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন নামের একটি প্রকল্পের অধীনে। মহাসড়ক ঘিরে গড়ে উঠছে বেসরকারি ইপিজেডসহ ছোট-বড় অসংখ্য শিল্প কলকারখানা।

যানজট ও দুর্ঘটনা কমার পাশাপাশি স্বল্প সময়ে পৌঁছানো যাবে উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকবে উড়ালসড়ক, আন্ডারপাস, ছোট-বড় সেতু ও কালভার্ট। ফলে গাড়ির ক্রসিং কম হবে, পাশাপাশি সার্ভিস রোড থাকার কারণে লোকাল গাড়িগুলো চলাচল করতে পারবে।

সাসেক রোড কানেকটিভিটি প্রজেক্ট-২-এর আবাসিক প্রকৌশলী অনুপ কুমার মণ্ডল বলেন, আমাদের টার্গেট আছে ২০২৩ সালের জুন মাসে আমরা এ প্রজেক্ট জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে পারব।

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল থেকে রংপুরের মডার্ন পর্যন্ত ১৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের শেষ অংশের কাজ চলছে দিন ও রাতে। যদিও কোভিড পরিস্থিতে পুরো দুই বছর ধুঁকেছে এই প্রকল্প।

সাসেক রোড কানেকটিভিটি প্রজেক্ট-২ এর প্রজেক্ট ম্যানেজার এএইচএম জাভেদ হোসেন তালুকদার জানান, আমাদের নির্ধারিত সময় ছিল ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত, তবে সেখান থেকে আমাদের আরও কিছু সময় বেশি লাগবে। তবে আমরা আশা করছি খুব দ্রুতই প্রজেক্টের কাজ শেষ হবে।

পুরো প্রকল্পকে নান্দনিক রূপ দেবে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জটি।