দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা যশোর

কেনাকাটা থেকে জমির পর্চা সবকিছুতেই প্রযুক্তির ছোঁয়া। বলা হচ্ছে দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা যশোরের কথা। এখন আর দাপ্তরিক কাজের জন্য দিনের পর দিন চক্কর খেতে হয় না সরকারি দপ্তরে। জেলা প্রশাসক বলছেন, সবকিছু অনলাইনে হওয়ায় দুর্নীতি কমেছে এখানে। তাছাড়া যশোরে নির্মিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে কর্মসংস্থান হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের।

দুই বছর আগেও যশোরের এজি অফিসে সরকারি চাকরি থেকে অবসরে যাওয়া ব্যক্তিদের পেনশনের টাকা পেতে দিনের পর দিন ধরনা দিতে হতো। ঘুষ ছাড়া কাজ না হওয়ার অভিযোগও ছিলো।

এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। সরকারি অফিসগুলোতে নেই সেবা প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন। জমির পর্চা, নামজারি, পার্সপোর্টের আবেদন ও ফি জমা দেয়া, অস্ত্রের লাইসেন্স, সাহায্য, বরাদ্দসহ সবকিছুই হচ্ছে অনলাইনে ই-সেবার মাধ্যমে। ফলে কোন দপ্তরে ফাইল আটকে থাকা বা হারিয়ে যাওয়ার কোন শঙ্কা নেই। জেলা প্রশাসক বলছেন, সবকিছু ডিজিটালাইজ হওয়ার ফলে সরকারি অফিসে কমেছে দুর্নীতি।

সরকারি দপ্তর ছাড়াও এখানকার মানুষের কর্মসংস্থানের অপার সুযোগ তৈরি করেছে যশোর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক। তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই তৈরি হচ্ছে নতুন উদ্যোক্তা। প্রযুক্তিকে পুঁজি করে দেশীয় ঐতিহ্যকে তারা তুলে ধরছে বিশ্ব দরবারে। একই সাথে নিজেরাই তৈরি করছে নিজেদের কর্মসংস্থান।

প্রযুক্তির কল্যাণে এখানকার তরুন উদ্যোগতারা দেশীয় ঐতিহ্যকে পৌছে দিচ্ছেন বিশ্ব দরবারে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে যশোর যদি রোল মডেল তবে এই জেলা ধরেই এগিয়ে যাবে অন্যান্য জেলা ডিজিটালাইজেশনের কাজ, এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

Views: 30