বিশ্বমানের রেল জংশন তৈরি হচ্ছে ফরিদপুরের ভাঙ্গায়

পদ্মা সেতুর দুই প্রান্ত ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৪৩ কিলোমিটার রেল অবকাঠামো নির্মাণ চূড়ান্ত পর্যায়ে। সেতুর দুই প্রান্তে ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত অংশে রেলের অগ্রগতি ৮১ শতাংশ।

কঠোর বিধিনিষেধেও চলছে রেললাইন স্থাপনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। ৬ দশমিক এক পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে ৫ দশমিক দুই পাঁচ কিলোমিটার রেল সংযোগ সেতুতে বসছে আধুনিক রেল ট্র্যাক।

পদ্মা সেতুর সড়কপথের সঙ্গেই রেলপথ সচল করতে কাজে এখন বিশেষ গতি। পাশাপাশি ভাঙায় বিশ্বমানের রেল জংশন তৈরির কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। স্থানীয়রা বলছেন, ভাঙ্গা এখন ভাঙ্গা নেই। পুরো চেহারা বদলে গেছে। দক্ষিণ অঞ্চলের লোক ট্রেনে চড়ে ঢাকা যেতে পারবে, পাশাপাশি রাজশাহীসহ আরও অনেক জায়গায় যাওয়া যাবে। এটি অনেক ভালো খবর।

পদ্মা সেতু রেল লিংক প্রকল্প ব্যবস্থাপক ব্রিগেডিয়ার আহমেদ জামিউল ইসলাম বলছেন, পদ্মা সেতুর সঙ্গেই এই অংশে রেল সচল করতে কাজ চলছে বিশেষ গতিতে। আর পদ্মা সেতু ঘিরে আধুনিক রেল নেটওয়ার্কের অন্যতম কেন্দ্র হচ্ছে ভাঙ্গা রেল জংশন।

তিনি আরও বলেন, কাজের মোটমুটি এখন একটা শেষপর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আমাদের স্টেশনের কাজটাও অনেক এগিয়ে নিয়ে এসেছি। স্টেশন বিল্ডিংয়ের কাজগুলো আমরা কিছুদিন পরেই শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি।

ঢাকা থেকে যশোর পযর্ন্ত ১৭২ কিলোমিটারের রাজধানী থেকে মাওয়াসহ বাকি অংশের রেললাইন সম্পন্ন হবে ২০২৪ সালের মধ্যে।