ভোলায় উচ্চফলনশীল ব্যাবিলন-২ ধানের বাম্পার ফলন

ভোলায় উচ্চ ফলনশীল ব্যাবিলন-২ জাতের ধানের ফলন ভালো হওয়া হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। প্রথমবারের মত আবাদ করেই সফলতা পেয়েছেন তারা।

রোগ ও পোকার আক্রমণ কম থাকায় এ জাতের ধান আবাদ করে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়ায় ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

ভোলায় বিস্তীর্ণ ফসলের খেতে এখন ব্যাবিলন-২ জাতের পাকা সোনালী ধানের সমারোহ। মাঠে মাঠে কৃষকরা ধান কাটা এবং মাড়াইয়ে ব্যস্ত। চারা রোপণের পর ১২৫ দিনের মধ্যে হেক্টর প্রতি প্রায় ১২ মেট্রিক টন ফলন পেয়েছেন শতাধিক কৃষক। প্রথমবারেই এ ধানের আবাদ করে ভাল ফলনে খুশি তারা। দেশীয় জাতের তুলনায় উচ্চফলনশীল ব্যাবিলন-২ ধানে খরচের তুলনায় বেশি ফলন হওয়ায় এ ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের।

কৃষকেরা জানান, লোকাল যে ধান চাষ করা হতো সেটা সবোর্চ্চ ৩ থেকে ৪ মণ ঘরে তোলা যেত। কিন্তু এই হাইব্রিড ধান চাষ করার ফলে ফলনও অনেক ভালো হচ্ছে। অন্যান্য ধানের চেয়ে এটা অনেক ভালো।

আউশ, আমন এবং বোরো মৌসুমেও এ ধানের আবাদ করা যায়। ব্যাবিলন এগ্রিসায়েন্স সহকারী ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ আবু তায়েব বলেন, ‘এটি চাষাবাদে খরচও কম, ফলনও অনেক বেশি। ভোলাতেই প্রথম এই ধানটি চাষাবাদ করাই। আশা করছি আগামীতে এর ফলন আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।’

ব্যাবিলন-২ ধান আবাদে কৃষকদের সব ধরনের সহায়তার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। জেলার তজুমদ্দিন উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বীরেন চন্দ্র দে বলেন, ‘কৃষক যেন আগামীতে এই ধানটি আবাদ করতে পারেন তার জন্য সবরকম সহযোগীতা আমরা দিয়ে যাব।’

এ বছর জেলার লালমোহন, তজুমদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমিতে ব্যাবিলন-২ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে।
তথ্যসূত্র: ডিবিসিনিউজ