জনসংখ্যা বৃদ্ধি ছাড়া সব সূচকে অগ্রগতি

গত এক দশকে দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ছাড়া আর্থ-সামাজিক খাতের সব সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গড় আয়ু বৃদ্ধি, দরিদ্র ও অতিদরিদ্র জনসংখ্যা হ্রাস, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি ও শিশুমৃত্যু কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে।

তবে এ সময় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট ইনডেস্ক থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে এ চিত্র উঠে এসেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ সব তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ২০০৯ সালে দেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৭ দশমিক ২ বছর, ২০১৮ সালের হিসাবে গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ দশমিক ৩ বছর বা ৭২ বছর ৩ মাস।

২০০৯ সালে দেশে দরিদ্র জনসংখ্যা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে কমে ২১ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০০৯ সালে সাক্ষরতার হার ছিল ৫৫ দশমিক ৫ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ২ শতাংশে। ২০১৮ সালে এক বছরের নিচে শিশুমৃত্যুর হার হচ্ছে প্রতি হাজারে জীবিত জন্ম নেয়া শিশুর মধ্যে ২২ জন। যা ২০০৯ সালে ছিল ৩৯ জন।

আর্থ-সামাজিক খাতের সব সূচকে সাফল্য থাকলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে তা নেই। গত দশকে দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেড়েছে। আগে প্রতিবছরে যে হারে জনসংখ্যা বাড়ত, এখন তার চেয়ে বেশি হারে বাড়ছে। ২০০৯ সালে ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ হারে জনসংখ্যা বেড়েছে। ২০১৭ সালে তা দশমিক ০১ শতাংশ বেড়েছে।