লক্ষ্মীপুরে বোরো আবাদ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি

বর্তমানে উন্নত ফলনশীল জাতের মধ্যে অধিকাংশ জমিতে উফশী জাতের ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। এছাড়াও হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। জেলার ৫ উপজেলা বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা  ছিল ২৫ হাজার ৩৪৬ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ২৮ হাজার ১০৫ হেক্টর।

কৃষক বোরো মৌসুমে গভীর, অগভীর, এলএলপি/পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও ডিজেল দিয়ে সেচ যন্ত্র ব্যবহার করে সঠিক সময়ে জমিনে পানি দেওয়া ও প্রয়োজনীয় সার ও কীটনাশক ব্যবহার করায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা আছে। লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্র জানায় জেলায় উপজেলাভিত্তিক বোরো ধান চাষের আবাদ হয়েছে সদর উপজেলায় মোট ১২ হাজার ৪৮০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে উফশী জাতের ১০ হাজার ২৩০ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের ২ হাজার ২৫০ হেক্টর। রায়পুর উপজেলায় ৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে উফশী জাতের ৫ হাজার ৮০ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের ১ হাজার ৬২০ হেক্টর। রামগঞ্জ উপজেলায় ৮ হাজার ৩০০ হেক্টর। এর মধ্যে উফশী জাতের ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের ৪ হাজার হেক্টর। রামগতি উপজেলায় ৩২০ হেক্টর জমিতে উফশী জাতের ১৩২ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের ১৮৮ হেক্টর। কমলনগর উপজেলায় ৩০৫ হেক্টর জমিতে উফশী জাতের ১৭৫ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের ১৩০ হেক্টর।

লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন খান জানান চলতি মৌসুমে বোরো চাষের জন্য কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার চাল উৎপাদন হবে ১ লাখ ১৬ হাজার টন।