উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণসহ বেশকিছু কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দুই হাজার ৪০ মোগাওয়াট এবং ২০৩০ সালের মধ্যে  সাত হাজার একশ’ মেগাওয়াট ক্ষমতায় উন্নীত হবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এক্ষেত্রে গ্যাস, কয়লা ও নবায়ণযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

১৯৮২ সালে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৭২৪ মোগাওয়াট বিদ্যুত যোগ হয় জাতীয় গ্রীডে। ২০১১ সালে যোগ হয় ৫৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরো একটি ইউনিট। পরবর্তী চার বছরে উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে দাঁড়ায় ১১০০ মেগাওয়াটে।

দুই বছর আগে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বাড়াতে মহা পরিকল্পনা হাতে নেয় সরকার। এর আওতায় ২০২০ সালে দুই হাজার ৪০ মেগাওয়াট ও ২০৩০ সালের মধ্যে সাত হাজার একশ’ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করতে সক্ষম হবে বিদ্যুত কেন্দ্রটি।

মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে জমি অধিগ্রহণ। এছাড়া, ১০০ মেগাওয়াট সোলার প্লান্ট নির্মানে জায়গাও ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ.এম.এম. সাজ্জাদুর রহমান।

প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে জ্বালানি হিসেবে গ্যাস, কয়লা ছাড়াও সৌর বিদ্যুৎ ও নবায়ন যোগ্য জ্বালানী ব্যবহার করা হবে। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে যোগ হয় একটি মডিউলার পাওয়ার প্লান্ট ও দুইটি কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট। আর এতে জাতীয় গ্রীডে যোগ হয় ৮৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত। বর্তমানে ১৩টি ইউনিটে জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হচ্ছে ১৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।