মাছ ব্যবসায় সাফল্য ও স্বচ্ছল টেকনাফের ভুলু

বিগত ১৬ বছর ধরে মাছের ব্যবসা করে সফলতা অর্জন করেছেন মোঃ আবুল কাশেম ওরফে ভুলু। সে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিন লেঙ্গুরবিল গ্রামের ছৈয়দ আহমদের পুত্র।
পান, সুপারি, লবন ও মাছের জন্য টেকনাফের ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। সেই মাছের ব্যবসা করে অনেকে পরিবারের হাল ধরেছে। তেমনি অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করে ধীরে ধীরে টেকনাফ-চট্টগ্রাম-ঢাকা পর্যন্ত মাছ ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন মোঃ আবুল কাশেম ওরফে ভুলু। এখন সে টেকনাফের নাম করা একজন মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে সর্বত্র পরিচিতি লাভ করেছে।
৩ মার্চ শনিবার মোঃ আবুল কাশেম ওরফে ভুলুর সাথে এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হলে সে জানায়, পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে মাত্র ১ লাখ টাকার পূঁজি নিয়ে মাছ ব্যবসায় নেমে পড়ি। বিভিন্ন ফিশিং ঘাটে গিয়ে জেলেদের কাছ থেকে মাছ সংগ্রহ করে কোল্ডস্টোরে রাখা হতো এবং তা ড্রামে করে চট্টগ্রামের বহদ্দার হাট, আমিরাবাদ, ইদগাহসহ বিভিন্ন স্থানে চালান করা হতো। এতে অল্প স্বল্প লাভের মুখ দেখা গেলে ধীরে ধীরে বৃহৎ মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত লাভ করে। এভাবে এখন চট্টগ্রামের বাইরে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, কাওরান বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাছ সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন সে মাছ ব্যবসা করে পরিবারে অনেক স্বচ্ছলতা এনেছে।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে দৈনিক আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মাছ টেকনাফ থেকে সরবরাহ করছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়। জেলেদের হাতেও লাখ লাখ টাকা দাদন (অগ্রীম) হিসেবে দিয়েছেন।
বর্তমানে টেকনাফের সর্বত্রই মাদকে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সেদিকে নজর না দিয়ে সৎ ও নিষ্টার সাথে মাছ ব্যবসায় সফল হয়েছেন মোঃ আবুল কাশেম ওরফে ভুলু। তার মতো সবাই এভাবে বিভিন্ন ব্যবসায় এগিয়ে আসলে টেকনাফকে মাদকের বদনাম থেকে মুছে দিতে পারবে এই আস্থা রাখেন সীমান্ত ও পর্যটন নগরী টেকনাফের সচেতনমহল।