করলা চাষে ফরিস’র সাফল্য

কুড়িগ্রামের চিলমারীর ফরিস করলা চাষে করেছে জয়। এই করলা চাষে ভাগ্য ফিরতে শুরু করেছে তার পরিবারের। দেখছে তারা এখন সুখের ঠিকানা। পরিবারের মাঝে ফিরে এনছে সুখে ছাড়া। কৃষি অফিস থেকে সুবিধা না পেলেও নিজের চেষ্টা আর পরিশ্রমে হয়ে উঠেছেন লাখোপতি।
করলার পাশাপাশি বিভিন্ন সবজি, চারা চাষ ও বিক্রি করে সাফল্য অর্জন করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন বেশ আগে থেকেই। মাত্র ৬৩ শতক জমিতে তিনি করলার পাশাপাশি সবজি ছাড়াও ধানের চারা তৈরিসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করেই আজ দুঃখে দিয়েছেন দুরে ঠেলে।
ফরিস সরকার কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ঠগেরহাট এলাকার মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে। ৫ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ৩য়। সংসারের কাজের চাপে তেমন লেখাপড়া করতে না পারায় এক সময় স্ত্রী সন্তানের মুখে দিকে চেয়ে অনেক কষ্টে গ্রামীন ব্যাংকে পিওনের চাকুরী নেন। বেশকিছু বছর চাকুরী করার পর এক সময় সেই চাকুরীটিও ছাড়তে হয়। চাকুরী ছেড়ে দেওয়ায় পর পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজ জমিতে শ্রম দিয়ে শুরু করেন করলাসহ বিভিন্ন সবজি চাষের। পাশাপাশি চারা তৈরি করে বিক্রি শুরু করেন। আর অতিদ্রুত দেখা পান সাফল্যের। ফুটে উঠে মুখের হাসি। সংস্যারে জ্বলে উঠে সুখের বাতি।
নিজে লেখাপড়া করতে না পারলেও ৪ মেয়েকে পিছিয়ে পড়তে দেন নি দিয়েছেন শিক্ষা। ইতি মধ্যে দুই মেয়ে বিয়ে দিলেও বাকি দু’জনকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চালিয়ে যাচ্ছে চেষ্টা।
ফরিস সরকার জানান, কষ্ট ছিল, ছিল দুঃখ আর অভাব ছিল পিচে আর আজ তা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি এটাই আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া।
তিনি আরো জানান, ৬৩ শতাংশ জমিতে প্রতি বছর করলায় ৩০/৪০ হাজার টাকা ছাড়াও বিভিন্ন সবজি ও ধানের চারা বিক্রি করে প্রায় দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা আমি ঘরে তুলতে পারতেছি এছাড়াও নিজের জমির সবজি খেতেই পারছি।
এক প্রশ্নের জবারে তিনি বলেন আমাদের আর কে সহযোগীতা করবে, এছাড়াও কৃষি অফিস থেকে কোন সুবিধাও পাই না তবে মাঝে মধ্যে এলাকার কিছু ব্যাক্তিরা এসে পরামর্শ দিয়ে যায়।