বই মেলায় ডিজিটাল পেমেন্ট

জমে উঠেছে বাংলা একাডেমির বইমেলা। প্রতিদিনই আসছে নতুন বই। বইপ্রেমীদের কেনাকাটা সহজ ও সাশ্রয়ী করতে মেলায় ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধাও রয়েছে। ক্যাশব্যাক ও ছাড় সুবিধা থাকায় মোবাইল পেমেন্ট সিস্টেম ও কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধে ক্রেতাদের লাভ হচ্ছে। যে কারণে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহার করেও কেনাকাটা হচ্ছে প্রচুর।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে, মোবাইল পেমেন্ট সিস্টেম বিকাশ এবং আই-পের মাধ্যমে বইয়ের মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে। কিছু স্টলে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও দাম দেওয়া যাচ্ছে। বিকাশ দিয়ে দাম পরিশোধে ক্রেতা ১০ শতাংশ ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন। মেলার ৩৫০ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে এ সুবিধা দিয়েছে বিকাশ। সম্প্রতি চালু হওয়া ডিজিটাল পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আই-পেও গ্রাহকদের ১৫ শতাংশ অর্থ ফেরত দিচ্ছে। ২৫ প্রকাশনী থেকে বই কেনায় এ সুবিধা দিচ্ছে আই-পে।

ক্রেতারা বলছেন, নগদ টাকার তুলনায় মোবাইল পেমেন্টে কম দামে কেনা যাচ্ছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা মোহসিন আহমেদ দুই মেয়েকে নিয়ে বইমেলায় এসেছিলেন গতকাল। তিনি বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে প্রায় ১৫০০ টাকার বই কিনে বিকাশে মূল্য পরিশোধ করেছেন। ক্যাশব্যাক পেয়েছেন ১৫০ টাকা। মোহসিন ক্যাশব্যাকের টাকা দিয়ে মেয়েকে একটা ছড়ার বই কিনে দিয়েছেন।

২০১৪ সালে প্রথমবার বিকাশ বইমেলায় যুক্ত হয় ডিজিটাল পেমেন্ট নিয়ে। এর পর প্রতিবছরই ধারাবাহিকভাবে ১০ শতাংশ ক্যাশব্যাক দিয়ে আসছে। বিকাশের দেওয়া তথ্যমতে, ২০১৫ সালে ৮৭০ জন গ্রাহক বিকাশের মাধ্যমে বই কেনেন। ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজারে। এবার মেলায় প্রথম সপ্তাহেই সাড়ে চার হাজারের বেশি গ্রাহক বিকাশের মাধ্যমে বই কিনেছেন। বিকাশের করপোরেট কমিউনিকেশনস বিভাগের প্রধান সামসুদ্দিন হায়দার ডালিম বলেন, গ্রাহকরা বিকাশের মাধ্যমে বই কিনলে বইয়ের গায়ে উল্লেখ করা দামের চেয়ে প্রকৃতপক্ষে ৩২ দশমিক ৫ ভাগ কম দামে কিনতে পারছেন। আই-পের গ্রাহক সেবা বিভাগের শিফট ইনচার্জ শরীফুল ইসলাম সমকালকে জানান, নতুন হলেও বইমেলায় তারা আশাপ্রদ সাড়া পেয়েছেন।