হাঁটলেই চোখে পড়ে বাহারি ফুল

পুষ্পশোভিত অপরূপ ক্যাম্পাসের নাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)। এ ক্যাম্পাসে হাঁটলেই চোখে পড়ে রঙ-বেরঙের বাহারি ফুল। সুগন্ধি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ফুলে খেলা করে লাল-নীল রঙের প্রজাপতি। ক্যাম্পাসের সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বর্ধনে চলছে প্রশাসনের নানা উদ্যোগ। মায়াবী এ বিদ্যাপীঠকে সবুজ পত্রপল্লব দিয়ে সারা বছর সাজিয়ে রাখে ফুল, ফল, ঔষধিসহ বিভিন্ন জাতের বাহারি সব গাছপালা। ভবনগুলোর সামনে লাগানো হয়েছে নয়নাভিরাম ফুলের বাগান। যা উঁচু ভবন থেকে দেখলে মনে হবে যেন এক টুকরো মাটিতে ফুলের গালিচা বিছানো হয়েছে। রোদের কিরণ ফুলের গায়ে পড়তেই চারদিকে তার আভা ছড়িয়ে পড়ছে। গাছের পাতার ভাঁজে ভাঁজে হেসে উঠছে সবুজ প্রকৃতির অপরূপ  সৌন্দর্য। ফুলের সুবাসে ক্লাসের ফাঁকে জমছে শিক্ষার্থীদের আড্ডা আর খুনসুটি। ভবনগুলোর সামনে লাগানো এসব বাগানে মুগ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা অতিথিরাও। ক্যাম্পাসে প্রজাপতির সঙ্গে যেন মেলা বসে ফুল প্রেমীদেরও। সকাল-বিকালে আড্ডা জমে ক্যাফেটেরিয়া, অ্যাকাডেমিক ভবন এবং প্রশাসনিক ভবনের এ বাগান ঘিরে। চলে ফটোসেশন ও সেলফি তোলার প্রতিযোগিতাও। ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন বলেন, লাল ইটের এ ক্যাম্পাসটিতে যোগ হওয়া ফুলের বাগান ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিচ্ছে বহুগুণে। ইতিহাস বিভাগের স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী সুলতান মাহমুদ বলেন, ২০১২ সালে যখন ভর্তি হই তখনো ক্যাম্পাস ছিল প্রায় গাছপালাশূন্য। ক্যাম্পাসের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়ে চলছে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এক সময় বৃক্ষরাজিতে ভরপুর হবে এ ক্যাম্পাস। তখন আমরা আর থাকব না। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক তাবিউর রহমান বলেন, দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগানসহ সব দিক থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে আছে। দিন যতই যাবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য ততই বাড়বে। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়কে  আরও দৃষ্টি নন্দন করার জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।