ওষুধ খাতের উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের অবদান

ওষুধশিল্প ও ফার্মাসিস্টদের জন্য নতুন বছর ২০১৮-এর শুরুটা শুভ হয়েছে বলা যায়। নতুন বছরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালকে ‘ওষুধবর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ইতোপূর্বে তিনি ২০১৭ সালকে ‘চামড়াবর্ষ’ ও ২০১৬ সালকে ‘পর্যটনবর্ষ’ বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন দেশের চামড়াশিল্প উন্নত হোক, পর্যটনখাতে পর্যটক সমাগম আরও বাড়ুক। দেশে যে বিপুল পরিমাণ কাঁচা চামড়া উৎপন্ন হয় সেগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে উন্নত চামড়া এবং চামড়াজাত বিভিন্ন পণ্য মানসম্পন্নভাবে উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে এগুলোর রফতানি অনেকগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়াজাত পণ্যের অনেক দাম। এগুলো এখনকার চাইতে বেশি গুণ রফতানি করতে পারলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। তাছাড়া দেশীয় ক্রেতারাও তুলনামূলক কম দামে আসল চামড়াজাত পণ্য কিনে ব্যবহার করতে পারতেন, কৃত্রিম চামড়াজাত পণ্য আমদানি করতে হতো না। এজন্য সরকার বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করেছিল, রফতানির জন্য ১৫% ক্যাশ ইনসেনটিভও দিয়েছিল। কিন্তু সরকারের প্রত্যাশা অনুযায়ী চামড়াশিল্প উন্নতি করতে পারেনি।

২০১৬ সালকে ‘পর্যটনবর্ষ’ ঘোষণারও উদ্দেশ্য ছিল পর্যটকদেরকে আকৃষ্ট করার জন্য এখাতের প্রভূত উন্নয়ন ঘটিয়ে বিশেষ করে বিদেশী পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ানো। পর্যটনখাত বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য ও সম্প্রসারণশীল খাত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেটিরও প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নতি হয়নি।

এবার ২০১৮ ওষুধবর্ষ হলো। ওষুধখাত গার্মেন্টস রফতানির পরেই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা আহরণকারী খাত এবং এ খাতের সম্ভাবনাও অনেক। প্রধানমন্ত্রী ওষুধবর্ষ ঘোষণা প্রদানকালে এ কারণেই এ খাতকে নিয়ে তাঁর প্রত্যাশার কথাও বলেছেন। এ প্রত্যাশার যৌক্তিক কারণও রয়েছে।

এ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে কৃষি, শিক্ষা, যোগাযোগ, নারী অধিকার, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ইত্যাদি খাতে সরকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছে। এর সামষ্টিক ফল হিসেবে দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমানের সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। ২০০৫-০৬ সালকে ভিত্তি ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, তখনকার প্রবৃদ্ধির তুলনায় এই সরকারের আমলে প্রবৃদ্ধি প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৭.২৮ শতাংশ। বার্ষিক বাজেটের আকার বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৬ গুণ। বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ লাখ ৩২ হাজার জনের। দেশের মধ্যকার কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় সোয়া ১ কোটি বেকার মানুষের, এরকম বিপুল কর্মসংস্থান অতীতে আর কখনোই হয়নি। গত বছর বাংলাদেশ থেকে চাকরি নিয়ে বিদেশে গেছে ১০ লাখ ৮ হাজার ৫২৫ জন, যা দেশের ইতিহাসে একটি রেকর্ড। বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩ গুণ বেড়েছে। রফতানি আয় বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৩ গুণ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৯ গুণ। তখন দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪০ শতাংশ, বর্তমানে তা কমে হয়েছে ২২.৩ শতাংশ, রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন হলে যা কমে ১৫ শতাংশে নেমে আসবে। এ রকম আরও বহু তথ্য-উপাত্ত দেওয়া যাবে। বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে তা শহরে ও গ্রামে মানুষের পোশাক, ঘরবাড়ি ও জীবনমানের দিকে তাকালে সহজেই চোখে পড়ে।

২০০৫-০৬ সালের সঙ্গে তুলনা করে স্বাস্থ্যখাতের হিসাব করলে দেখা যায়, শিশুমৃত্যুর হার তখন প্রতি হাজারে ছিল ৫৬ জন, এখন তা ২৮ জন। ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার তখন ছিল ৮২ জন, এখন ৩৫ জন। মাতৃমৃত্যুর হার তখন ছিল প্রতি লাখে ৪০০ জন, এখন তা ১৭৮ জন। নারীপ্রতি সন্তান জন্মদানের হার তখন ছিল ৩.৮, এখন যা কমে গড়ে ২.১। মানুষের গড় আয়ু তখন ছিল ৬৬.৫ বছর, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৭১.৬ বছর। স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সারাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার যে হাজার হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছিল, তার সবই তখন রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল, গত ৮ বছরে শেখ হাসিনার সরকার সারা দেশে প্রতিষ্ঠা করেছে ১৬,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সরকার এসব কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে ৩২টি ওষুধ রোগীদেরকে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, সারাদেশের সরকারী হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে ওষুধ প্রদানের বাজেট এবং রোগীদের খাবার সরবরাহের বাজেট উভয়ই প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। তাছাড়া অতি দরিদ্র মানুষদের নিশ্চিত স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার জন্য সারাদেশে ১ লাখ পরিবারের মধ্যে ‘স্বাস্থ্য কার্ড’ বিতরণ করার প্রস্তুতি চলছে। এই কার্ডের মাধ্যমে তারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়া ছাড়াও এতে রোগ ও চিকিৎসার ইতিহাস লিপিবদ্ধ থাকবে বলে চিকিৎসক কর্তৃক তাদের সেবা প্রদান সহজ হবে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যাতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব গরিব মানুষদের এই কার্ডের আওতায় আনা হয়। দেশে একের পর এক নতুন নতুন হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করা হচ্ছে। গ্রাম এলাকার প্রত্যন্ত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডিজিটাল প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শহরের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতামত নেয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাছাড়া মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সারাদেশে জরুরী চিকিৎসা-মতামত প্রদান সেবা চালু করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে দেশের সার্বিক অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা খাতও ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে। বলা যেতে পারে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, ৮ বছর আগে যা ছিল অকল্পনীয়।

স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচীর মধ্যে ওষুধখাতও অন্তর্ভুক্ত। ভাল মানের পর্যাপ্ত ওষুধ সহজলভ্য না হলে এই স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচী চলবে না। দেশের অর্থনীতি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ওষুধখাতকেও আমরা ওষুধশিল্প ও ফার্মাসিস্টরা এগিয়ে নিয়ে চলেছি। ইতোমধ্যে এই খাতে কিছু চমৎকার সাফল্যও আমরা দেখাতে পেরেছি।

পৃথিবীতে আর কোন দেশ ওষুধখাতে যে এই সাফল্যটি অর্জন করতে পারেনি, আমরা যা পেরেছি। আমরা এখন দেশের বার্ষিক চাহিদার ৯৮% ওষুধ নিজের দেশে তৈরি করছি। কোন উন্নত দেশও এটি পারেনি। আমরা এখন উচ্চ প্রযুক্তিসহ সব ধরনের ডোজেস ফর্মের ওষুধ অর্থাৎ ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সিরাপ, ইমালশন, সাসপেনশন, ক্রিম, এরোসল, ইনহেলার, ইনজেকশন উৎপাদন করতে পারি। বাংলাদেশে এখন বছরে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি হয়। এই বিপুল পরিমাণ ওষুধ যদি দেশে তৈরি করা না যেত তাহলে এগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। শুধু তাই নয়, গত বছর শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশ থেকে ১৪৫টি দেশে মোট ৩,১৯৬ কোটি টাকার ওষুধ রফতানি করেছে। দেশের অর্থনীতির উন্নতির ক্রমধারায় ওষুধের মান সঠিক থাকলে এবং চাহিদামতো সঠিকভাবে যোগান দিতে পারলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ওষুধের বিক্রি ও রফতানি আয় উভয়ই ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে। ওষুধ রফতানির পরিমাণের ক্ষেত্রে এ বছর এই বৃদ্ধির হার ৭০% ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদি তাই হয় তাহলে ‘রূপকল্প ২০২১’ এর বছরে পৌঁছানোর আগেই আমাদের ওষুধ রফতানির পরিমাণ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

যে ওষুধগুলো আমরা এখন উৎপাদন করছি সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সব ধরনের সাধারণ ওষুধ, পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন গ্রুপেরসহ সব ধরনের এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েডসহ বেশ কিছু হরমোন, সব জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী, কার্ডিয়াক সমস্যার প্রায় সব ওষুধ, ইনসুলিনসহ প্রায় সব এন্টিডায়াবেটিক, অনেক এন্টিক্যান্সার ওষুধ ইত্যাদি। উন্নত বিশ্বের যেসব ওষুধের পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে সেগুলোর প্রায় সবই আমরা তৈরি করছি। সেখানে আরও বেশ কিছু বিখ্যাত ওষুধের পেটেন্টের মেয়াদ খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে। সেগুলো এখানে উৎপাদনের জন্যও আমরা তৈরি।

ওষুধের পেটেন্টের বিষয়ে বলতে গেলে প্রথমেই আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে হয়। এ বিষয়ে আগেও অনেকবার সবিস্তারে লিখেছি যে, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে পুনর্গঠনের দুরূহ কাজে নিয়োজিত তখন আমাদের বার্ষিক চাহিদার ৮০% এরও বেশি পরিমাণ ওষুধ বিদেশ থেকে আনতে হতো। এর ফলে প্রয়োজন হতো প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। তখনকার প্রেক্ষিতে বৈদেশিক মুদ্রা ছিল অত্যন্ত মহার্ঘ্য। তাছাড়া আমদানি করা ওষুধগুলোর দামও পড়তো অনেক বেশি, যা গরিব মানুষদের জন্য ছিল কষ্টকর। বঙ্গবন্ধু সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি ওষুধের পেটেন্ট মানবেন না। এটি ছিল অত্যন্ত দুঃসাহসী এক সিদ্ধান্ত। কারণ, তখন পর্যন্ত তৃতীয় বিশ্বের দূরে থাক, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বেরও কোন দেশ বাঘা বাঘা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গরিব মানুষের স্বার্থরক্ষা করতে এগিয়ে আসার সাহস পায়নি। বহু জাতিকদের নিষ্ঠুর বাণিজ্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পুরো তৃতীয় বিশ্বের মধ্যে একমাত্র বঙ্গবন্ধুই বলিষ্ঠ কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন যে, বাংলাদেশ ওষুধের পেটেন্ট মানবে না, কারণ পেটেন্ট মানলে এ দেশের গরিব মানুষগুলো ওষুধ কিনতে পারবে না। অনেকেই সাবধান করেছিলেন যে এটি করা উচিত হবে না, কারণ তাহলে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা হয়ে যাবে। কিন্তু তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। বহুজাতিকরাও মামলা করার সাহস করেনি। তাঁর এই সাহসী সিদ্ধান্তের কারণে দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো পেটেন্টেড ওষুধ জেনেরিক নামে উৎপাদন করতে শুরু করে এবং ওষুধের দাম কমে আসে। আজকে এদেশে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ স্বল্পমূল্যে পাওয়ার পেছনে বঙ্গবন্ধুর এই অবদানটি আমাদের মনে রাখতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রিপস্ চুক্তির পেটেন্ট ছাড়ের সীমা ২০১৫ সাল থেকে বাড়িয়ে ২০৩২ সাল পর্যন্ত করতে সক্ষম হয়েছে, যার সুফলগুলো আমরা পাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও উত্তরোত্তর বর্ধিত হারে পেতে থাকব।

ওষুধ খাতে বর্তমান সরকারের আরেকটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য অবদান হলো ২০১৬ সালে ঘোষিত বাংলাদেশের তৃতীয় জাতীয় ওষুধনীতি। এতে বাংলাদেশে বিশ্বমানের ওষুধ তৈরি অব্যাহত রাখা, দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে আরও বেশি ওষুধ রফতানিতে সহযোগিতা করা, নকল ভেজাল নিম্নমান ও চোরচালানকৃত ওষুধ বন্ধ করা, এসব ওষুধ ব্যবহার করে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে কোম্পানি কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা রাখা, ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ওষুধ বিক্রি বন্ধ করা, ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে মডেল ফার্মেসি চালু করা, ভেজাল ওষুধের উৎপাদন বন্ধে খোলাবাজারে ওষুধের কাঁচামাল কেনাবেচা নিষিদ্ধ করা, মেডিক্যাল ডিভাইস (হার্ট ভাল্ব, পেসমেকার, রিং, চোখের লেন্স) ও সার্জিক্যাল ইন্সট্রুমেন্টস্গুলো নিবন্ধনের মাধ্যমে দাম কমানোর ব্যবস্থা করা, ঔষধি গুণসম্পন্ন খাবার ও প্রসাধন সামগ্রীকে মান নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা, ওষুধ কোম্পানি কর্তৃক পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে সব ওষুধ কারখানাতে বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) স্থাপন বাধ্যতামূলক করা ইত্যাদি বিষয়গুলো সন্নিবেশ করা হয়েছে। এসব কারণে ওষুধ শিল্প যেমন উন্নত হবে, তেমনি জনগণ উত্তরোত্তর উপকার পাবে এবং দেশের অর্থনীতিও আরও সমৃদ্ধ হবে।