এজেন্ট ব্যাংকিং গ্রাহক ১০ লাখ ছাড়াল

ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য চালু হওয়া এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের দ্রুত প্রসার হচ্ছে। লেনদেনের পাশাপাশি বাড়ছে গ্রাহক সংখ্যা। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৩৮ হাজার ২৪২ জন। তিন মাস আগে জুন শেষে যা ছিল ৮ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৫ জন।

সেপ্টেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২২ কোটি টাকা। এর মধ্যে গ্রামের মানুষের জমার পরিমাণ ছিল ৭৮৩ কোটি টাকা। আর ৯৯ কোটি টাকা রয়েছে শহরাঞ্চলের মানুষের।

ব্যাংকগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জমা রয়েছে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের। ব্যাংকটির হিসাবে জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩১৫ কোটি টাকা। এর পরের অবস্থানে থাকা ব্যাংক এশিয়ার স্থিতির পরিমাণ ১৮৫ কোটি টাকা। তিন মাস আগে এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে মোট জমা ছিল ৬৫১ কোটি টাকা।

আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিতদের সেবা দিতে ২০১৭ সালে এ সেবা চালু করা হয়। গ্রামাঞ্চলের মানুষকে সেবা দেওয়ায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মূল লক্ষ্য। ব্যাংকের শাখা নেই এসব এলাকায় নিজস্ব বিক্রয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে এমন ব্যক্তি ব্যাংকের এজেন্ট হতে পারেন। কোনো ধরনের বাড়তি চার্জ ছাড়া এ সেবা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

এ ছাড়া কোনোভাবেই গ্রাহক যেন প্রতারিত না হন সে জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি নিয়োগের আগে অবশ্যই তার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, বিশ্বস্ততা ও সততার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথমে শুধু পল্লী এলাকায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন দেওয়া হলেও পরে পৌর ও শহর অঞ্চলেও এজেন্ট ব্যাংকিং করার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।