খননে প্রাণ ফিরেছে কুমার নদের

গোপালগঞ্জে ২৮ কিঃমিঃ খননে প্রাণ ফিরেছে কুমার নদের। এখানে এখন প্রচুর পানির প্রবাহ। এ নদে ফিরে পেতে শুরু করেছে জীব-বৈচিত্র্য। কৃষি, ঘর-গৃহস্থালিসহ অন্যান্য সব কাজে এ নদের পানি ব্যবহার করে ২০ গ্রামের অন্তত এক লাখ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। মত্স্যজীবীরা মাছ শিকারের সুযোগ পেয়েছেন। তারা অনেকে আবার পেশায় ফিরেছেন। নৌযানে এলাকাবাসী সহজে কম খরচে পণ্য পরিবহণের সুযোগ পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন। গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ১৬ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে মুকসুদপুর উপজেলার বলুগ্রাম থেকে বাটিকামারী গ্রাম পর্যন্ত কুমার নদের ২৮ কিঃমিঃ খনন করা হয়েছে। বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ৩০ জুন এ প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।
মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস মোল্লা বলেন, কুমার নদের পানি প্রবাহ ছিলো না। নদের বুকেই চাষাবাদ হয়েছে। বর্ষাকালেও এ নদে পানি থাকতো না। পানির অভাবে এলাকার মানুষ অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট ভোগ করতো। নদ খননের ফলে এখানে প্রচুর পানি প্রবাহ দেখা দিয়েছে। আমরা এখন সেচসহ কৃষিকাজের সুযোগ পাচ্ছি। শাক, সবজিসহ অধিক কৃষি ফসল উত্পাদন করে লাভবান হচ্ছি। গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সফিউদ্দিন বলেন, মুকসুদপুরে বিশাল জনগোষ্ঠীর পানির চাহিদা মোচন করতে কুমার নদ খননের উদ্যোগ নেয়া হয়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ওই নদ খনন করা হয়েছে। এতে কৃষিকাজ, সেচ, গৃহস্থালি, পাট জাগ দেয়া, মত্স্য শিকার, পণ্য পরিবহণ ও পানি সংকট দূর হয়েছে।