কাস্তে হাতে ধান কাটলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী

কাস্তে হাতে নিয়ে নিজেই ধান কাটলেন সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী ও নীলফামারী-২ (সদর) আসনের এমপি আসাদুজ্জামান নূর। গত মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের কানিয়াল খাতা গ্রামের চৌধুরীপাড়ায় ধান কেটে তিনি আগাম জাতের আমন কর্তন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর আয়োজিত ‘আগাম জাতের আমন কর্তন’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, জমিকে ব্যবহার করে কাজে লাগাতে হবে। একই জমিতে কয়েকটি ফসল ফলানো যাচ্ছে এটা সরকারের সফলতা।
তিনি বলেন, হাত্তিক ঠেলা যায় কিন্তু কার্তিক ঠেলা যায় না- প্রবাদ এখন আর শোনা যায় না। মঙ্গা অভিধানে (ডিকশনারি) স্থান পেয়েছে। সেটা করতে পেরেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষতার কারণে।
অধিদফতরের উপপরিচালক গোলাম মোহাম্মদ ইদ্রিসের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম, নীলফামারী পৌরসভা মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, দিনাজপুরের এসপি জাকির হোসেন খান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া আবীদ, কৃষক সনু বর্ধণ প্রমুখ। এদিকে আগাম জাতের আমন প্রসঙ্গে ইটাখোলা ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুন উর রশিদ জানান, ৪শ’ কৃষক ১শ’ হেক্টরে আগাম জাতের রোপা আমন করেছেন। ১১৪ দিনের মাথায় গতকাল বুধবার কাটা হলো এ ধান।
আমনের পর আলু বা সবজি, গম এবং পাট লাগাতে পারবেন একই জমিতে। তিনি বলেন, বছরে চারটি ফসল ফলানো সম্ভব আগাম জাতের ধান করে।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আগাম জাতের ধান হীরা-২১ এর চারা গত ২৭ জুন লাগানো শুরু হয় জেলাতে। ২২ দিনের লাগানো চারা ১১৪ দিনের মাথায় কর্তন করা যায়।