প্রত্যেক উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা পল্লী করা হবে

মুক্তিযুক্ত বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে। প্রত্যেক উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা পল্লী করা হবে। আগামী তিনমাসের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের ভাতা পৌঁছে দেওয়া হবে । সনদ প্রত্যায়ন, গেজেট ও অন্যান্য বিষয়ের জন্য কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে আর মন্ত্রণালয়ে যেতে হবে না। সকল তথ্য ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ উপজেলা থেকেই এসব সুবিধা ভোগ করতে পারবেন মুক্তিযোদ্ধারা। গতকাল বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের সরকার। দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দারিদ্র বিমোচনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে রোল মডেল। তাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে মুক্তিযোদ্ধাদের আরেকবার গর্জে উঠতে হবে। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া নির্বাচন বানচাল করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা সেনাবাহিনীর কাঁধে ভর করে পেছনের দরজা থেকে ক্ষমতায় এসেছিল। এখন আবার সেই ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এজন্য দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন মিলনায়তনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস, পুলিশ সুপার পংকজ কুমার রায় ও শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামালউদ্দিন আকন, মুক্তিযোদ্ধা কামান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার এম এ খালেক খান ও ডেপুটি কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিন বাদশা। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান