২০৩০ সালের আগেই দেশ বাল্যবিয়ে মুক্ত হবে’

বাল্যবিয়ে বন্ধে সরকারের শক্তিশালী অবস্থান ও কার্যক্রমের কারণে দেশে বাল্যবিয়ে কমে আসছে। ২০১৫ সালের বিআইডিএস এর জরিপ অনুযায়ী ১৫ বছরের নিচে বিয়ের শতকরা হার ছিল ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৭ সালে বিআইডিএস জরিপ অনুযায়ী তা কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। তিনি বলেন, বাল্যবিয়ের মূল কারণ হল দরিদ্রতা। দরিদ্রতা নির্মূলে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানান মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ এবং ইউএনএফপিএ আয়োজিত ‘বাল্য বিবাহ নিরোধ কল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৭-২০৩০ চূড়ান্তকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের জেন্ডার স্পেশালিস্ট রশনী বসু, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রিপ্রিজেনটেটিভ সারাহ বোরডাস ইডি, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের রিপ্রিজেনটেটিভ আইওরী কাতো প্রমুখ। বাল্য বিবাহ নিরোধ কল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাল্য বিবাহ নিরোধ কার্যক্রমের ফোকাল পারসন ড. আবুল হোসেন।

ড. আবুল হোসেন তার উপস্থপনায় বলেন, বিবিএস ২০১৫ সালের জরিপ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে বিয়ের শতকরা হার ছিল ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ। কিন্তু বিআইডিএস ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৭ শতাংশে। এই জরিপ অনুযায়ী বাল্য বিবাহের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়।