এখন সেরা মানের ডেনিম তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে

চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জিত নাও হতে পারে বলে সংশয় প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, এ বছর পণ্য রপ্তানি করে ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, বর্তমানে তা অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা পর্যন্ত আয় হওয়ার প্রত্যাশা করেন তিনি। গতকাল বুধবার দুই দিনের বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপো-২০১৭ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীতে অন্যদের মধ্যে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও এইচএসবিসি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্রানকয়েস ডি ম্যারিকট, মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক, বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের (এসএএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল প্রমুখ। এদিকে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তারা জানান, বাংলাদেশি পণ্যের বিশ্ববাজারে সস্তা দরের যে প্রবাদ ছিল তা থেকে দেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। তাঁরা বলেন, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম এমন ডেনিম কাপড় তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হা-মীম ডেনিম লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মঞ্জুর এইচ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দুই-তিন বছর আগেও বিদেশি পোশাক কম্পানিগুলো কম দামের ডেনিম খুঁজতে এ দেশে আসত, বলতে দ্বিধা নেই, আমাদের পণ্যের মানও তুলনামূলক খারাপ ছিল, এখন পরিস্থিতি অনেক পাল্টেছে। আমরা দেশেই এখন সেরা মানের ডেনিম তৈরি করছি। ’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ইপিজেড-এ ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার নিয়েও সরকার ইপিজেড আইন সংশোধনের কথা ভাবছে। এর পরও চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার পুরোটা অর্জিত হবে কি না সে বিষয়ে তিনি এমন সংশয় প্রকাশ করেন। চীন, ব্রাজিল, জার্মানি, হংকং, ভারত, জাপান, পাকিস্তান, ইতালি, স্পেন ও তুরস্কের অংশগ্রহণে ষষ্ঠবারের মতো বসা ডেনিম এক্সপোর এবারের আসর আজ শেষ হবে।