তিস্তায় তরমুজ চাষে হাসি ফুটছে কৃষকের মুখে

তিস্তার চরে তরমুজ ক্ষেত _যাযাদিলালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় মরা তিস্তায় তরমুজ চাষ করে হাসি ফুটছে কৃষকের মুখে। কৃষক পরিবারেও ফিরে এসেছে সচ্ছলতা। সর্বোপরি কৃষি বিভাগের নজরদারি আর সরকারের সহযোগিতা পেলে তিস্তার পাড়ের মানুষ অভাব অনাটন থেকে মুক্তি পাবে।
তিস্তার ভাঙ্গা গড়ার খেলায় সর্বশান্ত নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। বন্যার সময় থৈ থৈ পানি আর শুকনো মৌসুমে পানির বদলে বিস্তীর্ণ এলাকায় থাকে ধু-ধু বালু আর বালু। ঠিক এই বালু চরেই সোনা ফলাচ্ছেন তিস্তার কোলে বসবাসরত মানুষগুলো। ধান পাটসহ অন্যান্য ফসল না ফললেও এবার দারুণ ফলন হয়েছে তরমুজের। কৃষকরা বলছেন, দাম ভালো পেলে তিস্তা ভাঙন ও বন্যার ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবেন তারা।
কৃষকরা জানান, কম পরিশ্রম আর অল্প খরচেই বেশি লাভবান হওয়া যায় এই ফসলে। তাই ধীরে ধীরে তরমুজ চাষে ঝুঁকে পড়ছেন তারা। কিন্তু কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে আর লাভবান হবে এই প্রান্তিক চাষিরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ
দেয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুমে হাতীবান্ধা উপজেলায় তিন হাজার হেক্টোর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।