বেশি উন্নয়ন কম রাজনীতিরএকটি বছর

৫ জানুয়ারি ২০১৪’র নির্বাচনের তিন বছর পূর্ণ হলো বর্তমান সরকারের। বাংলাদেশের রাজনীতির পশ্চাত্পদতা হলো এদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে যতটুকু অগ্রসর হয়েছে আমাদের রাজনীতিটি ততটা পারেনি। এরফলে গণতন্ত্র চর্চার ক্ষেত্রে যে সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোগুলো তৈরি হওয়া দরকার ছিল তা গড়ে ওঠেনি। যেমন- নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন পদ্ধতি। আমরা পাঁচ বছর অন্তর অন্তর নির্বাচন এলে এডহক ভিত্তিতে কতগুলো সমাধান বের করে নিয়ে আসি। ১৯৯৬ সালে তিন বছরের জন্য এডহক ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। পরে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট ব্যবস্থাটিকে ভ্রান্ত হিসেবে গণ্য করেছেন। সেক্ষেত্রে মূল জায়গাটি হলো নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে সন্দেহ দূর করা, অবাধ নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কে অভিযোগ বা শঙ্কা না থাকা। সেটা নিয়ে একটা সংলাপ বা আলোচনা হতে পারতো। কিন্তু সমস্যা হলো একটি দল যখন আন্দোলন করে- বিশেষ করে বিএনপি-জামায়াতসহ (বিশ দল) মাঠে নামে। তবে বিশ দলের অনেক সংগঠনই নামসর্বস্ব বা ব্যক্তিসর্বস্ব। তারা হাইকোর্টের রায়ে বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির দাবি নিয়ে হাজির হয়। এটা নিয়ে ২০১৩ সালের পুরো বছরটা দেশজুড়ে অপতত্পরতা চালিয়ে অচল করে রেখেছিল। সে সময় তারা আন্দোলনের নামে বিভিন্ন নিপীড়ন-নির্যাতন চালায়। তবে নাশকতা করেও আন্দোলনে সাফল্য আসেনি। বরং তা ভেস্তে গেছে। তখন প্রচুর প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ আর সহিংসতায় এদেশ হয়ে উঠেছিল ভয়ঙ্কর। তাদের সেই আন্দোলনে মানুষের কোনো সমর্থন তখনো ছিল না, এখনো নেই। দলীয় ভিত্তিতে কিছু মানুষের সমর্থন থাকলেও সাধারণ মানুষ পরিত্রাণ খুঁজছিল। আন্দোলনের নামে অরাজকতার অবসান হয় নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। ২০১৩ সাল জুড়ে যে অবস্থা ছিল তা থেকে আমাদের উত্তরণ ঘটে। মূলত মানুষের জীবনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা এসেছে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর। এই নির্বাচনের আগে-পরে এমন কোনো নাশকতার ঘটনা নেই যার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তারা মানুষকে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মেরেছে, পথচারীকে আক্রমণ করেছে, নির্বাচনের আগে বিভীষিকাময় সেই সময় মানুষ এখনো ভুলতে পারেনি। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর আমরা অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। দৃশ্যমান বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে। আগে কেবল বড় বড় প্রকল্পের কথা কাগজে-ফাইলে থাকতো, এখন ফোর লেন রাস্তা, পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র, ফ্লাইওভার, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবে মানুষ দেখতে পাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতায় উন্নয়নের চাকা সচল রয়েছে। এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে অনেকেই মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়ার কথা বলেন। অথচ ষাটের দশকে এসব দেশের শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশে পড়তে আসতো। এখন তারা আমাদের ছেড়ে এগিয়ে গেছে। এখন আমরা যাচ্ছি তাদের দেশে। মালয়েশিয়ার কথা বললে প্রথমেই বলতে হয় সেখানকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথের মোহাম্মদ অতি-রাজনীতি বন্ধ করে উন্নয়নের চাকাকে গতিশীল করেছিলেন। কম-রাজনীতি বেশি উন্নয়ন এই দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর একই নীতি অর্থাত্ কম-রাজনীতি বেশি উন্নয়ন নীতিকে গ্রহণ করেছিল। আমাদের দেশে ওইসব দেশের মতো উন্নয়ন ভালভাবে চলতে দিতে হবে। তবে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারাকে বিসর্জন না দিয়ে অহিংস রাজনীতি চর্চাকে উত্সাহী করতে হবে। আর পরিশীলিত গণতান্ত্রিক ধারা প্রবর্তন করা গেলে উন্নয়নের ধারাও বেগবান হবে। এদেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকার কাজ করছে। তার জন্য কম-রাজনীতি করতে হবে; অর্থনৈতিক কর্মসূচি নির্বিঘ্নে চলতে দিতে হবে। গণতান্ত্রিক অধিকার বলে সহিংস রাজনীতি করা চলবে না। সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াকে অনুসরণ করা যেতে পারে। হরতাল-জ্বালাও-পোড়াও এগুলো বেশি রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। এগুলোর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ। স্বাভাবিক রাজনীতি হলো জনমত গঠন, জনগণের পক্ষে র্যালি ও মানববন্ধন করা। যদিও এগুলো সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার মতো অনেক জায়গায় নিয়ন্ত্রিত। আমাদের দেশে এগুলো প্রচলিত হলে ভাল ফল দিতে পারে। রাজনৈতিক সমাবেশের নামে রাস্তাঘাট অবরোধ করার পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জনসভার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া যেতে পারে। সেখানে শুক্র-শনিবার দু’দিন দু’বেলায় বড় চারটি দলের জনসভা প্রতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে। রাজনৈতিক মতপ্রকাশের একটি স্থায়ী জায়গা এভাবে তৈরি করা যায়। ঢাকা শহরের অন্যান্য কার্যদিবসে জনসমাবেশ হলে যে ভোগান্তি হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। যানজট হলেও তা সহনীয় থাকবে। সপ্তাহে একাধিক সভা করার জন্য ঢাকা শহরে আসলে কোনো জায়গা নেই। রাস্তা দখল করে সমাবেশ করলে পুরো ঢাকা অচল হয়ে পড়ে, ঢাকা অচল মানে পুরো দেশ অচল। এক্ষেত্রে বর্তমান সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।

৫ জানুয়ারির নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেই বর্তমান সরকারের ওপর মানুষের আস্থার জায়গাটি তৈরি হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি পুরোনো নাশকতার দিনে অর্থাত্ ২০১৩ সালের মতো পুলিশ হত্যা, পেট্রল বোমা মেরে আগুনে পুড়িয়ে মারা, গাড়িতে আগুন দেওয়া প্রভৃতি নাশকতায় ফিরে যাওয়া হয় তাহলে মানুষ তা মেনে নিবে না।

সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করে বেগম খালেদা জিয়া ১৩ দফা দাবি পেশ করেছেন। সেখানে স্বাধীন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের প্রসঙ্গ রয়েছে। অর্থাত্ যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জাতীয় নির্বাচন কীভাবে হবে বিএনপির রাজনীতির মূল ইস্যু এটাই। নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে পরে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনী বিল-২০১১ থেকে বাতিল করা হয়েছে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, সরকারের মেয়াদের শেষ ৯০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন হবে। ওই সময় সরকার থাকলেও তারা কেবল রুটিন কাজ চালিয়ে নেবে। অসাংবিধানিকভাবে কেউ ক্ষমতা দখল করলে তা রাষ্ট্রদ্রোহ বলে বিবেচিত হবে। উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রায় ছিল। অবশ্য এই রায়ে কিছু অপশন রয়েছে। পর পর দুটি নির্বাচন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে পারে; প্রধান উপদেষ্টার প্রসঙ্গও আছে। বিষয়টি নিয়ে ৫ জানুয়ারি (২০১৪) নির্বাচনের আগে প্রতিদিন টকশোতে আলোচনা চলেছে; পত্রিকায় কলাম লেখা হয়েছে। কিন্তু রায়ের সারকথা বুঝতে অনেকেই ব্যর্থ হয়েছেন। তা হচ্ছে বাংলাদেশ এক মুহূর্তের জন্য অনির্বাচিত সরকার দ্বারা পরিচালিত হতে পারবে না। নির্বাচিত প্রতিনিধি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবস্থায় রাষ্ট্র চলবে না বলেই সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। এজন্যই সামরিক শাসক জিয়া ও এরশাদের শাসনকালকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন হাইকোর্টের রায়ে ওই পদ্ধতি বাতিল হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয় না। রায় অনুযায়ী এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নেই। একসময় যে কারণে এই ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল তার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। যদিও অতীতের মতো রাজনৈতিক দলগুলোর একে অপরের প্রতি আস্থাহীনতার কারণ রয়েছে তবু বলা যায় অতীতে নির্বাচন জালিয়াতির কালচার এখন পাল্টে গেছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের অধীনে যেসব নির্বাচন (পাঁচ হাজারের অধিক) হয়েছে তার দিকে তাকালেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। গণতান্ত্রিক দেশে সরকার নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতা লাভ করে। এজন্য নির্বাচন কমিশন রয়েছে। বর্তমান সংবিধানে ক্ষমতা বেড়েছে নির্বাচন কমিশনের। এজন্যই পূর্বের সেই ‘সাময়িক’ ব্যবস্থার গুরুত্ব এখন আর নেই। যদিও তিনটি জাতীয় নির্বাচন সেই পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট চোরাপথে ও কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করে। তত্কালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ তার বিরোধিতা করে প্রতিবাদ জানায়। একপর্যায়ে ২০০৭ সালে সামরিকবাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসে। সেই সময় তিক্ত অভিজ্ঞতা হয় দেশের মানুষের। প্রধান দুই দলের নেত্রীসহ বহু রাজনীতিবিদ, ছাত্র-শিক্ষক, ব্যবসায়ী ভয়ঙ্কর অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হন। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির প্রতি মানুষের অনাস্থা জন্মায়। তবে সেই ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচন হয়ে গত মহাজোট সরকার ক্ষমতাসীন হয়েছিল। আর সেই সরকারের আমলেই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। স্বাধীন বিচার বিভাগ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে রায় পাওয়া যায়। সংবিধান অনুযায়ী গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে আস্থার সংকট এখনো কাটেনি।

মনে রাখতে হবে ৫ জানুয়ারি (২০১৪) নির্বাচনের আগে বিভিন্ন ব্যক্তি বিচিত্র ফর্মুলা নিয়ে কথা বলা শুরু করেছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে নির্দলীয় সরকার হতে পারে। আলোচনা করে এ সরকারের প্রধান ঠিক করা হবে। তবে এর ক্ষমতা হবে সীমিত। রাষ্ট্রের সমস্ত ক্ষমতা ন্যস্ত হবে নির্বাচন কমিশনের ওপর। আর ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত ছিল। সঠিক ভোট ব্যবস্থাপনায় ভোটচুরি বা কারচুপি বন্ধ করা, পেশিশক্তির ব্যবহার রোধ করা জরুরি। এজন্য সে সময় আলোচনার ভিত্তিতেই নির্বাচনের প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছিল। কারণ তার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কেউ কেউ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের জন্য গণভোটের কথা বলেছিলেন। কিন্তু বিশিষ্টজনরা বলতে পারেননি, কার অধীনে সেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে? গত সরকারের অধীনে তা সম্পন্ন হলে বিরোধী দলের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে নিশ্চয়তা কি ছিল ? এক কথায় এসবের কোনো গুরুত্ব নেই। সংবিধান মানুষের জন্য। ঐক্যবদ্ধভাবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কীভাবে আগামী নির্বাচন সম্পন্ন হতে পারে। সংসদে আলোচনা হতে পারে। জনপ্রতিনিধিরাই সংসদে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। নির্বাহী ক্ষমতা কার ওপর বর্তাবে সেই সিদ্ধান্তও। আর এভাবেই সংকট উত্তরণ সম্ভব। সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার মীমাংসা হতে হবে।

৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে আমরা দেখেছি রেলে আগুন দেয়া হয়েছে গভীর রাতে, নির্জন মুহূর্তে, নাশকতা চালানো হয়েছে নির্বিকারচিত্তে, দেশের সর্বত্র। পাকিস্তান আমলে আন্দোলনে আমরা কখনো রেলে আগুন দেইনি। কারণ জরুরি ব্যবহারের জন্য একটি যোগাযোগ মাধ্যম সচল থাকা দরকার। আর গণপরিবহন হিসেবে রেলে বিএনপি-আওয়ামী লীগসহ সকল রাজনৈতিক বিশ্বাসের মানুষ চলাচল করে। অথচ হরতালকারীরা ঢিল মেরেছে গণপরিবহনে, পুলিশকে মেরে মাথা থেঁতলে দিয়েছে, কব্জি কেটে নিয়েছে। এসবের পিছনে তখনও মুখ্য ভূমিকা ছিল জামায়াত-শিবিরের, এখনো তাদের সেই অপতত্পরতা দেখা যাচ্ছে। তাদের ট্রেনিংপ্রাপ্ত ক্যাডাররা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আক্রমণ করছে। কারণ একটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অন্যতম অনুষঙ্গ পুলিশবাহিনী। এজন্যই একাত্তরে পাকিস্তানিরা ২৫ মার্চ কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আক্রমণ করে। রাষ্ট্রের এই দৃশ্যমান প্রতীককে হামলা করার মধ্যদিয়ে জামায়াত-শিবির যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর পাকিস্তানি কৌশল অনুসরণ করে চলেছে। আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা বর্তমান সরকারের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এটি সহজ কাজ নয়। ইতোমধ্যেই অনেক যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন হয়েছে, ফাঁসিও কার্যকর হয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এটা একটি দৃঢ় পদক্ষেপ। দেশ এগিয়ে যাবে। কেউ ঠেকাতে পারবে না।