এবার চা উৎপাদন আট কোটি কেজি

দেশে এ বছর আট কোটি কেজিরও বেশি চা উত্পাদিত হয়েছে। গত বছর এর পরিমাণ ছিল ছয় কোটি ৮০ লাখ কেজি।

অর্থাৎ এক বছরে এক কোটি ২০ লাখ কেজি চা উৎপাদন বেড়েছে।
গতকাল সচিবালয়ে চা বোর্ড আয়োজিত ‘বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী-২০১৭’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ তথ্য জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে রপ্তানি করতে পারবে। চা শিল্পের উন্নয়নে ইতিমধ্যে রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। ফলে এবার চায়ের উৎপাদন বাড়ছে। ’

মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে চায়ের চাহিদা রয়েছে সাত কোটি ৮০ লাখ কেজি। গত বছর বাংলাদেশে চা উত্পাদিত হয়েছে ছয় কোটি ৮০ লাখ কেজি। এ বছর তা আট কোটি কেজি ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে চায়ের উত্পাদন ১৩ কোটি কেজিতে উন্নীত করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, চা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী শিল্প। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে অনেক। বাংলাদেশের চা বেশ উন্নতমানের। বিশ্ববাজারে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। দেশের এই চা শিল্পকে সহায়তা প্রদানের জন্য চা আমদানির ওপর ট্যারিফ আরোপ করা হয়েছে। চা আমদানি করতে এখন চা বোর্ডে পূর্বানুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। চাহিদার চেয়ে বেশি উত্পাদন করা সম্ভব হলে চা আমদানির প্রবণতা আর থাকবে না। ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার ২ নম্বর হলে (পুষ্পগুচ্ছ) আগামী ১২ থেকে ১৪

জানুয়ারি এই প্রদর্শনী চলবে। প্রদর্শনীতে ৩০টি প্যাভিলিয়ন এবং ২০টি স্টল থাকবে। চা শিল্পের যন্ত্রপাতি প্রদর্শনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এতে কোনো প্রবেশ মূল্য থাকবে না। প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকবে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহা. সাফিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আরদাশির কবিরসহ মন্ত্রণালয় ও টি অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।