শেখ হাসিনা সরকারের যত অর্জন

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতে ব্যয় প্রতিবছর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১৬ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা থেকে বর্তমান ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ২২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ও দুস্থভাতা, পঙ্গু, প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের জন্য ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী, ভর্তুকি মূল্যে খোলাবাজারে খাদ্যপণ্য বিক্রি, ভিজিডি, ভিজিএফ, টেস্ট রিলিফ, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ইত্যাদি কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে। সব সূচকে জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে লাগামহীন উন্নতি করে চলেছে বাংলাদেশ। বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত দুস্থ মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ২০ হাজারে উন্নীত। অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২ লাখ থেকে ২ লাখ ৮৬ হাজারে উন্নীত। দরিদ্র গর্ভবতী, কর্মজীবী ল্যাক্টেটিং মাদার ও কৃষিকাজে নিয়োজিত প্রান্তিক নারী কর্মীদের জন্য ভাতা প্রদান করা হয়েছে। ৫০ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন ও ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসন এবং সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার উন্নয়নে আশ্রয়ণ দুই প্রকল্প গ্রহণ। ঢাকায় একটি অটিজম রিসোর্স সেন্টার ও একটি অবৈতনিক অটিস্টিক স্কুল চালু। বিসিএস ক্যাডারসহ অন্যান্য সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে প্রতিবন্ধীদের জন্য এক শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে এতিম ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৯২৩টি ইউনিয়নের ১০ লাখ ৩৮ হাজার পরিবারকে ১৭ হাজার ৩০০ গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমে খামারিতে উন্নীতকরণ। বিশ্বায়নের সব সুবিধা গ্রহণের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। ২০২১ সালের অনেক আগেই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের তথ্য ও সেবাকেন্দ্র চালু। এসব তথ্যকেন্দ্র থেকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী বিভিন্ন সরকারি ফরম, নোটিশ, পাসপোর্ট ও ভিসাসংক্রান্ত তথ্য, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন সেবাবিষয়ক তথ্য, চাকরির খবর, নাগরিকত্ব সনদপত্র, পাবলিক পরীক্ষার ফল, বিদেশে চাকরিপ্রাপ্তির জন্য রেজিস্ট্রেশনসহ ২২০টি সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি। মোবাইল ব্যাংকিং, জীবনবিমা, মাটি পরীক্ষা ও সারের সুপারিশ, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ও জমির পর্চাসহ অন্যান্য সেবা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি। প্রায় ৪ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন। উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোয় মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা চালু। টেলিমেডিসিন সিস্টেম চালু। মোবাইল টেলিফোন সিমের সংখ্যা ১০ কোটিতে উন্নীত। থ্রিজি প্রযুক্তি চালু। মোবাইল ফোনেই ভিডিওকল করা যাবে। টিভি দেখা যাবে। ইন্টারনেটের গতি বাড়বে। টেলি কনফারেন্স করা যাবে। ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা সাড়ে ৩ কোটিতে উন্নীত। ৫৮টি জেলার ১৭৮টি উপজেলা ও ৪২টি গ্রোথ সেন্টারে ডিজিটাল টেলিফোন প্রদান। তিনটি পার্বত্য জেলার ২০টি উপজেলায় ডিজিটাল এক্সচেঞ্জ স্থাপন। বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা পরিচালনার জন্য বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ, আইসিটি ফেলোশিপ ও অনুদান প্রদান। রূপকল্প ২০২১, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০-২১ ও ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক ২০১১-২০১৫ পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি অর্থবছর লক্ষ্যভেদী বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণের পেছনে দিনরাত পরিশ্রম করে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা, ইউরোপে মারাত্মক অর্থ সংকট, বিশ্বের বাজারগুলোয় চাহিদা হ্রাসসহ নানামুখী নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবিলা করে বাংলাদেশ গড়ে ছয় দশমিক চার শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে চলেছে। বার্ষিক উন্নয়ন ব্যয় ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৬৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকায় উন্নীত। এডিপি বাস্তবায়ন হার ৯৭ শতাংশে উন্নীত। রাজস্ব আদায় প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাথাপিছু আয় ২০০৮ সালে ৬৩০ ডলার থেকে ১ হাজার ৪৪ ডলারে উন্নীত। ৫ কোটির বেশি মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে উন্নীত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ২০০৫ সালের ৪০ থেকে ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে। মূল্যস্ফীতি ২০০৮ সালের ১৩ থেকে ৭ শতাংশে হ্রাস। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমবৃদ্ধি। ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৬ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ সৃষ্টি। রাজস্ব আদায়ে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি প্রায় ২৬ শতাংশ। বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশের কম। ৮ লাখ ৭৮ হাজার ৪০০টি এসএমই উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ ৩৯ হাজার ৫১৯ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ। ৩৯ হাজার ২১৩ নারী এসএমই উদ্যোক্তাকে ৫ হাজার ৯৭ কোটি টাকা ঋণ প্রদান। ১ হাজার ২১৮টি নতুন ব্যাংক শাখা খোলার অনুমোদন প্রদান। তিনটি নতুন অনিবাসী বাংলাদেশি ব্যাংক ও ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক স্থাপনের অনুমোদন প্রদান করেছেন জননেত্রী। ৩৭টি ব্যাংকে পুরোপুরি ও ৪টি ব্যাংকে আংশিক অনলাইন ব্যাংকিংব্যবস্থা চালু। বিশ্বমানের অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস সৃষ্টি। ২০১০ সালে দেশের পুঁজিবাজারে সংঘটিত অস্বাভাবিক পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পদেক্ষেপ গ্রহণ। রপ্তানিতে গড়ে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ২ হাজার ৭০৩ কোটি ডলার আয়। ২০০৮ সালের রপ্তানি আয় ছিল ১ হাজার ৪৮০ কোটি ডলার। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য বাণিজ্য উদারিকরণ। উদার আমদানি নীতি অনুসরণ। দেশব্যাপী টিসিবির ডিলার ও খোলাবাজারে বিক্রির মাধ্যমে ভোক্তাপর্যায়ে সাশ্রয়ীমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চতকরণ। ডিলারের সংখ্যা ১৪০ থেকে ৩ হাজার ৫৩ জনে উন্নীত। টিসিবির গুদাম ধারণক্ষমতা ১১ হাজার ৭০ টন থেকে ৪৩ হাজার ৬৪৫ টনে উন্নীত। ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা। রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানির সব গ্রাহকসেবা কার্যক্রম অনলাইনে সম্পাদন। রেমিট্যান্সপ্রাপ্তিতে গড়ে ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন। গত অর্থবছরে ১ হাজার ৪৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্সপ্রাপ্তি। ২০০৮ সালে ছিল ৮৯৮ কোটি ডলার। বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রেমিট্যান্স অর্জনকারী দেশ। বাস্তবসম্মত শ্রম কূটনীতির ফলে জনশক্তি রপ্তানি গন্তব্য দেশের সংখ্যা ১০০ থেকে ১৫৫-এ উন্নীত। জি-টু-জি পদ্ধতিতে জনশক্তি রপ্তানি শুরু। ব্যয় হ্রাস। হয়রানি বন্ধ। ১৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিদেশগামী নারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান। নারী জনশক্তি রপ্তানি ব্যাপক বৃদ্ধি শেখ হাসিনার নারী নীতিমালার কারণে সম্ভব হয়েছে।

দেশের মোট জনসংখ্যা ১৫ কোটি ২৫ লাখ ১৮ হাজার ১৫। তাদের মধ্যে ৭ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ৫১৮ পুরুষ ও ৭ কোটি ৬১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯৭ নারী। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ২০১২ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগপ্রাপ্তি। ৮টি ইপিজেডে বিনিয়োগের উন্নত পরিবেশ সৃষ্টি। বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি ব্যাপক বৃদ্ধি। দেশের প্রতিটি বিভাগে ন্যূনতম একটি করে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ। সিরাজগঞ্জ, মংলা, আনোয়ারা, মীরসরাই ও মৌলভীবাজারে অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন শুরু করেছেন জননেত্রী। শিল্প স্থাপনকে উৎসাহিত করতে একটি আধুনিক শিল্প নীতি প্রণয়ন। ৪০ হাজার ২৬৬টি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপন। ৮ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ। ৩ লাখ ১৯ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও রংপুর সিটি করপোরেশন গঠন। ষোলটি নতুন পৌরসভা গঠন। দেশে নিরাপদ পানির কাভারেজ ৮৮ শতাংশে উন্নীত।

অষ্টম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ড গঠনÑ সবই শেখ হাসিনার অবদান। ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা। সাংবাদিকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান প্রদান। একটি সরকারি ও ১৪টি বেসরকারিসহ মোট ১৫টি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারের জন্য অনুমোদন। দেশে প্রথমবারের মতো ১৪টি কমিউনিটি রেডিওর লাইসেন্স প্রদান। তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন। তথ্য কমিশন গঠন এবং সংশ্লিষ্ট বিধি ও প্রবিধিমালা প্রণয়ন। রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন। অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তি বিধিমালা ২০১২ প্রণয়ন। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। ১ লাখ ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ৫৫ হাজার একর কৃষি খাসজমি প্রদান। ‘গুচ্ছগ্রাম’ প্রকল্পের আওতায় ১৬৩টি গুচ্ছগ্রামে ৭ হাজার ১৭২টি ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। চর উন্নয়ন ও বসতি স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে ১২৮টি টুইন হাউস নির্মাণ। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তাৎক্ষণিক, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে অসাধ্য সাধন। লোডশেডিংয়ের দুঃসহ যন্ত্রণার অবসান হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের গুণে। তা বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্বীকৃত। ৪ হাজার ৪৩২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৫৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৫৯ মেগাওয়াটে উন্নীত। সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৬৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ। বাষট্টি শতাংশ মানুষের বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্তি। ৬ হাজার ৪৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন। পল্লী বিদ্যুতায়নের আওতায় ২৬ হাজার ৫০২ কিলোমিটার বিতরণ লাইন নির্মাণ। পাবনার রূপপুরে ১ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর। ২০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন। এর আওতায় নব্বই মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। ২৫টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত। দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে ২ হাজার ৩০৩ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নতির রূপকার শেখ হাসিনা। ১৩টি বৃহৎ সেতু নির্মাণ। সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতায় ৩০ দশমিক ৫ কিলোমিটার নতুন সড়ক ও চার হাজার ৪৬ মিটার কংক্রিট সেতু নির্মাণ। ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত। কুষ্টিয়ার-মেহেরপুর সড়ক ও ফেনী-পরশুরাম-বিলোনিয়া সড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীতকরণ। মোটরযানের রেক্ট্রো রিফ্লেক্টিভ নাম্বারপ্লেট, রেডিও ফ্রিক্যুয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন ট্যাগ, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট প্রবর্তন। রাজস্ব ফাঁকি, গাড়ি চুুরি ও বিভিন্ন অপরাধ রোধ। ইলেকট্রনিক চিপযুক্ত স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স চালু। ২৫ হাজার গাড়িচালককে প্রশিক্ষণ প্রদান। তিন দশমিক এক কিলোমিটার কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ। পদ্মা সেতুর উভয়প্রান্তে সার্ভিস এরিয়া ও মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের মাটিভরাট সম্পন্ন। এপ্রোচ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ। ৩৫ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ। ১৮০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন শেখ হাসিনা সরকারকে বিশ^নেতারা উন্নয়নের মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ঢাকা-রংপুর লাইনে রংপুর এক্সপ্রেস, ঢাকা-চট্টগ্রাম লাইনে চট্টলা এক্সপ্রেসসহ ৪৫টি ২২ জোড়া নতুন ট্রেন চালু। ১০১ কিলোমিটার রেলপথ মিটারগেজ থেকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর। বিভিন্ন রুটে ডেমোট্রেন চালু। বালু নদী, মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ নৌপথে কুমার নদী, মধুমতি নদী, লোয়ার কুমার ও গোমতী নদী খননের মাধ্যমে ৮৩ কিলোমিটার নৌপথ চালুকরণ। একটি রো-রো ফেরি, একটি রো-রো পন্টুন ও দুটি ইউটিলিটি পন্টুন নির্মাণ এবং তিনটি রো-রো ফেরি, দুটি কে-টাইপ ফেরি ও ৫টি পন্টুন নির্মাণ করা হয়েছে। কুয়াকাটায় একটি মোটেল নির্মাণ। ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধমন্দিরের উন্নয়ন। গতিশীল ও যুগোপযোগী স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চত করতে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন। শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজার জীবিত জন্মে ৩৬ জনে হ্রাস। ২০০৭ সালে ছিল ৬৫ জন। এমডিজি ৪ অর্জন। জাতিসংঘ এমডিজি পুরস্কার লাভ। মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের গুণে সম্ভব হয়েছে।

লেখক : কবি ও সাংবাদিক