শেখ হাসিনা এক অনন্য শাসক ও নেতা

একটিমাত্র সিদ্ধান্তে পাল্টে গেছে বাংলাদেশের চিত্র। প্রাচীন আর জরাজীর্ণ নিয়মের বদলে সময়োপযোগী ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন-পরিবর্তনের এই ঘোষণার ফলে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই পাল্টে গেছে বাংলাদেশের চিত্র। শুরুতে নিন্দুক-সমালোচকরা নানা কথা বলেছেন। এখন তারা কেবল নীরব দর্শক, বাংলাদেশের সাফল্য অবাক করেছে অন্যদেরও। পৃথিবীর অনেক দেশের কাছে বাংলাদেশের মডেল এখন অনুসরণীয়ও। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, একটি বাস্তবতা। এর ফলে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক যোগাযোগসহ প্রতিটি খাতে অমিত সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দিতে আওয়ামী লীগ সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রায়োগিক উৎকর্ষ সাধন, প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ এ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।

ইন্টারনেট ডেনসিটি বৃদ্ধি, সাবমেরিন ক্যাবলের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি, নতুন সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনসহ টেলিযোগাযোগ খাতের সব সেবা আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিবান্ধব নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের ৯৯ ভাগ এলাকা এখন মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। মোবাইল ফোন গ্রাহকরা উন্নত টেলিসেবা পাচ্ছেন। দেশে ৩-জি প্রযুক্তির মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করা হয়েছে। ৪-জি প্রযুক্তিও অচিরেই চালু করা হবে। টেলিডেনসিটি শতকরা ৭০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। দেশের সব উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার কানেকটিভিটি, সব জেলায় ‘জেলা তথ্য বাতায়ন’ এবং দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ‘ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগকে দ্রুত ও সহজতর করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। শিগগিরই দেশের সর্বস্তরের জনগণ টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সেবার সুফল ভোগ করবেন।

বিশ্ব সম্প্রদায়ে বাংলাদেশের নতুন এ পরিচিতি কেবল একজন যোগ্য নেতার সফল নেতৃত্বের ফল। রাজনীতিক যারা, যারা দেশের মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিবেদিত করেন, দেশের উন্নয়ন, দেশের মানুষের ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন, সমৃদ্ধির লক্ষ্যে নিত্যনতুন পরিকল্পনা তাদের মননে, মগজে ও ভাবনায় খেলা করে সর্বক্ষণ। আজকের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটও রচিত হয়েছিল যোগ্য এক নেতার প্রতি অবিচারের কঠিন এক মুহূর্তে। দূরদর্শী সেই নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। জীবনের বেশিরভাগ সময় কারাবরণ, নির্যাতন ও শোষণের জাঁতাকলে নিষ্পেষিত হয়েছেন জাতির জনক। ছোট্টবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত সাহসী ও প্রতিবাদী ছিলেন। সেই ছোট্টবেলা থেকেই মানুষের জন্য ছিল তার অধিক মমত্ববোধ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে লক্ষ্যকে আদর্শের সঙ্গে সমন্বিত করে ধাপে ধাপে এগিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক ২৩ বছরের মধ্যে ১৩ বছরের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। যারা নির্যাতিত, নিপীড়িত ও মুক্তি চেয়েছেন তাদের মনের আশা পূরণের জন্য আমৃত্যু কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধু। বাঙালি জাতির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিস্মরণীয় অবদান স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে নিয়ে ভেবেছেন। বিশে^র বুকে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যে নীতি-দর্শনের কথা ভেবেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার পূর্ণ প্রয়াস পাই তার কাজকর্মে। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনে বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা স্থান পেয়েছিল। তিনি কেবল একটি স্বাধীন ও স্বকীয় জাতিসত্তার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সে স্বপ্ন পূরণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তেমনি তার যোগ্য নেতৃত্বের ধারক শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন লালন করেন। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা করেন। এটা সমালোচক ও দেশের তথাকথিত শুভাকাক্সক্ষীরা মেনে নিতে পারেননি। মিথ্যা মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে শেখ হাসিনাকে কারাবরণ করতে হয়। কারাগারের বন্দিদশায় শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। জেল থেকে বের হয়ে জাতীয় নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে দেশের নেতৃত্বের হাল ধরেন শেখ হাসিনা। জেলে বসে করা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মনোযোগী হন। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশে বিস্ময়কর পরিবর্তন সাধিত হয়। সর্বক্ষেত্রে লাগে উন্নয়নের ছোঁয়া। কবি সুকান্তের ভাষায়, পৃথিবীও অবাক তাকিয়ে রয় বাংলাদেশের দিকে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। এমনকি ঘাতকের বুলেট থেকে রেহাই পায়নি বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেলও। সেই সময় বিদেশে অবস্থান করায় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা কেবল প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ তথা সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতিতে আগমন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম শুরু করেন। মাত্র ৩৪ (চৌত্রিশ) বছর বয়সে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। প্রতি মুহূর্তে ঘাতকের বুলেট তাকে তাড়া করে ফিরেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা তার লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। দীর্ঘ ২১ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে পরবর্তী ৫ বছরে ২১ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে দ্রুত দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেন। পার্বত্য শান্তিচুক্তি, গঙ্গাচুক্তি সম্পাদন করেন। স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ করেন, মোবাইলের মনোপলি ভেঙে দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের দ্বার উন্মোচন করেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলস কাজ শুরু করেন তার সুযোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনা। ২০০১ সালের পর আবারও উল্টোপথে দেশ পরিচালিত হয়। স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে তুলে দেওয়া হয় রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা। গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সরকারি মদদে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।

১৯৮১ সালের ১৭ মে তার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর থেকে এ পর্যন্ত ২১ বার হামলা করা হয় তার ওপর। ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন ‘রূপকল্প ২০২১’, যার মূল উপজীব্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ। দেশরতœ শেখ হাসিনার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর স্বপ্নদ্রষ্টা তার মেধাবী পুত্র, আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয়। তারুণ্যের মেধা ও শক্তিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর এক অনবদ্য ও প্রেরণাদায়ী কর্মসূচি ডিজিটাল বাংলাদেশ। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়। রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্য পূরণের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঘোষিত সময়ের আগেই বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে এসেছে। ১ জুলাই, ২০১৫ বিশ্বব্যাংকের মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় স্থান পায় বাংলাদেশ। অর্থনীতিবিদরা একে দেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাফল্যের অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে অভিহিত করছেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশকে বিবেচনা করা হতো উন্নয়নের টেস্ট কেস হিসেবে, আর আজ বাংলাদেশ সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এসবই সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বগুণে। নোবেল বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সর্বশেষ বাজেট নিয়েও বিশ্ব মিডিয়ায় শেখ হাসিনা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপই মূলত আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ। রূপকল্প ২০২১-এর অধীনে ঘোষিত সময়ের আগেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণের জন্য তার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজও নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যে মশাল বঙ্গবন্ধু জ্বালিয়ে রেখে গিয়েছিলেন ৬৭ বছর আগে, তার সুযোগ্য উত্তরসূরিরা আজও নিষ্ঠার সঙ্গে তা বহন করে চলেছেন।

শেখ হাসিনা স্বপ্ন দেখেন একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশের। এ লক্ষ্যেই তার অবিরাম প্রচেষ্টা। নিরন্তর পরিশ্রম আর অবিরত সংগ্রাম। আজকের এ অবস্থানও কিন্তু সহজে অর্জিত হয়নি। ভেতরে-বাইরে তাকে পোহাতে হয়েছে শত সহস্র বাধা-বিপত্তি। তাকে পরিবর্তন করতে হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রাচীনতম কাঠামো। পুঁজিবাদের অস্তিত্বে হানতে হচ্ছে কঠোরতর আঘাত। রাষ্ট্র একতরফাভাবে পুঁজির দাসত্ব করত, সে প্রথা ভেঙেছেন মহান এ নেতা। জনগণের জন্য স্বাবলম্বী অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলেছেন অনিবার্যভাবে। একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজের মাধ্যমে সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যাত্রার নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে শেখ হাসিনা সংগ্রাম করেছেন একটি সুখী-সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তিই তার ধ্যানজ্ঞান ও সাধনা। যে সুখী, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন তিনি লালন করতেন, তার বাস্তবতা এখন প্রজ্বলিত। শেখ হাসিনা এমন একটি দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছেন, যেখানে স্বাধীনতার মূল চেতনা বাস্তবায়িত হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সমৃদ্ধ দেশ গঠিত হবে। ধর্মগোত্র নির্বিশেষে সব মানুষ সমঅধিকার ভোগ করবে। গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই সেই স্বপ্ন পূরণে জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

একটি দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে একটি দক্ষ নেতৃত্বই যথেষ্ট। কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনে একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের বাইরে আর সবকিছু নিষ্প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সেই দূরদর্শী নেতা শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার অবিচল নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে পুরোপুরি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের প্রতিটি সূচকের মান অর্জন করবে। আর পরবর্তী আরও এগারো বছরের মধ্যে এটি হবে বিশ্বের আরেকটি উন্নত রাষ্ট্র। সাফল্যের বাহক এ নেতা দীর্ঘজীবী হোন। দেশের কল্যাণে আরও ভূমিকা রাখুন।