টার্কি পালনে ঝুঁকছে যুবসমাজ

মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য গরুর খামার, ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগি এবং হাঁস পালন ও মাছের চাহিদা নিবারণের জন্য মাছের চাষ করতে দেখা গেছে অহরহ। কিন্তু মুরগির মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য অধিক মাংসসমৃদ্ধ টার্কি জাতের মুরগি পালনের বিষয়টি এবার লক্ষ্য করা গেছে পলাশের ঘোড়াশালে। টার্কি এক সময়ের বন্যপাখি হলেও এখন এটি গৃহপালিত বড় আকারের একটি পাখি। একজন টার্কি খামারি পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের পাইকসা এলাকার বাছেদ মিয়া। তিনি আগে মুরগি পালন করতেন। শখের বসে তিনি সিলেট থেকে টার্কির বাচ্চা সংগ্রহ করেন। পরে বিষয়টি নিজের কাছেই কৌতূহল মনে হলে তা থেকে যে ডিম আসে তা দেশি মুরগি দিয়ে ফোটানো শুরু করেন। সেই থেকে টার্কির খামার করার ইচ্ছা পোষণ করেন বাছেদ। তার কাছ থেকে টার্কির বাচ্চা নিয়ে সফল হয়েছে আশপাশের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি পরিবার। তারা বাড়িতে ছোট আকারেই পালন করছে এই টার্কির খামার। আশপাশে যারা টার্কির খামার করেন তাদের মধ্যে অন্যতম বোরহান মেহেদী, হুমায়ুন, বারেক, জামান, আলামনীসহ আরও অনেকে। বাছেদ মিয়ার কাছ থেকে মাত্র ১০টি টার্কির বাচ্চা নিয়ে ছোট আকারে টার্কি পালন শুরু করেন পাশের বাড়ির কাশেম মিয়া। উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শাহ জামান খান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়। পাখির মাংসের মধ্যে হাঁস-মুরগি, কোয়েল, এরপর টার্কির অবস্থান। টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে বেশ অবদান রাখছে।