আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৬-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় এ পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। আগামীকাল এ পুরস্কার তার হাতে তুলে দেয়া হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস, প্ল্যান ট্রিফিনিও, গ্লোবাল ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট প্রদেশের নিউ হেভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস সম্মিলিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করছে। চলতি বছর থেকে শুরু হওয়া এ পুরস্কার প্রতি বছর নিয়মিতভাবে প্রদান করা হবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, এবারের পুরস্কার প্রদান করবেন খ্যাতনামা হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডেভি। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের প্রথম বছরে আইসিটি ও প্রতিযোগিতামূলক টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরতে এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
আগামীকাল এ পুরস্কার গ্রহণ করবেন সজীব ওয়াজেদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশী ও বিদেশী রাজনীতিবিদ, জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, অভিনয় ও সংগীতশিল্পীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে আরো জানানো হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে নাগরিক সেবাপ্রাপ্তি সহজতর করতে সহায়তা করায় সজীব ওয়াজেদ জয়কে আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৬ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। আইসিটি বিভাগে নেতৃত্বদান ও দৃঢ়তার সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের আইসিটি খাতকে এগিয়ে নিতেও ভূমিকা রাখছেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রথম বাংলাদেশী তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে ২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম থেকে ইয়াং গ্লোবাল লিডার পুরস্কার পান জয়। নিজ সমাজ ও পেশার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর বিশ্বের ২৫০ তরুণ নেতাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, সজীব ওয়াজেদ জয় ভারতের বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার প্রকৌশল বিষয়ে পুনরায় স্নাতক ডিগ্রি নেন। এছাড়া হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট থেকে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।