চার লেন মহাসড়কে নজর : যোগাযোগ উন্নয়ন

সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য সামনে রেখে মহাসড়কগুলোকে চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
টিটু সাহা : দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে সরকার গত কয়েক বছরে অনেকগুলো প্রকল্প শেষ করেছে। সড়ক-মহাসড়কের উন্নয়নে হাতে নিয়েছে বেশ কিছু বড় প্রকল্প। তবে সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার বিশেষ করে চার লেনে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে সুপরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ময়মনসিংহ-জয়দেবপুর- এই দুটি চার লেন প্রকল্প শেষ করে ফেলেছে সরকার। এখন নতুন করে এলেঙ্গা-রংপুর, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা মহাসড়কগুলোকে চার লেন করতে উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে অতি সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা চার লেন এবং এলেঙ্গা-রংপুর চার লেন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়ে গেছে। এ ছাড়া চার লেন করার জন্য চিহ্নিত মহাসড়কগুলোর মধ্যে আছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, সিলেট-তামাবিল-জাফলং, ঢাকা-মাওয়া, মাওয়া-ভাঙ্গা, গাজীপুর-আজমতপুর-ইটাখলা, টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড, ফরিদপুর-বরিশাল ও বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক। চার লেনের পরিকল্পনায় আরো আছে ময়মনসিংহ-জামালপুর-শেরপুর, হাটিকুমরুল-বনপাড়া-রাজশাহী, বনপাড়া-ঈশ্বরদী, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ-যশোর, জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-হাটিকুমরুল ও ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক।
সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিব এম এ এন ছিদ্দিক জানান, সড়কপথে ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ যানবাহনের চাপ সামলাতে, এ পথে দেশের যোগাযোগ যুগোপযোগী করতে, দুর্ঘটনার হার কমিয়ে আনতে এবং শিল্প-বাণিজ্যসহ অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনতে এশিয়ান হাইওয়ে, বিমসটেক রোড, সাসেক হাইওয়ে করিডোরসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক-উপআঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক করিডোরে অন্তর্ভুক্ত হতে সরকার মূলত, চার লেনে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আকাশ ও নৌপথের পাশাপাশি সড়কপথে আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহাসড়কই চার লেনে উন্নীত করার মহাপরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে এশীয় মহাসড়কের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযুক্তি চাইছে। এ জন্য ২০০৯ সালে এশীয় মহাসড়কের মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় ও আঞ্চলিক যোগাযোগ স্থাপনে একটি চুক্তির মাধ্যমে ‘দ্য ইন্টারগভর্নমেন্টাল এগ্রিমেন্ট অন দ্য এশিয়ান হাইওয়ে’ নেটওয়ার্কভুক্ত হয় বাংলাদেশ। ওই সময়ে একটি সড়ককে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হয় এশীয় মহাসড়কের নকশা। বিভিন্ন জটিলতায় ওই নকশা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে এশীয় মহাসড়কের বিষয়টি মাথায় রেখে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাতীয় মহাসড়কগুলো চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে মহাসড়কগুলো খুবই দুর্বল অবস্থায় আছে। এসব মহাসড়কে মালবাহী ট্রাকের ধারণক্ষমতা মাত্র আট টন। আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা শুরু হলে ১২ টন ওজনের ট্রাক চলাচল করবে। তাই দুর্বল কাঠামোর মহাসড়ক সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য চার লেন সড়কের বিকল্প নেই।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন : বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সড়কপথের যোগাযোগ যুগোপযোগী, সহজ, দ্রুত ও যানজটমুক্ত করতে ২০১০ সালে সরকার ১৯২ দশমিক ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প শুরু করে। অবশেষে প্রায় ৬ বছর পর গত ২ জুলাই আওয়ামী লীগ সরকারের মেগা প্রকল্প চার লেন এ সড়কটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটিতে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি অর্থায়ন করছে জাপান ঋণ মওকুফ তহবিল-জেডিসিএফ। প্রকল্পটি শেষ হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রামের ভ্রমণ সময় অর্ধেকে নেমে আসবে এবং দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তে এখন মাত্র সাড়ে ৪ ঘণ্টায় এ পথের দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। এ ছাড়া এতে যানজট লাঘবের পাশাপাশি দুর্ঘটনা ন্যূনতম পর্যায়ে নেমে আসবে। পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজতর, সাশ্রয়ী হবে বলেও আশা করছেন তারা।
সময় কমেছে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেনে : রাজধানী ঢাকার সঙ্গে ময়মনসিংহের সড়ক যোগাযোগ নির্বিঘ্ন করতে, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল গাজীপুর জেলা এবং কৃষিজাত পণ্যের ভাণ্ডার বৃহত্তম ময়মনসিংহ জেলার জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ২০১০ সালের জুলাইয়ে এ প্রকল্পটি একনেক অনুমোদন দেয়। ৮৭ দশমিক ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয় ৯৯২ কোটি টাকা। অবশ্য পরবর্তী সময়ে একাধিকবার ব্যয় বেড়ে গিয়ে সংশোধিত প্রাক্কলিত ব্যয় দাঁড়ায় ১ হাজার ৮১৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। গত ২ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেনের সঙ্গে এই সড়কটিরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কটিতে ১৫৫টি কালভার্ট, ৫টি নতুন সেতু, ১টি ফ্লাইওভার, ১টি রেলওভার পাস ও পথচারীদের নিরাপদ সড়ক পারাপারের লক্ষ্যে ৪টি স্টিল ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ময়মনসিংহ-জয়দেবপুর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যাতায়াত করতে প্রায় ৪ ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন হতো। এখন ভ্রমণ সময় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এ ছাড়া গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্য স্থানে পরিবহন সময় ও ব্যয় কমে এসেছে বলেও দাবি সংশ্লিষ্টদের।
রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নে চার লেন হচ্ছে এলেঙ্গা-রংপুর মহাসড়ক : সড়কপথে রাজধানীর সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর যাতায়াত ব্যবস্থা আরো সহজ করতে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে রংপুর পর্যন্ত ১৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সওজ সূত্র জানায়, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত, নেপাল ও ভুটানের উপআঞ্চলিক সড়ক সংযোগ সহজ হবে। গতি আসবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে। সড়কটি এলেঙ্গা থেকে শুরু হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা সদর, বগুড়া জেলা সদর, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ হয়ে রংপুরের মিঠাপুকুরে গিয়ে শেষ হবে। সম্প্রতি একনেক সভায় এ-সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এলেঙ্গা-রংপুর সড়ক চার লেন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ৯ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা ঋণ পাওয়ার আশা করছে সরকার। বাকি ২ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা জোগান দেয়া হবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে। ২০২১ সালের আগস্টে চার লেন সড়কের কাজ শেষ করার কথা বাস্তবায়নকারী সংস্থা সওজের।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, ১৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত চার লেন সড়কটিতে অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে। ধীরগতিসম্পন্ন যানবাহনের জন্য থাকবে আলাদা লেন। এর মাধ্যমে কমে আসবে দুর্ঘটনা। যানজট এড়াতে নির্মাণ করা হবে আড়াই হাজার মিটার দীর্ঘ তিনটি উড়াল সেতু। দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কের মাঝে মাঝে থাকবে ৪০টি আন্ডারপাস। পথচারী পারাপারে নির্মাণ করা হবে ১১টি ওভারপাস। প্রস্তাবিত প্রকল্পে ছোট ছোট ৩২টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সওজের।
রংপুর চেম্বার সভাপতি আবুল কাসেম বলেন, এই চার লেন প্রকল্পটি ছিল রংপুরসহ উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দুর্ঘটনা এড়ানোসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া রংপুর অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে। এ ছাড়া এটি ব্যবহার করে পরবর্তী সময়ে বাংলাবান্ধা দিয়ে ভারত ও নেপাল এবং বুড়িমারী দিয়ে ভারত ও ভুটানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে।
আঞ্চলিক সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরিতে চার লেন হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক : ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ চার লেনের পরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কও চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সওজ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রকল্পটির আওতায় ঢাকার কাঁচপুর থেকে সিলেট পর্যন্ত ২২৬ কিলোমিটার সড়ক চার লেন করা হবে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৬৬৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর আগে প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
উল্লেখ্য, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এশিয়ান হাইওয়ে ১ ও ২-এর রুটভুক্ত। আবার বিমসটেক রোড করিডোর ৩ ও সাসেক হাইওয়ে করিডোর ৫-এর রুটভুক্তও এ মহাসড়ক। ফলে অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও উপআঞ্চলিক সড়ক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই এটি চার লেনে উন্নীতকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মূল সড়কের পাশাপাশি ধীরগতির যানবাহনের জন্য দুপাশে পৃথক লেন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ছোট আকারের ৬০টি সেতু, চারটি ফ্লাইওভার ও ২৭টি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। ২০১৯ সালে প্রকল্পটি শেষ করার কথা। এর মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন হয়েছে। এখন অর্থায়নের উৎস খোঁজা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, এ প্রকল্পের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তা চাওয়া হলে সংস্থাটি ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার আশ্বাসও দিয়েছে। আবার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। দেশটির ঋণে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) সড়কটি চার লেন করতে আগ্রহী বলে জানা গেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে পদ্মা সেতুর পাশাপাশি ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা চার লেন হবে : দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে পদ্মা সেতুর পাশাপাশি ২০১৮ সালের মধ্যে নির্মিত হবে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা চার লেন মহাসড়ক। গত ৩ মে একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন হয়। সওজ তথ্যমতে, প্রকল্পটির আওতায় দুই প্যাকেজে ঢাকার বাবুবাজার লিংক রোড থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও মাদারীপুরের পাচ্চর থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার চার লেন হবে। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২৫২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা চার লেনের মহাসড়কের পাশে ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন থাকবে।
সড়ক পরিবহন বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, সওজ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চার লেন প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর মধ্যে পড়ছে। কিছু প্রকল্প হয়ে গেছে, কিছু বাস্তবায়নের উদ্যোগ চলছে আর পরিকল্পনায় রয়েছে অনেকগুলো চার লেন প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকার অর্থনৈতিক সংকটকে আমলে নিচ্ছে না। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা এসব প্রকল্পে ঋণ সহায়তা দিতে ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করছে। আবার তা না হলে সরকার নিজেই এর খরচ বহনে সক্ষম বলেও মনে করছে।