সুমদ্র অর্থনীতির জন্য নতুন প্রকল্প

সুমদ্র সম্পদের ওপর গবেষণা করার জন্য দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সুমদ্র সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পর সমুদ্র অর্থনীতি নিয়ে সরকারের জোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব মোহাম্মাদ খোরশেদ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আমরা বিদেশি অর্থ পেয়েছি। এর মাধ্যমে আমাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাড়বে।’
প্রকল্প দুটির প্রথমটি হচ্ছে- ছোট আকারে অ্যাকুয়াকালচার চাষের সম্ভাবনা এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে- বঙ্গোপসাগরে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদের ওপর গবেষণা।
আলম বলেন, ‘এ অঞ্চলের অনেকে এ প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। কিন্ত প্রকল্প দুটি আমাদের দেওয়া হয়েছে।’
প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন করবে ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন এবং আগামি দুই বছরের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করতে হবে।
আলম বলেন, ‘আমরা এর অনুমোদন পেয়ে গেছি এবং আগামী মাসে প্রকল্প শুরু করার জন্য ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনের কাছে আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাবো।’

তিনি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়াবে। কারণ এ প্রকল্পগুলোর গবেষণার ফল অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বিনিময় করা হবে।’

ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সংখ্যা ২০টি এবং এর উন্নয়ন সহযোগী ৬টি যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও চীন।

জানা গেছে, বাংলাদেশে অ্যাকুয়াকালচার উৎপাদনের গড় প্রবৃদ্ধি ২৮ শতাংশ।