ফলের বিদেশ গমন

ড. হুমায়ুন কবীর: ফল একটি গুরুত্বপূর্ণ ও উপাদেয় খাবার। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিন সব খাবারের সঙ্গে কিংবা খাবারের পরে কমপক্ষে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম ফল খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত। পুষ্টিগত খাদ্যমান অনুযায়ী ফলে প্রচুর পরিমাণ আঁশ থাকে। ফলের এ আঁশ মানবদেহের বিভিন্ন খাদ্য সহজপাচ্য করতে সহায়তা করে থাকে। অনেক সময় অসুখ-বিসুখে ডাক্তাররা রোগীকে কোনো কোনো খাবার খেতে নিষেধ করে থাকে। সেক্ষেত্রে ফল খেতে তেমন কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকতে দেখা যায় না। কারণ ফল তো মানুষের জন্য বরং রোগের পথ্য হিসেবে ব্যবহূত হয়ে থাকে। কেউ রোগী দেখতে গেলে সঙ্গে ফলমূল নিয়ে যায়। তাছাড়া কোনো কোনো ফলের মধ্যে এমন কিছু পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা শুধু ওই ফল খেলেই কেবল তা পূরণযোগ্য, অন্য কোনো উপায়ে নয়। কাজেই ফল যে খুব উপকারী একটি খাবার তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে বিভিন্ন ঋতুবৈচিত্র্যে কমপক্ষে ৬০-৭০ ধরনের ফল চাষ হয়ে থাকে। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশ ফলের আবাদ হয় বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে। আর বাদবাকি ৪৬ শতাংশ ফল উত্পন্ন হয় বছরের আট মাসে। কাজেই বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসকে বলা হয়ে থাকে মধু মাস। এ সময়েই সবচেয়ে বেশি রসালো ফল উত্পাদিত হয়ে থাকে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে আম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস ইত্যাদি। কাঁঠাল তো বাংলাদেশের জাতীয় ফল। এখানে একটি বিষয় না বললেই নয়, আম কিন্তু ভারতের জাতীয় ফল। আম যে পরিমাণ মানুষের প্রিয় ফল, যেভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমের ফলন হয়, আমার মনে হয় যদি তা ভারতের জাতীয় ফল না হতো তবে বাংলাদেশের জাতীয় ফল হতে পারত।
একসময় বাংলাদেশের একটি অপবাদ ছিল তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে। দিন পাল্টেছে। এখন কৃষিপণ্য উত্পাদনে আমরা শুধু যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তা-ই নয়; আমরা ধান-চাল থেকে শুরু করে অনেক কৃষিপণ্যই বিদেশে রফতানিসহ আয় করছি মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা। আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, জামরুলসহ অনেক রসালো ফল রফতানি হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তবে এসব রফতানিযোগ্য ফলের একটি বিশেষত্ব থাকতে হয়, আর তা হল কোনো ধরনের রাসায়নিক বিষমুক্ত, ভেজালমুক্ত অর্থাত্ এক কথায় নিরাপদ। এই বিষয়টি নিশ্চিত করা যাচ্ছিল না বলে দীর্ঘদিন আমাদের দেশের ফলমূল বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হয়নি। ইতোপূর্বে দুয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে এবং এমনও হয়েছে, ফল রফতানি করার পর তা বিদেশের ল্যাবে পরীক্ষায় যখন ত্রুটি ধরা পড়েছে, তখন সরাসরি তা ফেরত দেওয়া হয়েছে। এতে একদিকে যেমন আমাদের একটি সম্ভাবনাময় রফতানি খাত মার খেয়েছে, অপরদিকে বিদেশের মাটিতে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে। তাই দীর্ঘদিন যাবত্ এসব রসালো ফল রফতানি করার জন্য নানামুখী চেষ্টা করা হচ্ছিল। কৃষক, ব্যবসায়ী, রাসায়নিক, কীটনাশক কোম্পানি, রফতানিকারক-সবার মধ্যে এ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়, যাতে বিদেশে রফতানিযোগ্য কোনো ফলে রাসায়নিক মেশানো না হয়। তাছাড়া রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়েও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হতে থাকে। এরই অংশ হিসেবে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উদ্যোগে উত্পাদক, ভোক্তা, ব্যবসায়ী সকলের মধ্যে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কল্যাণে এর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা করা হয়। বিগত কয়েক বছর থেকে ফলমূলে রাসায়নিক প্রয়োগ কিছুটা কমতে শুরু করে। বিষমুক্ত ফলমূল ও খাদ্য সেবনের প্রত্যয়ে, সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবারের রমজানের আগে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) কর্তৃক ব্যবহারযোগ্য ছয়টি নিত্যপ্রয়োজনীয় ফলের নমুনা সংগ্রহ করে তা ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার জন্য এ মৌসুমের ৬৮টি ফল এবং বিভিন্ন খাদ্যের ১৮৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সংগৃহীত ফল ও খাদ্যের নমুনায় কোনো রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত ফলাফলে এবারের পরীক্ষায় যে ছয়টি ফল উত্তীর্ণ হয়েছে সেগুলো হল খেজুর, আম, মাল্টা, আপেল, আঙুর ও লিচু। আম ও লিচুতে ফরমালিন পরীক্ষার জন্য রাজশাহী, চাঁপাইনবাগঞ্জ ও সাতক্ষীরায় বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরীক্ষায় কোনো রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। কিন্তু তাতে আত্মতুষ্টি নিয়ে বসে থাকার কোনো সুযোগ নেই। এখানে মাত্র ৬৮ ও ১৮৩টি নমুনায় কোনো রাসায়নিক পাওয়া না যাওয়ার অর্থ কিন্তু এখন আর রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে না, এমনটি ভেবে বসে থাকলে চলবে না। কারণ এখানে একদিকে যেমন মাত্র কয়েকটি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, অপরদিকে রাসায়নিকের মধ্যে শুধু ফরমালিন পরীক্ষা করা হয়েছে। তার বাইরেও ফলে ক্ষতিকর কার্বাইডসহ অনেক রাসায়নিক ব্যবহার হয়ে থাকে। তারপরও স্বস্তি ও কিছুটা আত্মতৃপ্তি পেতে কোনো অসুবিধা নেই এ কারণে, বিগত দিনগুলোতে যে ব্যাপক উদ্যোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে তা ভেস্তে যায়নি। কিছুটা হলেও কাজ হতে শুরু করেছে। তার মানে হল, এ নিয়ে আরও বেশি বেশি কাজ করলে একসময় শতভাগ সুফল পাওয়া যাবে।
আমরা জানি, ফলমূল ও খাদ্যে ভেজাল পরীক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক ও মানসম্পন্ন যন্ত্রপাতি ও সঠিক পদ্ধতির মাধ্যমে করার জন্য মহামান্য হাইকোর্টের একটি রায় রয়েছে। মানুষের কল্যাণে হাইকোর্ট সোয়োমোটোভাবে এ গণমুখী রায় প্রদান করেছিলেন। তাছাড়া সরকার কর্তৃক বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এবং তা আরও হালনাগাদ করে ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৫ সংশোধিত আকারে কার্যকর করা হয়েছে। সেসব আইনের প্রয়োগ করেই বিগত কয়েক বছরে বিশেষ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সুফল পাওয়া যাচ্ছে। গত বছর পর্যন্ত আম গাছ থেকে ফল সংগ্রহ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এর একটি যৌক্তিকতা হল, একেক জাতের আম পাকার একেকটি নির্ধারিত সময় রয়েছে। তার আগে পেড়ে ফেললে তা অপরিপক্ব থেকে যায়। আর অপরিপক্ব আম দীর্ঘদিনেও স্বাভাবিকভাবে পাকবে না। সেজন্য সেই অপরিপক্ব ফলকে পাকাতেই প্রয়োগ করা হবে ক্ষতিকর রাসায়নিক। আরেকটি ব্যবস্থা ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল গত কয়েক বছরে। আর সেটি হচ্ছে দেশের আম উত্পাদনকারী এলাকা হতে আমের যেসব চালান ট্রাকের মাধ্যমে ঢাকা শহরে এসে পৌঁছাবে, সেগুলো গাবতলীসহ আরও কয়েকটি পয়েন্টে ভ্রাম্যমাণ টিম প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে আমে রাসায়নিক মিশ্রিত রয়েছে কি না তা সরাসরি পরীক্ষা করবে। যদি নমুনায় প্রমাণিত হয়, সেগুলোতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রয়েছে, তাহলে তা সেখানেই ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এতে যদিও উত্পাদক, কৃষক ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হয়েছে এবং এ পদ্ধতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে অনেক কথাবার্তা রয়েছে, তারপরও তা খুবই প্রয়োজন ছিল। কারণ বাঙালি স্বাভাবিকভাবে কোনো কথা গায়ে লাগাতে চায় না। সেসব ক্ষতির মুখে পড়ে একটি জিনিস পরিষ্কার হয়েছে, এভাবে ব্যবসা করা যাবে না মর্মে বোধোদয় হয়েছে তাদের। প্রকৃতপক্ষে এসব কর্মকাণ্ডের সুফল এখন কিছুটা হলেও পাওয়া যাচ্ছে। অথচ এমন একটি সময় ছিল যখন কোনো ফলেই রাসায়নিক ব্যবহার করা হতো না। আমরা আমাদের ছোটবেলাতে ফলমূল বিষমুক্ত হিসেবে খেতে পেরেছি। মানুষ যত বেশি সভ্য হচ্ছে তত বেশি লোভ-লালসা বেড়ে যাচ্ছে। সেজন্য আরও বেশি লাভের জন্য মানুষ জনস্বাস্থ্যকে কোনো গুরুত্ব না দিয়ে ব্যবসায় আরও বেশি লাভের আশায় মারণাস্ত্র হিসেবে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার শুরু করে দেয়। কিন্তু দিন পাল্টাতে শুরু করেছে একটি সচেতনতা বিপ্লবের ফলে। আর সে কারণেই আমরা এখন ফল সহজেই বিদেশে রফতানি করতে পারছি। আমাদের দেশে মধু মাসে অনেক রসালো ফলমূলই রয়েছে; তার মধ্যে আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, জাম, জামরুল ইত্যাদিই প্রধান। বিদেশে বাংলাদেশের আমের সবচেয়ে বেশি রফতানি চাহিদা রয়েছে। তারপর কাঁঠাল, লিচু, জামরুলসহ অন্যান্য ফল। কাঁঠালের চাহিদা রয়েছে শুধু মধ্যপ্রাচ্যসহ কয়েকটি দেশে, যেখানে আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশিরা রয়েছে। তবে কাঁঠালে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না সাধারণত। আর লিচু স্বল্পমেয়াদি একটি ফল হওয়ায় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার মঙ্গলবাড়ী, দিনাজপুরের চায়না-৩ এবং বেদানা জাতের কিছু লিচুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বাংলাদেশি অধ্যুষিত কিছু দেশে। লিচুকেও রাসায়নিকমুক্ত রাখার জন্য আমের মতোই ট্রিটমেন্ট করা হয়ে থাকে। সীমিত আকারে এখন আনারস, জাম, লটকন, জামরুলসহ অন্যান্য ফলমূল কৃষিপণ্য হিসেবে বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে। তবে রফতানির তালিকায় এখনও আমই প্রধান।
আম একটি অন্যতম সুস্বাদু ফল। ফজলি, ল্যাংড়া, আম্রপালি, ক্ষিরসাপাতি, হিমসাগর, চোষা প্রভৃতি জাতের আমের বিশেষ কদর রয়েছে, এদের স্বাদও গন্ধের জন্য। এর সুমিষ্ট স্বাদ ও গন্ধ সহজেই মানুষের জিহ্বায় পানি এনে দেয়। এতে রয়েছে মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনসহ অনেক পুষ্টি উপাদান। আর এজন্য বিদেশে আমের অনেক চাহিদা রয়েছে। আম চাষ একসময় রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ কয়েকটি জেলাতে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেশের ২২টি জেলাতে উন্নত জাতের আমের চাষ বাণিজ্যিকভাবে হয়ে থাকে। এতে যেমন রয়েছে লবণাক্ত এলাকা; তেমনি রয়েছে খাগড়াছড়ি, কাপ্তাই ও বান্দরবানের মতো পাহাড়ি এলাকাও। এক পরিসংখানে প্রকাশ, দেশে মোট আবাদি জমির ১.৬৬ শতাংশ এলাকাতে আম চাষ হয়ে থাকে। ২০১৫ সালে দেশে মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩১৭ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছিল। এবার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এসব স্থানে আমের উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ লাখ টন। এক হিসাবে দেখা গেছে, আমাদের দেশে যে পরিমাণ আম উত্পাদন হয় তার মাত্র ৩০ শতাংশ দেশের চাহিদার জন্য যথেষ্ট। সেখানে ৭০ শতাংশ আম বিদেশে রফতানি করার সুযোগ রয়েছে। কাজেই বোঝা যাচ্ছে, যদি এ বিপুল পরিমাণ আম রফতানির বাজার সৃষ্টি করা যায়, তবে শুধু আম রফতানি করেই দেশে অনেক বৈদিশেক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। যদিও আমের গাছে কীটনাশক স্প্রে করার ৪৫ দিন পরে সে গাছ থেকে আম সংগ্রহের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বিদেশে রফতানি করা আমে কোনো প্রকার রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না।
সেজন্য বিজ্ঞানীরা এক বিশেষ ধরনের কাগজের তৈরি ব্যাগ আবিষ্কার করেছেন। এ ব্যাগ আমের গুটি একটু বড় হওয়ার পর থেকে সেই আম কিংবা আমের থোকা ঢেকে দিতে হয়। সে ব্যাগকে বলা হয় ‘ফ্রুট ব্যাগ’ আর পদ্ধতিকে বলা হয় ‘ফ্রুট ব্যাগিং’। এটি বিদেশে রফতানিযোগ্য আমের জন্য কৃষক পর্যায়ে খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কারণ তা পুনরায় ২-৩ মৌসুম ব্যবহার করা যায়। এর মূল্য মাত্র ৪-৫ টাকা। কাজেই কম খরচে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিকভাবে এ পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এভাবে উত্পাদনের জন্য বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অষ্টম আম উত্পাদনকারী দেশ। আগে ইউরোপসহ অনেক দেশে ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড থেকে আম রফতানি করা হতো। কিন্তু বর্তমানে সেসব দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশও আম রফতানিকারক একটি দেশের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে। এ বছর ৯০০ টন আম বিদেশে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লেখক : কৃষিবিদ