গ্যাসে আশার আলো

গ্যাস খাতে নতুন করে আশার আলো দেখছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। আগামী কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হতে পারে। এ ছাড়া বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও বাড়তে পারে বিপুল পরিমাণ মজুদ। এই গ্যাস তোলার জন্য সরকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দশ হাজার কোটি টাকা এ খাতে নতুন করে বিনিয়োগের সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে গ্যাস আমদানিরও। এলএনজি আকারে এই গ্যাস আমদানি করা হবে। সরকার আশা করছে, ২০১৮ সাল নাগাদ গ্যাসের চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হবে।

বর্তমানে গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে কমবেশি ৫০ থেকে ৭০ কোটি ঘনফুট। এ ঘাটতির কারণে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না। বহু শিল্প কারখানায় দেওয়া যাচ্ছে না গ্যাস সংযোগ। বাসাবাড়িতে নতুন সংযোগ বন্ধ। অর্থনীতিবিদরাও বলছেন, বিনিয়োগের অন্যতম বাধা এই গ্যাসের ঘাটতি। দেরিতে হলেও সমস্যা সমাধানে সরকার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদও বলছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

পেট্রোবাংলার তথ্যে দেখা যায়, দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে এখনও পর্যন্ত উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রমাণিত মজুদ রয়েছে ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। বর্তমানে বার্ষিক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই গ্যাস দিয়ে চলবে আরও ৮-৯ বছর। তবে দেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত ২৬টি গ্যাসক্ষেত্রে প্রমাণিত ও সম্ভাব্য মিলিয়ে মোট মজুদের পরিমাণ ২৭ দশমিক ১২ টিসিএফ গ্যাস। এর মধ্যে প্রায় ১৪ টিসিএফ গ্যাস তোলা হয়েছে অর্থাৎ ব্যবহার হয়েছে। প্রমাণিত ও সম্ভাব্য মিলিয়ে ১৩ টিসিএফ গ্যাস এখনও মজুদ আছে। নতুন ক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে ২০১৮ সালের পর থেকে গ্যাসের উৎপাদন কমতে শুরু করবে। নতুন করে আরও কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

কিন্তু পেট্রোবাংলা ও ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, সাগরবক্ষে ও দেশের স্থলভাগে বিপুল পরিমাণ গ্যাস পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ভোলার শাহবাজপুর, পাবনার মোবারকপুর, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা, সিলেটের ছাতকের পূর্ব অংশে বড় গ্যাস কাঠামোর সন্ধান মিলতে পারে। এদিকে সাগরে ভারত ও মিয়ানমার অংশে যেহেতু তেল-গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে, সেহেতু বাংলাদেশ অংশেও তেল-গ্যাস পাওয়া যাবে- এটি একপ্রকার নিশ্চিত।

জানতে চাইলে ভূতত্ত্ববিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বদরুল ইমাম সমকালকে বলেন, দেশের স্থলভাগে আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যেসব গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়েছে সেগুলো সহজে উত্তোলনযোগ্য কাঠামো। তুলনামূলকভাবে গ্যাসের স্তরগুলো মাটির কম গভীরে। মাটির নিচে আরও গভীরে অনুসন্ধান চালাতে হবে। তিনি বলেন. ছাতকের পশ্চিম অংশে বিদেশি কোম্পানির কারণে একটি বড় গ্যাসক্ষেত্র নষ্ট হলেও পূর্ব অংশে গ্যাস কাঠামো পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। পাবনার মোবারকপুরে অবশ্যই গ্যাস পাওয়া যাবে। ভোলার শাহবাজপুরের গ্যাসক্ষেত্রটা অনেক বড় হতে পারে। ভূতত্ত্ব বিভাগের এ অধ্যাপক আরও বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সবেচেয়ে বড় সম্ভাবনা রয়েছে সমুদ্রে। সমুদ্রের অনুসন্ধান কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে বিপুল গ্যাসের সন্ধান মিলতে পারে।

ভোলায় বিপুল গ্যাস: ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপে ভোলা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন করে আরও কয়েকটি গ্যাসের স্তর পাওয়া গেছে। এতে আগের চেয়ে গ্যাস মজুদ আরও বাড়তে পারে। এখানে দুই টিসিএফের বেশি গ্যাস পাওয়া যেতে পারে বলে পেট্রোবাংলার প্রকৌশলীরা আশা করছেন। ১৯৯৩ সালের দিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনের কাচিয়া ইউনিয়নের শাহবাজপুরে গ্যাস পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গ্যাসক্ষেত্রটির মালিক সরকারি সংস্থা বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতিকুজ্জামান বলেন, অনুসন্ধান কূপ খননের পরই গ্যাস পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত ঘোষণা দেওয়া যাবে। শাহবাজপুর থেকে বর্তমানে দিনে ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এই গ্যাস দিয়ে ভোলায় অবস্থিত ২২৫ ও ৩৫ মেগাওয়াটের দুই বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো হয়।

পাবনায় গ্যাসক্ষেত্র: আশির দশকে জার্মানির একটি কোম্পানি দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান করে। এ সময় পাবনার সুজানগর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামে তেল ও গ্যাসের সম্ভাব্য মজুদের কথা জানা যায়। পরে ২০০৬ সালে এখানে অনসুন্ধান কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। ২০০৮ সালে এখানে ১৬০ কিলোমিটার লাইন ভূকম্পন জরিপ (টু-ডি) করা হয়। এখানে কুপ খননকাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের আগস্টে। কারিগরি সমস্যার কারণে পাইপ মাটির নিচে আটকে যায়। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেছেন, এখানে গ্যাস পাওয়া যাবে এটি নিশ্চিত। তার ধারণা, এটি বড় গ্যাসক্ষেত্র হবে। এ বিষয়ে ভূতাত্তি্বক বদরুল ইমাম জানান, স্টেটিগ্রাফিক স্ট্রাকচারয়ে পড়ায় মোবারকপুরে ভালো গ্যাস কাঠামো পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্ভাবনাময় সুনেত্র ও ছাতক: দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় দুটি গ্যাসক্ষেত্র হলো সুনেত্র ও ছাতক। সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনা অঞ্চলের সুনেত্র গ্যাসক্ষেত্রটি ছাতক গ্যাস থেকে ৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৬৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সুরমা বেসিনের পশ্চিম প্রান্তে। ২০০৯-১০ সালে ২৫৯ কিলোমিটার ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে সুনেত্র অঞ্চলে তেল-গ্যাস কাঠামোর সন্ধান পায় বাপেক্স। ধারণা করা হয়, এখানে ২ দশমিক ৪৭ টিসিএফ গ্যাস রয়েছে। তবে ২০১২ সালের শেষ দিকে এখানে একটি অনুসন্ধান কূপ খনন করে গ্যাস পাওয়া যায়নি। সে সময় বাপেক্সের অনেক কর্মকর্তা বলেছিলেন, খননের স্থান নির্ধারণে ভুল হওয়ায় গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়নি। ভূতত্ত্ববিদরা এখনও এ কাঠামো নিয়ে অনেক আশাবাদী। বদরুল ইমাম জানান, সুনেত্রে আরও গভীর অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানো উচিত।

এদিকে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক গ্যাসক্ষেত্র পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি ১৯৫৯ সালে আবিষ্কার করে। অত্যধিক পানি প্রবাহের কারণে ১৯৮৫ সাল থেকে ছাতক গ্যাসক্ষেত্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডার কোম্পানি নাইকোর কাছে এ গ্যাস ব্লক ইজারা দেওয়া হয়। ২০০৩ সালের দিকে তারা ছাতকের টেংরাটিলায় গ্যাস অনুসন্ধান কাজ শুরু করে। তবে অবহেলা ও অদক্ষতার কারণে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন টেংরাটিলায় দুই দফায় ভয়াবহ গ্যাস ব্লো আউট হয়। এতে ওই ক্ষেত্রের বিপুল পরিমাণ গ্যাস পুড়ে যায়। তবে এ কাঠামোর পূর্ব অংশে এখনও বড় ধরনের গ্যাসের মজুদ রয়েছে বলে ভূতত্ত্ববিদরা মনে করেন। এ ছাড়াও সুন্দলপুর, শ্রিকাইল, মুন্সীগঞ্জসহ বেশ কিছু জায়গায় কিছু ছোট ছোট তেল-গ্যাস কাঠামো পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রে মজুদ বাড়ছে: অত্যাধুনিক ত্রিমাত্রিক জরিপ চালিয়ে পুরনো ক্ষেত্রগুলোতে নতুন নতুন গ্যাস স্তরের সন্ধান পেয়েছে বাপেক্স। এতে কয়েকটি গাসক্ষেত্রের মজুদের পরিমাণ আগের চেয়ে বেড়েছে। সূত্র মতে, জরিপে তিতাস ক্ষেত্রে গ্যাসের মজুদ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। আরও পৌনে তিন টিসিএফ বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। কৈলাসটিলা ও সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রের মজুদও বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। রশিদপুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এক টিসিএফ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

সমুদ্রে অপার সম্ভাবনা: ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ মেটার পর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আর কোনো সমস্যা নেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, সমুদ্রে মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলো বড় বড় ক্ষেত্র। ফলে বাংলাদেশের সীমান্তেও তেল বা গ্যাস পাওয়া যাবে এটা এক প্রকার নিশ্চিত।

গভীর সমুদ্রের ১০ ও ১১ নম্বর ব্লকে অনুসন্ধান শেষে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি কনোকোফিলিপস মজুদ পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। অগভীর সমুদে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ১১ নম্বর ব্লকে কাজ করছে ক্রিস এনার্জি ও সান্টোস। তারা এখানে একটি বড় গ্যাস কাঠামো পাওয়ার বিষয়ে সরকারকে প্রাথমিক ধারণা দিয়েছে। এ ছাড়া অগভীর সমুদ্রের ৪ ও ৯ নম্বর ব্লকে কাজ করবে ভারতের কোম্পানি ওএনজিসি। গভীর সমুদ্রের ১২, ১৬ ও ২১ নম্বর ব্লকে কাজ করবে স্ট্যাটঅয়েল। এ তিনটি ব্লকের কাছাকাছি মিয়ানমার তার অংশে গ্যাসের বড় মজুদ পেয়েছে। তাই এখানে বড় গ্যাস কাঠামোর সম্ভাবনা দেখছেন বিদেশি এসব কোম্পানি। বদরুল ইমাম বলেন, মিয়ানমার সীমানায় ব্লকগুলোতে বড় গ্যাসক্ষেত্র পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল ।

বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা মিয়ানমারের সমুদ্র ব্লকগুলো হলো এডি ৬, এডি ৭, এডি ১১, এডি ১২- যেগুলো রাখাইন বেসিনে অবস্থিত। এর মধ্যে এডি ৭-এ বড় ধরনের গ্যাসের মজুদ পাওয়া গেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি এডি ৭-এ খনন করা থালিন ১ নামের কূপে গ্যাস আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। ৬৪ মিটার পুরুত্বের গ্যাসস্তরের সন্ধান মিলেছে। কোরিয়ান কোম্পানি দাইয়ু ইন্টারন্যাশনাল এ ব্লকটি অপারেট করছে। সঙ্গে আছে অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি উডসাইড। এ ব্লকটি বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের ১২ ও ১৬ নম্বর ব্লকের পাশে অবস্থিত। এখানে পানির গভীরতা প্রায় ৮০০ মিটার। গ্যাস পাওয়া গেছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তিন হাজার ৩৪ মিটার গভীরতায়। একই বেসিনের ব্লক ৬-এ জানুয়ারিতে গ্যাস পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল উডসাইড। রাখাইন বেসিন আর বাংলাদেশের বেঙ্গল বেসিন মূলত একই বেসিনভুক্ত। পাশের ব্লকে গ্যাস পাওয়ায় মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের ডিএস ১২, ডিএস ১৬, ডিএস ২১, ডিএস ২৫, অগভীর সমুদ্রের এসএস ১১ ব্লকে গ্যাস পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছেন ভূতত্ত্ববিদরা। এ ছাড়া ডিএস ১৫, ডিএস ২০ ও এসএস ১০ ও সম্ভাবনাময় বলে ভূতাত্তি্বকরা অভিমত দিয়েছেন।

সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ মেটার পর ২০১৩ সালে মিয়ানমার ১৩টি বিদেশি কোম্পানির কাছে ১০টি গভীর ও ১০টি অগভীর সমুদ্র ব্লক ইজারা দেয়। দেশটি এসব এলাকায় ১৮ টিসিএফ গ্যাস ও সাড়ে তিন বিলিয়ন ব্যারাল তেল পাওয়ার আশা করছে। রাখাইন বেসিনেই মিয়ানমারের শুই (২০০৩ সালে ৫.৫ টিসিএফ), শুই ফিউ (২০০৫ সালে ১.২ টিসিএফ), মিয়া (২০০৬ সালে ৩.৫ টিসিএফ) নামের গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। এখানে মজুদ আরও বাড়তে পারে ভবিষ্যতে।

এদিকে বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা ভারতের কৃষ্ণা গোদাবাড়ী বেসিনে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ভারত। এখানে বড় ধরনের গ্যাসের মজুদ আছে বলে দেশটির বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন। ভারতের পাশে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের ডিএস ৯, ডিএস ১৪, ডিএস ১৯ ও ডিএস ২৪ এবং অগভীর সমুদ্রের এসএস ১ ও এসএস ৫ ব্লক রয়েছে। ফলে এসব ব্লকেও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভূতাত্তি্বকরা মনে করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সমকালকে বলেন, সমুদ্রে গ্যাস পাওয়ার বিষয়ে তিনি খুবই আশাবাদী। ইতিমধ্যে কয়েকটি ব্লকে বিদেশি কোম্পানি কাজ শুরু করেছে। আরও গভীর অনুসন্ধানের জন্য মাল্টিক্লেইন জরিপ পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থলভাগেও নতুন গ্যাস মজুদ পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে দেশে এলএনজি আসবে।