শেখ হাসিনা ছুটছেন উন্নয়নের পথে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সেøাগান এখন ভিশন টোয়েন্টি ওয়ান থেকে একচল্লিশে দাঁড়িয়েছে। জন্মের পর থেকেই শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ার বাইগার নদীর সৌন্দর্য, তীরবর্তী সাদা কাশবন সবুজ বৃক্ষরাজি, মানুষের নিরাবরণ সরল জীবনযাপনের দৃশ্য দেখেই মুগ্ধ হননি। দেখেছেন দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠীর বিবর্ণ চেহারা। দেখেছেন সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিষাক্ত বায়ু আর পশ্চিমাদের শোষণের বিরুদ্ধে তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেল-জুলুম নির্যাতন সয়ে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের কণ্টকাকীর্ণ পথ। দেশ ও মানুষকে ভালবেসে শৃঙ্খল মুক্তির নিরলস সংগ্রামে দৃঢ় অবিচল পথ হাঁটা। এই দীর্ঘ সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জীবন ও পরিবারে নেমে আসা বিপর্যয়ের চিত্র। তিনি বেড়ে উঠেছেন চোখের সামনে তার পিতার নেতৃত্বে সংগ্রামমুখর একটি জাতির এক মোহনায় মিলিত হয়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে সুমহান মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে লাখো মানুষের আত্মদানে অর্জিত যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের নির্মাণপর্ব। দেখেছেন একদিকে ক্ষমতার উন্নাসিকতা ভোগবিলাসী অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ত্যাগের মহিমায় নেতাকর্মী মানুষের উজ্জ্বল বর্ণময় আদর্শিক রাজনীতি।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ফেলে রেখে কবর খুঁড়ে যাকে সমাহিত করতে পারেনি, বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতীয় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের নীলনকশায় আওয়ামী লীগের গুটিকয়েক এবং সেনাবাহিনীর একটি বিশ^াসঘাতক গ্রুপ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের কালরাতে নৃশংসভাবে হত্যা করে। বাঙালি জাতির ইতিহাসের ঠিকানা ধানম-ির ৩২ নম্বর বাড়িটিতে হাতের মেহেদি না মুছে যাওয়া নববধূ ও শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ পরিবারের সব সদস্যের বুলেটবিদ্ধ শরীর থেকে রক্ত ভেসে গেছে।

বাংলাদেশের হৃৎপি-কে বুলেটবিদ্ধ করার সেই অভিশপ্ত রজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যাÑ শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। সারা দেশে খুনি মোশতাক থেকে সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের নিষ্ঠুর শাসন নেমে আসে নির্যাতনের বিভীষিকা হয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জীবনে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মধ্যেই আওয়ামী লীগবিরোধী ষড়যন্ত্র থামেনি। একদিকে সেনা শাসন আরেকদিকে প্রতিক্রিয়াশীল চক্র; অন্যদিকে প্রগতিশীল উগ্রপন্থীদের পথে পথে বাধার মধ্যে দলের আদর্শিক নেতাকর্মীরা সংগঠনকে শক্তিশালী করার সংগ্রামে নামেন। সেই বৈরী দুঃসময়ে নেতৃত্বের কোন্দল আওয়ামী লীগকে ভাঙনের পথে ঠেলে দেয়। সেই সময় শেখ হাসিনার দুঃসহ কষ্টের নির্বাসিত জীবন। এমনই পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু শব্দটি উচ্চারণ করলে অনেক প্রগতিশীল সংগঠনের কর্মীরা মারমুখী হয়ে আসতেন। সেই অন্ধকার সময়ে দলের ঐক্যের প্রতীক হয়ে পিদিমের আশার আলো নিয়ে দেশে ফিরলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে শুরু করলেন মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকারের সংগ্রাম। গণতন্ত্র মুক্তির সেই দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে একুশ বছর পর আওয়ামী লীগকে আনলেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়।

’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথরোধ আগলে থাকা ইনডেমনিটি নামের কালো আইন সরিয়ে আত্মস্বীকৃত দাম্ভিক খুনিদের বিচারের আওতায় আনলেন। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর পর্বই চালু করেননি, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ থেকে মন্ত্রীদের সরিয়ে সংসদ সদস্যদের নির্বাচিত করার ব্যবস্থা নিলেন। একজন উদার গণতন্ত্রী হিসেবে দলের পোড় খাওয়া প্রবীণ নেতাদের বাদ দিয়ে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করলেন। ’৯৮ সালের বন্যা মোকাবিলাসহ দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্রপরিচালনায় দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণই নয়, উদ্বৃত্ত করলেন। দলের দু-চারজন গডফাদারের বেপরোয়া উন্নাসিকতা ছাড়া সেই শাসনামল ছিল প্রশংসিত।

২০০১ সালে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে ব্রুটমেজরিটিজুড়ে আওয়ামী লীগের ওপর দমন-পীড়নই চালায়নি উন্নাসিক দ্বৈত শাসনে গা ভাসায়। বিতর্কিত হাওয়া ভবনের কর্মকা-, বিএনপিদলীয় পুলিশের বিরোধী দলের ওপর বেপরোয়া আচরণ, সীমাহীন দুর্নীতি, সর্বগ্রাসী দলীয়করণ, দেশজুড়ে বোমা হামলা বিএনপি জোট সরকারের ইমেজকেই শেষ করেনি, শেখ হাসিনার সামনে লাশের রাজনীতি মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। এমনকি একুশের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনাসহ দলীয় নেতাদের উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শত শত নেতাকর্মী ও মানুষ পঙ্গু হয়েছে। একঘেয়েমি করে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে চেয়েছে। স্বাধীনতা-উত্তর পঁচাত্তর-পরবর্তী যেসব প্রগতিশীল উগ্রপন্থী রাজনৈতিক শক্তি বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে সমালোচনার তীরে বিরামহীন ক্ষতবিক্ষত করলেও সাংগঠনিকভাবে তারা তখন ক্ষয়িষ্ণু। সেই শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে নামেন। মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ গ্রহণের ধারা অব্যাহত রাখেন। ওয়ান-ইলেভেনে সেই জোট এমনকি তার হাতে দ্বিতীয় দফা বিকশিত আওয়ামী লীগও কাজে আসেনি। সেই দুঃসময়ের চ্যালেঞ্জকে অদমনীয় সাহসিকতার সঙ্গে তাকেই মোকাবিলা করতে হয়। মামলা আর জেল-জীবন মোকাবিলা করে ওয়ান-ইলেভেনের অদৃশ্য ও দৃশ্যমান শক্তিকে পরাস্ত করে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিশাল বিজয় অর্জন করেন। ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বৈরী পরিস্থিতি একদিকে মোকাবিলা করেন। অন্যদিকে বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটান। তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে বিস্ময়কর বিপ্লবের পথে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মোড়লদের তৎপরতা ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে যুদ্ধাপরাধী, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসিকাষ্ঠে যেমন ঝোলাতে সক্ষম হন, তেমনি বিশ^ব্যাংককে চ্যালেঞ্জ দিয়েই তাদের দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করে পদ্মা সেতুর মতো ব্যয়বহুল সেতু নিজস্ব অর্থায়নে শুরু করেন। বিএনপি-জামায়াতের সহিংস হরতাল-অবরোধের কর্মসূচির মুখে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনী বৈতরণীই পার হননি, সরকারবিরোধী রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন-সংগ্রামকে কঠোরভাবে দমন করেন। বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ভারতই নয়, পূর্বের চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উষ্ণতায় নিয়ে পশ্চিমের সঙ্গে পাল্লায় ভারসাম্য আনেন। শুধু আওয়ামী লীগই নয়, সরকারের শরিক রাজনৈতিক শক্তিই নয়, প্রশাসনসহ সব প্রতিষ্ঠানই তিনি তার নেতৃত্বের মহিমায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন।

একুশ শতকের গান, সংবাদপ্রধান দেশ জেনেও গণমাধ্যমে বিশেষ করে বেতার ও টিভি চ্যানেলের দুয়ার বেসরকারি খাতের জন্য খুলে দিয়ে গণমাধ্যমের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন। দেশ থেকে ভারতবিরোধী মুজিববিদ্বেষী রাজনীতিকে হঠিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নবপ্রজন্মকে কাছে টেনেছেন। চার দশকের সীমান্ত চুক্তি সম্পন্ন করেছেন মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির আলোকে। মামলা করে এনেছেন সমুদ্রবিজয়।

সরকারি জোটের সমর্থকরা জিগির তুলেছেনÑ আগে উন্নয়ন পরে গণতন্ত্র। কিন্তু ইতিহাসের পাঠ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ এই জাতিকে পরনের কাপড় ও পেটে ভাত না থাকার সময়ে গণতন্ত্র আর মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মাহুতি দিতে শিখিয়েছেন। উত্তরবঙ্গ থেকে মঙ্গা হঠিয়ে যারা বলেছিলেন তলাবিহীন ঝুড়ি, তাদের মুখে কালি মেখেছেন। কিন্তু ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে যে নির্মোহ সত্যটি উচ্চারিত হয়, সেটি হচ্ছে মানুষের আরাধনা উত্তম শাসন ব্যবস্থাই হচ্ছে গণতান্ত্রিক শাসন। সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা। যেটি ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সংসদই হবে সব কর্মকা-ের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু উন্নয়নে দেশ অগ্রসর হলেও হিসাবের খাতা খুলে দেখা যায়Ñ সংসদীয় গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণের নিরন্তর প্রক্রিয়ার ভেতর জনগণের ক্ষমতায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকলেও তার বিপরীতে সংসদ সদস্যরা আইন প্রণয়ন, জাতীয় নীতিনির্ধারণী বিতর্ক, সংসদকে প্রাণবন্ত করার সীমারেখার বাইরে অগাধ ক্ষমতা নিয়ে নিজেদের এলাকায় জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছেন। কেউ কেউ গড়ে তুলেছেন প্রশাসন ও নিজস্ব লোক মিলিয়ে দুর্নীতির সিন্ডিকেট। কেউ বা সন্ত্রাস ও মাদকবাজিতে নিমজ্জিত। আধিপত্য বিস্তারের উন্নাসিকতায় কোথাও কোথাও সাধারণ মানুষই নয়, দলীয় নেতাকর্মীরাও কোণঠাসা। দমবন্ধ পরিস্থিতি।

বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী, দুস্থদের সাহায্য দু’হাতে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। উন্নয়নযজ্ঞ ঘিরে আমলা-প্রকৌশলী, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দলীয় কর্মী মিলে গড়ে উঠেছে জেলায় জেলায় লুটেরা সিন্ডিকেট। দলীয় প্রতীকে প্রথম ইউপি নির্বাচন ঘিরে উৎসব দেখা দিলেও মাঠনেতাদের কেউ কেউ ডুবেছেন মনোনয়ন বাণিজ্যে। বিশ^ অর্থনৈতিক মন্দা থেকে শেখ হাসিনার দক্ষতায় প্রবাসীর রেমিট্যান্স আর কৃষকের ঘাম জাতীয় অর্থনীতিকে রক্ষা করলেও বেসরকারি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের খাতটি সবল হচ্ছে না। চড়া ব্যাংক সুদ একটি প্রধান অন্তরায়। শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবেÑ এমন আলামত কয়েক বছরে দেখা যায়নি। শেয়ারবাজারের কান্না-হতাশা ঘোচেনি। শেয়ার কেলেঙ্কারির নায়করা নিরাপদে। প্রকৃত ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংকঋণ দুর্বোধ্য হলেও লুটেরা সিন্ডিকেটের জন্য সহজ। অর্থমন্ত্রীর কণ্ঠে শেয়ার কেলেঙ্কারির নায়ক এবং ব্যাংক লুটেরাদের কথা উঠে এসেছে বারবার। পর্যবেক্ষকদের ভাষায়Ñ প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়ের ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্র বিক্ষোভ ইস্যুসহ নানা সংকটে সমাধান টানার মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কোনো মন্ত্রী-নেতা ভূমিকা রাখতে পারবেÑ এমন আশা জাগেনি কোথাও। উল্টো শেখ হাসিনা দেশকে যতটা এগিয়ে নিচ্ছেন, বাকিরা যেন সংবিধান ও আইন লঙ্ঘনের ভোগবাদী নীতিহীন পথে পেছনেই টানছেন। সবাই জানেন, রাজনীতি ও প্রশাসনে আজকের শেখ হাসিনা অনেক বেশি প্রাজ্ঞ, অভিজ্ঞ। তিনি হোমওয়ার্ক; ফাইল ওয়ার্ক করে মন্ত্রিসভা বৈঠকসহ প্রতিটি মিটিংয়ে হাজির হন সময়মতো। ১৮ ঘণ্টা পরিশ্রমকালে তাহাজ্জুদের নামাজ দিয়ে তার দিন যেমন শুরু হয়, তেমনি বই, খবরের কাগজ, টিভি-টক শো ও খোলা দুনিয়ার খবরে চোখ রাখতে ভোলেন না। মুজিবকন্যাকেই উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্নীতির লাগাম টেনে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার শান্তিপূর্ণ রাজনীতির দুয়ার প্রশস্ত করতে হবে। জীবনে একুশবারের চেয়ে বেশি মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা শেখ হাসিনার একদিকে যেমন জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ কঠোরভাবে দমন করতে হবে; তেমনি জনগণের আস্থা ও ভালবাসায় মানুষের বুকভরে শ^াস-প্রশ^াস নেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

লেখক : প্রধান সম্পাদক: পূর্বপশ্চিমবিডি.কম