মতলবের চরাঞ্চলে মরিচের বাম্পার ফলন

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার চরাঞ্চলে এবার মরিচের বাম্পার ফলন ও দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা বেশ খুশি। চলতি মৌসুমে মতলব উত্তর উপজেলায় ৬শ’ ৭১ হেক্টর জমিতে মরিচ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে ৭শ’ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ৯শ’ মেট্রিক টনের বেশি মরিচের উত্পাদন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলার চরউমেদ, বোরচর ও চরকাশিম ঘুরে দেখা গেছে, গৃহস্থদের বাড়ির উঠোনগুলো এখন লাল মরিচে ঢাকা। কৃষাণীদের পাশাপাশি শিশু-কিশোররাও মরিচ তোলা আর শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। উপজেলার চরউমেদ, চরকাশিম, বোরচর, চিরারচর, বাহেরচর, বাহাদুরচর, চরওয়েস্টার, চরপুটিয়া, মহিষমারীর চর, জহিরাবাদসহ আশেপাশের চরে মরিচের ব্যাপক আবাদ হয়েছে।

চরকাশিম বাজারে কথা হয় মরিচ চাষি জাকির বকাউলের সঙ্গে। তিনি জানান, এবার চরের ১০ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। ফলন ভাল হয়েছে। ঝড় বৃষ্টিও নেই। কাঁচা মরিচের যেমন দাম পেয়েছি, তেমনি শুকনো মরিচের দামও গত বছরের তুলনায় বেশি। গত বছর ৩ হাজার টাকা শুকনো মরিচ বিক্রি করতে হয়েছে।

এবার তার চেয়ে দাম দ্বিগুণ। মরিচ ব্যবসায়ী মিন্নত বেপারী জানায়, উত্পাদন অনুযায়ী এবার দাম কম হওয়ার কথা, কিন্তু চাহিদা বেশি এবং ক্রেতা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেশি। তিনি জানান, বাজার থেকে টোপা মরিচ কিনতে হচ্ছে প্রায় দেড় হাজার টাকা মণ। যেখানে গত বছর দাম ছিল ৭শ’ টাকা।

এ ব্যাপারে মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ূম মজুমদার বলেন, এখানে মরিচের ফলন বাম্পার। তবে বাকি সময়টা আবহাওয়া অনুকূলে থাকলেই কৃষকের মুখে হাসি দেখা যাবে।