১১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি

সস্তা শ্রম, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা আর এশিয়াজুড়ে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধার সুযোগ আর ১৬ কোটি মানুষের অভ্যন্তরীণ বাজার—সব কিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ যে বিনিয়োগের উর্বর ভূমি বিশ্বজুড়ে তার স্বীকৃতি মিলেছে ২০০৭ সালে গোল্ডম্যান স্যাক্সের প্রতিবেদনে। তাতে চীন, ভারত, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলের পরে যে ১১টি দেশে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে, সেই তালিকায় রাখা হয় বাংলাদেশকে। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), মার্কিন গবেষণা সংস্থা ব্লুমবার্গসহ নামিদামি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন বাংলাদেশকে তুলে ধরছে আরো অনেক ওপরে। আগামী দিনে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরছে ওই সংস্থাগুলো। এসব সম্ভাবনার সঙ্গে এ দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের আতিথেয়তার মিশেলে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য যে আদর্শ জায়গা এটি নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও দ্বিমত নেই। সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও আগ্রহের কমতি ছিল না। নানা সময় বিদেশিরা বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন। কিন্তু অবকাঠামোগত দুর্বলতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, গ্যাস-বিদ্যুতের অভাব—এসব সমস্যার কথা জানিয়ে ফিরতি ফ্লাইটও ধরেছেন তাঁরা। ফলে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশের হতাশা কাটেনি। দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের সমস্যার কথা জেনে সেগুলোর তাত্ক্ষণিক সুরাহা দেওয়ার মতো কোনো উপায়ও এত দিন ছিল না বাংলাদেশে। অবশেষে সরকার উদ্যোগী হয়ে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড পলিসি সামিট’ নামে সম্মেলনের আয়োজন করে সেই সুযোগ করে দিয়েছে। এ সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারক, দেশি-বিদেশি গবেষক ও উদ্যোক্তা মিলিয়ে ১১ দেশের ৭৩০ জন অংশ নেন, যাঁদের মধ্যে ২৮০ জন বিদেশি। ঢাকার র‌্যাডিসন ওয়াটার ব্লু গার্ডেনে গতকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেন সব ধরনের সেবা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার। দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও সচিবদের কাছ থেকে যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস পেয়ে তাত্ক্ষণিকভাবে বাংলাদেশে ১১ বিলিয়ন (১১০০ কোটি) ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানাল ভারতের বড় দুই শিল্প গ্রুপ রিলায়েন্স ও আদানি। চীন, মালয়েশিয়াসহ অন্য দেশের উদ্যোক্তারা তাত্ক্ষণিকভাবে ঘোষণা না দিলেও বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে—এমন কথা জানালেন তাঁরা। অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী এ সম্মেলনে যোগ দিতে না পারলেও শিগগিরই বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ বোর্ডসহ সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী সদস্য নাভাস চন্দ্র মণ্ডল। সম্মেলনের প্রথম দিন গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি, আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি, রবি আজিয়াটার আঞ্চলিক প্রধান ড. হ্যান্স উই জয়সুরিয়া ও ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) আঞ্চলিক প্রধান সুজয় বসু একান্তে বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘণ্টাখানেক স্থায়ী ওই বৈঠকে সুজয় বসুর কাছে জানতে চান, আইএফসির যে বাংলাদেশে ৬০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করার কথা, সেটি কেন হয়নি? জবাবে সুজয় বসু বলেন, আইএফসির অভ্যন্তরীণ কারণে তা এখনো হয়নি। তবে শিগগিরই বিনিয়োগ করা হবে বলে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদকে উদ্দেশ করে বলেন, রিলায়েন্সের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেটি আলোর মুখ দেখেনি কেন? তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশে একটি অপপ্রচার চালানো হয়েছিল যে ভারতে রিলায়েন্সের যেসব যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে গেছে, সেগুলো বাংলাদেশে প্রতিস্থাপন করা হবে। এই অপপ্রচারের কারণে শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষই আর সামনে এগোয়নি। তবে রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান বৈঠকে বাংলাদেশে ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন। একই সময় আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন। তখন প্রধানমন্ত্রী তাঁদের স্পষ্ট করে বলেন, ‘আগেও আপনারা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু বিনিয়োগ করেননি। আর প্রতিশ্রুতি নয়, এবার বিনিয়োগের বাস্তব রূপ দেখতে চাই।’ জবাবে ভারতীয় গ্রুপ দুটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, তাঁরা সত্যিকারেই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধান দেবে তাঁর সরকার। বৈঠকে উপস্থিত সরকারের নীতিনির্ধারকরা জানান, রিলায়েন্স গ্রুপ বাংলাদেশ সামিট গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে। আর আদানি গ্রুপ ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে বন্দর, এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনাল, বিদ্যুৎ, সৌর প্যানেল ও অবকাঠামো খাতে। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এস এ সামাদ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া আলাদাভাবে সামিট গ্রুপ বিদ্যুৎ খাতে আগামী পাঁচ বছরে ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে বলে বৈঠক সূত্র জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনস্থল ত্যাগ করার পর শুরু হয় বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা, সমস্যা ও সমাধানের উপায় নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের সড়ক অবকাঠামোর দুর্বলতা, অপরিকল্পিত উন্নয়ন, ওয়ানস্টপ সার্ভিস না পাওয়াসহ সমস্যার কথা তুলে ধরেন। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আরো জানতে চান, ভারত, চীন ও জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ যেভাবে পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে দিচ্ছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর উদ্যোক্তাদের জন্য একই ধরনের ব্যবস্থা করা হবে কি না? এসব প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা অন্য কোনো দেশ ও অঞ্চলের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রস্তাব পাওয়া গেলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। তিনি আরো বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ এ বছরই শেষ হবে। এই রুটে ডাবল লাইন রেললাইন নির্মাণের কাজও আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে শেষ হবে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। তবে ওয়ানস্টপ সার্ভিস নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের যে অভিযোগ এটি স্বীকার করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা তাদের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ করতে পারিনি।’ ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার ৩৫ বছর পরও বিনিয়োগ বোর্ড ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করতে পারেনি। এটি তাদের বিষয়। তবে আমি আশ্বস্ত করতে চাই যে বেজা আগামী বছরের মধ্যেই কার্যকর ওয়ানস্টপ সার্ভিস ব্যবস্থা চালু করবে’। ওয়ানস্টপ সার্ভিস ব্যবস্থা চালু না করতে পারা প্রসঙ্গে বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এস এ সামাদ বলেন, ‘বিনিয়োগের সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলো কোনো সহযোগিতা করছে না। বিষয়টি দেশি বিনিয়োগকারীরা জানেন। এ জন্য তাঁরা আমাদের কাছে আসেন না। তাঁরা জানেন, কিভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে হয়। কোথায়, কী দিলে কাজ হয়।’ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুখে ছিল একই সুর—বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য আদর্শ জায়গা। তবে এখানে বহু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা দূর করা জরুরি। সম্মেলনে যোগ দেওয়া চীনের নির্মাণপ্রতিষ্ঠান ‘চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন’-এর দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক কে চাংলিয়াং কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত ভালো জায়গা বাংলাদেশ। এত সুবিধার মধ্যে অসুবিধা হলো, বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের দক্ষতা অনেক কম। দেখা গেল কোনো একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি, সেটি মূল্যায়ন করতেই ছয় মাস সময় পার করে দেয়। বিনিয়োগ করার জন্য আমরা টাকা নিয়ে ঘুরি, কিন্তু এ দেশে কাগজপত্র অনুমোদন হয় না। ফলে ওই টাকা অলস পড়ে থাকে। এ ছাড়া কোথাও গেলে সেখানে ওয়ানস্টপ সেবা পাওয়া যায় না। জায়গায় জায়গায় গিয়ে হয়রানি হতে হয়।’ ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে আসা কাশিয়া নামের একজন উদ্যোক্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকারের তরফ থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিয়েছি। বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকার কী কী সুযোগ-সুবিধা দেয়, সেটিও জেনেছি। এখন আমরা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অবশ্যই বিবেচনায় নেব।’ চীনের সিনোপেক ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস করপোরেশনের মার্কেটিং ম্যানেজার শি লংজেনের ভাষ্যও একই। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য বাংলাদেশের অনেক উপাদান আছে। সস্তা শ্রম, ইউরোপ, আমেরিকা মহাদেশসহ বিভিন্ন দেশে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা ও সরকারের নানা প্রণোদনার হাতছানি রয়েছে। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অবকাঠামোগত সংকটের কারণে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও বড় বিনিয়োগ হয়নি। সরকার এখন সমস্যাগুলো দূর করার আশ্বাস দিয়েছে। সেটি হলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ অনেক বাড়বে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ ধরনের সম্মেলন বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনে। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা জানতে পারেন বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুবিধাগুলো কী। বাংলাদেশের ভেতরে ১৬ কোটি মানুষের চাহিদা এবং বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে যেসব সুবিধা রয়েছে, সেগুলো তুলে ধরে তাদের আকৃষ্ট করা যায়। এ ছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনকানুন সম্পর্কেও বিদেশি উদ্যোক্তারা ধারণা পান, যা তাঁদের জন্য সহায়ক হয়।’ ড. মোস্তাফিজ বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাতে অনেক দুর্বলতা রয়েছে। এই দুর্বলতার তথ্য জেনে বিদেশিরা ওই তিন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হতে পারেন। বিদেশি অংশগ্রহণকারীরা নিজ দেশের অন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও এসব তথ্য বিনিময় করেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে প্রতিষ্ঠার পর নিষ্কণ্টক জমি দিতে পারলে বিদেশিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আকৃষ্ট হবেন। ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগের উন্মুক্ত সুযোগ’ শিরোনামে সম্মেলনে প্ল্যানারি সেশন ছাড়াও পৃথক তিনটি বিজনেস সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে টেক্সটাইল ও বস্ত্র খাত, ফুটওয়্যার ও কৃষিভিত্তিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা, যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের অবাধ সুযোগ এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্ক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ সুবিধা নিয়ে আলাদা সেশন হয়েছে। এসব সেশনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ সরকারের শীর্ষ নির্বাহী, বিশ্বব্যাংক ও আইএফসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।