বাংলাদেশি চিকিৎসকের কারণে প্রাণে বাঁচলো কানাডিয়ান কিশোরী

জটলা দেখেই এগিয়ে গিয়েছিলেন নুরী তামান্না আর ফরহাদ বাশার। রক্তের উপর পড়ে আছে একজন কিশোরী। আর তার চারপাশে জটলা করে থাকা উৎসুক মানুষ। কারোই কিছু করার নেই। কিংবা কি করা দরকার স্থির করতে পারছিলেন না যেন কেউই।

কিছুক্ষণ আগেই সঙ্গের অন্যরা ছুরি মেরে ফেলে রেখে গেছে মেয়েটাকে। মুহুর্ত দেরি না করেই এগিয়ে যান নুরী। বাংলাদেশি এই মেয়েটা পেশায় ডাক্তার। ফার্স্ট এইডটা তার নখের ডগায়। ছুরিকাহত মেয়েটা তখন নিথর হয়ে পড়ে আছে, দেহে প্রাণ আছে কি নেই- বোঝার উপায় নেই। নুরী দুই দফা সিপিআর করার পর মেয়েটা যেন হঠাৎ গুমড়ে ওঠে। হ্যাঁ, মেয়েটার শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।

ততক্ষণে ইমারজেন্সি অ্যাম্বুলেন্স চলে এসেছে। দ্রুত মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায় আ্যাম্বুলেন্সটি। চোখে মুখে যেন তৃপ্তির হাসি ফুটে ওঠে নুরী আর বাশারের।

নুরী তামান্না নামের বাংলাদেশি একজন চিকিৎসকের কারণেই প্রাণে বেঁচে গেল ছুরি খেয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা নাম না জানা কানাডিয়ান এক কিশোরী।

সূত্র: নতুন দেশ