নীড় অর্থনীতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ৬ পোশাক কারখানা

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ৬ পোশাক কারখানা

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটির (অ্যালায়েন্স) সদস্য কারখানাগুলোর মধ্যে গত দুই বছরে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শনে উত্তীর্ণ হয়েছে এমন কারখানার সংখ্যা ছয়টি। তবে এর মধ্যে চূড়ান্ত পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এমন কারখানার সংখ্যা আটটি।

গতকাল রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে অ্যালায়েন্স বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রমের দুই বছর উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি, অ্যালায়েন্সের বাংলাদেশ অফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজবা রবিন, ইউনাইটেড স্টেটস ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএইড) বাংলাদেশ মিশনের পরিচালক জেনিনা জার জিলুস্কি এবং বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী প্রমুখ।

অ্যালায়েন্স কর্তৃপক্ষ জানায়, যেসব কারখানা চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রম শেষ করেছে এগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রিন টেক্সটাইল, কুন তং অ্যাপারেলস, মেনি অ্যাপারেলস, লন্ডি ইন্ডাস্ট্রি, অপটিমাম ফ্যাশন এবং ইউনিভোগ ফ্যাশন ।

সংবাদ সম্মেলনে গত দুই বছরের কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরে মরিয়ার্টি বলেন, গত দুই বছরই আমাদের পরিকল্পনা অনুসারে কারখানার পরিদর্শন ও সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক মান অনুসারে ছয়টি কারখানা চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে উত্তীর্ণ হয়েছে। পরিকল্পনা অনুসারে কার্যক্রম কিছুটা ধীর গতিতে হলেও নির্দিষ্ট সময়েই এই কার্যক্রম শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংস্কার কার্যক্রমে অর্থায়নের কথা তুলে ধরে মরিয়ার্টি বলেন, কারখানা সংস্কারে আইএফসি এবং ইউএসএইড স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে সহায়তা করবে। এর মধ্যে আইএফসি ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ইউএসএইড ১৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

মেজবা রবিন বলেন, গত দুই বছরে অ্যালায়েন্স ৫২৮টি কারখানার সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শনের কাজ শেষ করেছে। অ্যালায়েন্স ক্রেতা জোটে মোট সদস্য ৭৯০-এর মধ্যে সক্রিয় কারখানা রয়েছে ৬৬২। এ সময় ২২টি কারখানার রিভিউ প্যানেলে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি কারখানা সম্পূর্ণ বন্ধ, ১২টি আংশিক বন্ধ, ২টিকে ভার কমানোর জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত দুই বছরে তাদের এ সময় কারখানা সংস্কার কার্যক্রমে মালিকদের মানসিকতা পরিবর্তনে কাজ করেছে বেশি।