দেশের অগ্রগতির বহুমাত্রিক দিক

উদীয়মান বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতি নিয়ে বিশ্ববাসীর আগ্রহের কমতি নেই। বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূলে আছে সবকিছু। বিশ্ব মিডিয়ায় উপস্থাপিত হয়েছে আমাদের অর্থনীতি সাবলীলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং শক্তিশালী একটি অর্থনীতি হতে চলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু সাময়িকভাবে তা হোঁচট খেয়েছে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে। রাজনৈতিক সহিংসতায় কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আমাদের অর্থনীতিতে। সে েেত্র আমাদের অর্থনীতির সূচকগুলোর দিকে একটু দৃষ্টি দিতে হবে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে বাংলাদেশ নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ। এটি আমাদের প্রত্যাশিত ছিল। বিশেষ করে ২০১৪ ও ২০১৫ সালের অর্থহীন সন্ত্রাস ও নাশকতা না ঘটলে আরও এক বছর আগেই এটি অর্জন হতো। বিশ্বব্যাংকের হিসাবেই মাথাপিছু ১০৮৫ ডলারের আয় আমরা অতিক্রম করেছি ২০১৩ সালে। এ কৃতিত্বের দাবিদার মূলত দুটি প। এক. জনসাধারণ তথা কৃষাণ-কৃষাণি ও শ্রমজীবী মানুষ, যাদের অকান্ত পরিশ্রমের ফলেই ধারাবাহিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে। দ্বিতীয়ত. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসাধারণ সাহস ও প্রজ্ঞা, উদ্ভাবনী নেতৃত্ব এবং উন্নয়নের পথে স্থিরচিত্ত নীতিকৌশলের কারণেও বাংলাদেশ নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। তবে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের যে স্বীকৃতি, সেটি উন্নয়ন সূচকের মাত্র একটি দিক, যা আসছে মূলত প্রবৃদ্ধি থেকে। এতে সামাজিক বা সাংস্কৃতিক উন্নয়ন অর্থাৎ অগ্রগতির বহুমাত্রিক দিকগুলো প্রতিফলিত হয়নি। অথচ জনসাধারণের চেষ্টায় সীমিত সম্পদেও বিশাল উন্নয়ন সম্ভাবনায় পৌঁছতে আরও অনেক দূর যেতে হবে। জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে আসতে মাথাপিছু আয় ছাড়াও দুটি বিষয় বিবেচনায় আসবে, ঝুঁকি মোকাবিলা সূচক ও হিউম্যান অ্যাসেট ইনডেক্স (এইচএআই)। যেখানে আমাদের পেতে হবে ৬৬। এখন আছি ৬২ দশমিক ৮-এ। এ পথচলা আগামী দুবছরেই শেষ করা যেতে পারে। তবে এ েেত্র সরকারকে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এবং শিা খাতে আরও দৃষ্টি দিতে হবে। এ বছরের বাজেটে শিা খাতে গত বছরের তুলনায় মাত্র ৫৫ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাজেটের পরিধি বেড়েছে ২০ শতাংশের মতো। শিা বাজেট বাড়ল সামান্যই, এটি বোধহয় ঠিক হলো না। শিা খাতে প্রমিত বরাদ্দ হলো জিডিপির ৫ শতাংশ। আমাদের দেশে পাঁচ বছর আগেও এটি ছিল ২ দশমিক ৫ এবং গতবার ছিল ২ দশমিক ২ শতাংশ। এবার তা ২ শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে। স্বাস্থ্য খাতে অবশ্য বরাদ্দ না বাড়লেও বাস্তবায়ন দতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। শিা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে তার উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে উৎপাদনশীলতা আরও বাড়বে। এদিকে এইচডিআই তথা হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স অর্থাৎ মানবসম্পদ উন্নয়ন সূচকে চারটি ক্যাটাগরি রয়েছে। সর্বোচ্চ, উচ্চমধ্যম, নিম্নমধ্যম ও নিম্ন। আমরা বহু বছর নিম্ন সূচকের দেশ ছিলাম। খুব অল্প দিন হলো এইচডিআই সূচকের দশমিক ৫৮৫ নিয়ে আমরা নিম্নমধ্যমে উঠেছি। এ েেত্র আমরা যদি দশমিক ৭৫ সূচকে উঠতে পারি, তাহলেই উচ্চমধ্যম তালিকায় ওঠা সম্ভব হবে। সমন্বিত ও কৃতসংকল্প প্রচেষ্টায় আগামী পাঁচ-ছয় বছরে এ ল্য অর্জন সম্ভব হতে পারে। নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চমধ্যম মানবসম্পদ সূচকে ওঠাকে আমি বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। আমাদের সম্পদ সীমাবদ্ধতার টানাপড়েনে সামাজিক সুরাবলয়ে বেশি বরাদ্দ দিলে অবকাঠামোগত প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। আবার অবকাঠামোয় বেশি বিনিয়োগ করলে সামাজিক খাতের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। এ েেত্র ভারসাম্য রা করা কঠিন বৈকি!
২.
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুসারে মাথাপিছু আয় চার হাজার ১০০ ডলারে পৌঁছলেই বাংলাদেশ উচ্চমাধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি পাবে। এ জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে হবে। অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে। উন্নত করে তুলতে হবে যাতায়াতব্যবস্থা। রাস্তাঘাটের সীমাবদ্ধতা আমাদের উন্নয়নের গতিকে শ্লথ করছে। বিদ্যমান বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করা জরুরি। রেলেও বড় ধরনের বিনিয়োগ করা উচিত। অন্তত ন্যারো গেজ থেকে ব্রড গেজে যাওয়া জরুরি। আবার ডাবল লাইনও নির্মাণ করতে হবে। ছোটবেলা দেখেছি, আখাউড়া জংশনে সীমিত আকারে বৈদ্যুতিক রেল চলাচল করত। আগামীতে রেলের অন্তত আংশিক বৈদ্যুতিকীকরণ করা যেতে পারে। নৌপথ এককালে বহুল প্রচলিত থাকলেও আস্তে আস্তে সেটি সংকীর্ণ হয়ে আসছে, চার দশক আগের তুলনায় মাত্র এক-চতুর্থাংশ। এ েেত্রও ব্যাপক অগ্রগতি সম্ভব। স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে ধারাবাহিক হারে জিডিপি বেড়েছে। প্রতি দশকে নির্দিষ্ট পরিমাণে বাড়লেও এ প্রবৃদ্ধি গতি পায় নব্বইয়ের দশকে এসে। বিশেষ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেলে অন্য সব খাতের মতো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও গতি লাভ করে। বলা হয়, প্রতি দশকে প্রবৃদ্ধির হারে এক শতক যুক্ত হয়েছে। কিন্তু ২০০১ সালে শুরু হওয়া দশকে এসে সেটি থমকে দাঁড়ায়। দেশে শিল্প স্থাপনের চেয়ে বেশি লাভজনক ব্যবসা-বাণিজ্য। এটি উন্নয়নের পথে সামান্য কিছুটা সহায়ক, কিন্তু বেশিটাই আত্মঘাতী। শিল্পে যে প্রবৃদ্ধি হওয়ার কথা ছিল, সেটি হয়নি। ফলে প্রবৃদ্ধির গতিটা যে দ্রুতগতিতে বাড়ার কথা ছিল, সে হারে বাড়েনি। শিল্পায়নে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের মুদ্রানীতিও এক বছর ধরে খুব বেশি প্রবৃদ্ধি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারছে না। সফল মুদ্রানীতি মূল্যস্ফীতিকে ৬ শতাংশেরর সামান্য ওপরে নামিয়ে এনেছে। তবে এটি প্রবৃদ্ধি সহায়ক হয়নি। মুদ্রনীতিকে আরও উদার করতে হবে। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। সংকোচনশীল মুদ্রানীতি বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধিসহায়ক নয়। মুদ্রানীতি সম্প্রসারণশীল হলে বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হবেন বেশি। রেপো হার হ্রাস করা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে দৃষ্টিটা সময়োচিত হয়েছে। সরকার যথার্থভাবেই পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর বিরোধিতা দুঃখজনক। পরিবেশ রা করেই আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু আগে বিনিয়োগ, প্রবৃদ্ধিও আর্থসামাজিক উন্নয়ন হোক। পরিবেশের দিকটা না হয় পরেই দেখা যাবে।
দুষ্প্রাপ্য ভূমি হস্তান্তরে বাধা দূর করতে বিধি প্রণয়ন জরুরি। কোরিয়ান ইপিজেডের সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে হবে। সেখানে জমির পরিমাণ অনেক বেশি। সমঝোতা ও আলোচনার মাধ্যমে তাদের কিছু জমি ফেরত নেওয়া সম্ভব হলে আরও যারা এ েেত্র আগ্রহী যেমনÑ চিন, জাপান কিংবা ভারতকে তা বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি রেলের পতিত জমিতেও অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা যেতে পারে। প্রাইভেটাইজেশন কমিশন পতিত জমির ব্যাপারে একটি হিসাব দিয়েছে। ওই জমি শিল্পায়নে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩.
পৃথিবীতে এক হাজার ৮০০ কোটি বিলিয়ন ডলার প্রত্য বিদেশি বিনিয়োগ হয় প্রতিবছর। আমরা পাই ১-২ কোটি ডলার। চিন, ভারত, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তান অনেক বেশি প্রত্য বিদেশি বিনিয়োগ পায়। এক চিনেই প্রতিবছর প্রত্য বৈদেশিক বিনিয়োগ যায় প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কোম্পানিগুলো বাংলাদেশকে বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনাময় স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ েেত্র বিদেশি বিনিয়োগ না আসার সম্ভবত একটি বড় কারণ রাজনৈতিক অস্থিরতা। যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধ অবস্থানে অটল রয়েছে, তারা যেন অন্য রাজনৈতিক দলের সহায়তা নিয়ে দেশে নাশকতা না চালাতে পারে, সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নে বিশ্বাসী কিন্তু বর্তমান সরকারবিরোধী, তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। সরকার স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে না। সেই সঙ্গে যারা স্বাধীনতাবিরোধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন, তাদের সঙ্গেও আলোচনা করা মুশকিল। তার পরও আলোচনার মাধ্যমে দেশে একটি জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি করে আরও বিনিয়োগবান্ধব করা যেতে পারে।
বিনিয়োগ বোর্ডকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সংস্থার নির্বাহী চেয়ারম্যানের মতা আরও বাড়িয়ে দেশের চৌকস মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞদের এ েেত্র কাজে লাগানো যেতে পারে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত সব ধরনের আইনি জটিলতা দূর করতে হবে। এখানে মানবসম্পদ উন্নয়নে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করায় সচেষ্ট হতে হবে। ফাইভ ওয়ার্কিং ডে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা যেতে পারে। গত বছর ১৫ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স হিসেবে পেয়েছি আমরা। কিন্তু চার বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ আবার চলে গেছে দেশের বাইরে আউট ফো হিসেবে। এ েেত্র লেখাপড়াকে ব্যবহারিক করার জন্য হাতে-কলমে কাজের ব্যবস্থা নিতে হবে। পালাক্রমে তাত্ত্বিক বিদ্যা ও বাস্তব কর্মেেত্র অভিজ্ঞতা বাড়ানোর ব্যবস্থা নিলে কোম্পানিগুলোও কমমূল্যে দ জনশক্তি পাবে। এতে বিদ্যার্থী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান উভয়ই উপকৃত হবে। শিাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন। বিদেশে অবস্থানরত আমাদের দ ব্যক্তিদের দেশে এনে কাজে লাগাতে হবে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান, পত্রিকা ও বিজ্ঞজন অনবরত অযৌক্তিকভাবে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বিমুখতা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর করা এবং অবকাঠামো নির্মাণে বিশাল অগ্রগতি করতে পারলে দুই অঙ্কের জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন অদূর ভবিষ্যতেই সম্ভব হতে পারে। অবশ্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা পেলেই মূলধন-উৎপাদনের মধ্যকার অনুপাত কমে যাবে এবং সমপরিমাণ বিনিয়োগ থেকে বেশি পরিমাণ জিডিপি বৃদ্ধি হবে। রপ্তানি আয়, রেমিট্যান্সপ্রবাহ, মুদ্রা সরবরাহের দিকে তাকালে দেখা যাবে বড় ধরনের পতন এখনো হয়নি এ েেত্র। তবে একটু ধীরগতিতে এগোচ্ছে অর্থনীতি। অর্থনীতিতে উত্থান-পতন থাকে। সে েেত্র আমাদের করণীয় কী, সেটি বুঝতে হবে। সর্বশেষ হিসাবে অবশ্য রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি, বন্দরে পণ্য খালাসের গতি এবং রেমিট্যান্সপ্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। করপোরেট খাত, সরকারি শিল্প খাত কিংবা ব্যাংকিং খাত এ ধাক্কা সামলে উঠতে পারবে। ব্যবসায় মুনাফা কমে গেলে শিল্পে বিনিয়োগ কমে যায়। তবে এ েেত্রও সরকারের দায়টা বেশি। বিষয়টি নিয়ে সরকারের প থেকে গভীরভাবে ভাবতে হবে। বাংলাদেশ নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। তবে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের যে স্বীকৃতি, সেটি উন্নয়ন সূচকের মাত্র একটি দিক, যা আসছে মূলত প্রবৃদ্ধি থেকে। এতে সামাজিক বা সাংস্কৃতিক উন্নয়ন অর্থাৎ অগ্রগতির বহুমাত্রিক দিকগুলো প্রতিফলিত হয়নি। এখন অগ্রগতির বহুমাত্রিক দিকগুলো প্রতিফলন ঘটাতে হবে। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, নীতিকৌশল, অবকাঠামো নির্মাণ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতি আরও বাড়বে। আমাদের অর্থনীতি সাবলীলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং শক্তিশালী একটি অর্থনীতি হতে চলেছে বাংলাদেশে।