বেপজার রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪১৩ মিলিয়ন ডলার বেশি অর্জিত

২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) রপ্তানি অর্জন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। ৫ হাজার ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বেপজার অধীন ৮টি ইপিজেড থেকে গত অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ৬ হাজার ১১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের পণ্য। অর্থাৎ ইপিজেডগুলো থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি রপ্তানি হয়েছে।

২০১৩-১৪ অর্থবছরে ইপিজেডে চালু শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে রপ্তানি হয়েছিল ৫ হাজার ৫২৫.৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের পণ্য। এ ক্ষেত্রে আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রপ্তানি ১০.৬৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম ইপিজেডের শিল্পগুলো থেকে ২ হাজার ৩৮৩.৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঢাকা ইপিজেডে ১ হাজার ৯৯৭.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, কর্ণফুলী ইপিজেডে ৭০৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, আদমজী ইপিজেডে ৪৬৭.৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, কুমিল্লা ইপিজেডে ২৭৪.৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, মংলা ইপিজেডে ৮৪.২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঈশ্বরদী ইপিজেডে ১০৮.২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং উত্তরা ইপিজেডে ৮৭.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। জুন ২০১৫ পর্যন্ত ইপিজেডগুলোর ক্রমপুঞ্জিত রপ্তানির পরিমাণ ৪৬ হাজার ১৪১.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে চট্টগ্রাম ইপিজেডে ২ হাজার ২৬১.৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঢাকা ইপিজেডে ১ হাজার ৯৩৭.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, কর্ণফুলী ইপিজেডে ৫ হাজার ২৬.৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, আদমজী ইপিজেডে ৩৮৬.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, কুমিল্লা ইপিজেডে ২০৯.৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, মংলা ইপিজেডে ৭৭.২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঈশ্বরদী ইপিজেডে ৯৩.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং উত্তরা ইপিজেডে ৩৩.২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ৮টি ইপিজেডের মাত্র ২ হাজার ৩০৭.২৭ একর জমি থেকে বেপজা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশের মোট জাতীয় রপ্তানির ১৮.৩০ শতাংশ অবদান রেখেছে বেপজা যা গত অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৯.৫৯ শতাংশ। এই অবদান প্রতি বছর বাড়ছে। বিজ্ঞপ্তি।