ফিরেই জয় করলেন শমী

দীর্ঘ দুই বছর পর পর্দায় ফিরেই দর্শকহৃদয় জয় করে নিলেন নন্দিত অভিনেত্রী শমী কায়সার। তার অভিনীত ‘অনুমতি প্রার্থনা’ গেল ঈদে ছোট পর্দায় প্রচারিত দর্শকের কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য ও ভালোলাগার টেলিছবি ছিল। বিশেষ এ টেলিছবিটি এনটিভিতে প্রচার হয়েছে। এতে শমীর অভিনয় দর্শক ও সমালোচক মহলে দারুণ প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, নাট্যজনরা বলছেন, ‘শমী, শমীই। তার বিকল্প নেই। তিনি এমনই একজন আদ্যোপান্ত অভিনেত্রী, যাকে কারও সঙ্গেই তুলনা করা যায় না। অভিনয়কে তিনি এমন শিল্পে পরিণত করেছেন, যেখানে তিনি হাসলে দর্শক হাসেন। আবার তিনি কাঁদলে দর্শক কাঁদেন। ‘অনুমতি প্রার্থনা’তেও যেন তারই প্রমাণ মিলেছে।’
এ প্রসঙ্গে শমী কায়সার জানান, ‘এই ঈদে প্রচারের লক্ষ্যে একটি মাত্র টেলিছবিতে কাজ করেছিলাম। এর ‘অনুমতি প্রার্থনা’ শীর্ষক টেলিছবিটি পরিচালনা করেছেন চয়নিকা চৌধুরী। এতে আমার সহশিল্পী ছিলেন মাহফুজ আহমেদ। পরিচালক ও আমার সহশিল্পীর আন্তরিক চেষ্টাতেই আসলে এ কাজ করা। এটি প্রচারের পর আমার কাছের মানুষজনের কাছ থেকে এবং পরিচিত-অপরিচিত অনেক দর্শকের কাছ থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছি। শিল্পীদের ভালোলাগা এখানেই যখন তিনি তার কাজের মূল্যায়ন পান।’
এদিকে, ঈদে শমীকে নতুনভাবে দেখার পর দর্শকহৃদয়ে আশার দোলা সঞ্চারিত হয়েছে। প্রিয় অভিনেত্রীকে আবারো নিয়মিত দেখতে চান তারা। এ প্রসঙ্গে শমীর ভাষ্য, ‘আমি জানি_ দর্শকদের ভালোবাসার কথা। আসলে আগের মতো সময় কুলিয়ে উঠতে পারি না বলেই এখন নিয়মিত কাজ করা হয় না। তবুও দর্শকের অনুরোধে দু’একটি কাজ করব।’
বর্তমানে শমী কায়সার দর্শকের কথা ভাবনায় রেখেই আবুল হায়াতের ধারাবাহিক নাটক ‘আকাশের ওপারে আকাশে’ অভিনয় করছেন। এটি খুব শিগগিরই একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের শেষের দিকে মান্নান হীরার পরিচালনায় ‘নোনা জলের কাব্য’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করেন শমী। এতে শমীর সহকর্মী ছিলেন_ আজিজুল হাকিম, টনি ডায়েস, মাহফুজ আহমেদ ও শ্রাবন্তী। এরপর অভিনয় থেকে শমী নিজেকে গুটিয়ে নেন। তবে বিরতি ভেঙে ২০১৩ সালে আলভী আহমেদের ‘প্যারালাল ইমেজ’ টেলিছবিতে তাকে দেখা যায়।